কুড়িগ্রামের উলিপুরে এক পল্লী চিকিৎসক কর্তৃক ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতন বলৎকারের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি এলাকায় প্রকাশ হলে মানুষজনের মাঝে তীব্র ক্ষোভে সৃষ্টি হয়। এদিকে ঘটনাটি স্থানীয় ভাবে মিটমাট করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী ইউনিয়নের ইন্দারার পাড় বাজারের সুইটি মেডিকেল হলের সত্যাধিকারী,দড়িচর পাঁচ পাড়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মমতাজ আলী (৭০) বাজারের প্বার্শবর্তী চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ( ছন্দ নাম)নুর বাবু(১২)কে ঘটনার দিন, (২ জুলাই)বিকেলে কুড়িগ্রামে বানিজ্য মেলায় সার্কাস দেখতে নিয়ে যায়।সার্কাস দেখতে রাত হলে লম্পট ওই চিকিৎসক ছেলেটি বলাৎকারের মানষে পাশ্ববর্তী উপজেলা নাগেশ্বরীতে তার শশুর বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে খাওয়া শেষ রাত যাপনের জন্য ঘরে যায়। রাতের যে কোন এক সময় লম্পট ওই চিকিৎসক ছেলেটি বলাৎকার করেছে বলে স্থানীয় সুত্র জানায়। ঘটনাটি শোনার জন্য নির্যাতনের শিকার ওই পরিবারের কাছে গেলে এক ইউপি সদস্য সহ একটি মহল কথা বলতে দেয়নি।তারা বলেন, ঘটনাটি আমরা স্হানীয় ভাবে আপস ফয়সালা করার চেষ্টা করছি।আপস মিমাংসা না হলে আপনাদেরকে তখন আমরা ডাকবো।এ ব্যাপারে পল্লী চিকিৎসক মমতাজ আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান,আমি ছেলেটির বাবাকে বলে তাকে মেলায় সার্কাস দেখতে ও আমার শশুর বাড়ীতে নিয়ে গিয়েছি তা সত্যা।
ঘটনাটি এলাকায় প্রকাশ হলে মানুষজনের মাঝে তীব্র ক্ষোভে সৃষ্টি হয়। এদিকে ঘটনাটি স্থানীয় ভাবে মিটমাট করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী ইউনিয়নের ইন্দারার পাড় বাজারের সুইটি মেডিকেল হলের সত্যাধিকারী,দড়িচর পাঁচ পাড়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মমতাজ আলী (৭০) বাজারের প্বার্শবর্তী চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ( ছন্দ নাম)নুর বাবু(১২)কে ঘটনার দিন, (২ জুলাই)বিকেলে কুড়িগ্রামে বানিজ্য মেলায় সার্কাস দেখতে নিয়ে যায়।সার্কাস দেখতে রাত হলে লম্পট ওই চিকিৎসক ছেলেটি বলাৎকারের মানষে পাশ্ববর্তী উপজেলা নাগেশ্বরীতে তার শশুর বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে খাওয়া শেষ রাত যাপনের জন্য ঘরে যায়। রাতের যে কোন এক সময় লম্পট ওই চিকিৎসক ছেলেটি বলাৎকার করেছে বলে স্থানীয় সুত্র জানায়। ঘটনাটি শোনার জন্য নির্যাতনের শিকার ওই পরিবারের কাছে গেলে এক ইউপি সদস্য সহ একটি মহল কথা বলতে দেয়নি।তারা বলেন, ঘটনাটি আমরা স্হানীয় ভাবে আপস ফয়সালা করার চেষ্টা করছি।আপস মিমাংসা না হলে আপনাদেরকে তখন আমরা ডাকবো।এ ব্যাপারে পল্লী চিকিৎসক মমতাজ আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান,আমি ছেলেটির বাবাকে বলে তাকে মেলায় সার্কাস দেখতে ও আমার শশুর বাড়ীতে নিয়ে গিয়েছি তা সত্যা।
এম এইচ শাহীন,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 































