রাষ্ট্র একজন মুসলমান নাগরিককে যে অধিকার দেবে, অন্য ধর্মের নাগরিকদেরও ঠিক একই অধিকার দেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সবার। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান হতে পারি, কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।’
আজ মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী জানান, আজ সকালে তিনি রংপুর এবং দুপুরে রাজশাহীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। সব জায়গায় তিনি একই বার্তা দিচ্ছেন উল্লেখ করে বলেছেন, ‘বিষয়টি নতুন বা পুরাতনের নয়। বিষয়টি হলো আমি কীভাবে চিন্তা করি, কীভাবে দেখি এবং কীভাবে বিশ্বাস করি।’
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিল। সেদিন যুদ্ধের মাঠে কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান— তা দেখা হয়নি। যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাদের ধর্ম পরিচয় দেখা হয়নি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা।’
স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেছেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। স্বৈরাচারের গুলি কিন্তু দেখেনি কে মুসলমান, কে হিন্দু বা কে খ্রিষ্টান। যারা শহীদ হয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের ধর্ম পরিচয় কেউ জিজ্ঞেস করেনি। সবার একটাই উদ্দেশ্য ছিল—একটি বৈষম্যহীন ও শান্তিময় বাংলাদেশ গড়া।’
অনলাইন ডেস্ক : 



























