ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

স্বৈরাচারের গুলি দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিষ্টান: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্র একজন মুসলমান নাগরিককে যে অধিকার দেবে, অন্য ধর্মের নাগরিকদেরও ঠিক একই অধিকার দেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সবার। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান হতে পারি, কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।’

আজ মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী জানান, আজ সকালে তিনি রংপুর এবং দুপুরে রাজশাহীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। সব জায়গায় তিনি একই বার্তা দিচ্ছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ‘বিষয়টি নতুন বা পুরাতনের নয়। বিষয়টি হলো আমি কীভাবে চিন্তা করি, কীভাবে দেখি এবং কীভাবে বিশ্বাস করি।’

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। সেদিন যুদ্ধের মাঠে কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান— তা দেখা হয়নি। যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাদের ধর্ম পরিচয় দেখা হয়নি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা।’

স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেছেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। স্বৈরাচারের গুলি কিন্তু দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু বা কে খ্রিষ্টান। যারা শহীদ হয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের ধর্ম পরিচয় কেউ জিজ্ঞেস করেনি। সবার একটাই উদ্দেশ্য ছিল—একটি বৈষম্যহীন ও শান্তিময় বাংলাদেশ গড়া।’

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

স্বৈরাচারের গুলি দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিষ্টান: প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচারের গুলি দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিষ্টান: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্র একজন মুসলমান নাগরিককে যে অধিকার দেবে, অন্য ধর্মের নাগরিকদেরও ঠিক একই অধিকার দেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সবার। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান হতে পারি, কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।’

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

আজ মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী জানান, আজ সকালে তিনি রংপুর এবং দুপুরে রাজশাহীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। সব জায়গায় তিনি একই বার্তা দিচ্ছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ‘বিষয়টি নতুন বা পুরাতনের নয়। বিষয়টি হলো আমি কীভাবে চিন্তা করি, কীভাবে দেখি এবং কীভাবে বিশ্বাস করি।’

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। সেদিন যুদ্ধের মাঠে কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান— তা দেখা হয়নি। যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাদের ধর্ম পরিচয় দেখা হয়নি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা।’

স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেছেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। স্বৈরাচারের গুলি কিন্তু দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু বা কে খ্রিষ্টান। যারা শহীদ হয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের ধর্ম পরিচয় কেউ জিজ্ঞেস করেনি। সবার একটাই উদ্দেশ্য ছিল—একটি বৈষম্যহীন ও শান্তিময় বাংলাদেশ গড়া।’