ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

চুক্তির ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই লেবাননে ইসরাইলি ড্রোন হামলা

দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র একদিনের মাথায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ লেবানন। শনিবার (২৭ জুন) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত এলাকা নাবাতিহ-তে একটি ইসরাইলি ড্রোন অত্যন্ত জোরালো হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ।
চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চালানো এই আকস্মিক হামলাকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াটি আবারও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, নাবাতিহ আল-ফাওকা এলাকার একটি জনাকীর্ণ মোড় ‘ফারাহ অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ইন্টারসেকশন’কে নিশানা করে ইসরাইলি ড্রোনটি আঘাত হানে।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ বিবরণ বা কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আকস্মিক এই বিস্ফোরণের ফলে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি শুরু করে।

গত কয়েক মাস ধরে লেবানন-ইসরাইল সীমান্ত জুড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই রকেট ও বিমান হামলা বিনিময় চলছিল। এই সীমান্ত সংঘাতের তীব্রতা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছিল যা যেকোনো মুহূর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ নিতে পারত। এমন এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং সীমান্তে একটি বাফার জোন বা নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় শুক্রবার (২৬ জুন) উভয় পক্ষ একটি নিরাপত্তা সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিনই ইসরাইলের এই ড্রোন হামলা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। এই হামলাটি কোনো ভুল বোঝাবুঝি নাকি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার যে আশা জাগানিয়া পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, এই ঘটনা তাকে চরম সংকটে ফেলে দিল। হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সূত্র: আল-জাজিরা।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

বরাদ্দ বাঁচিয়ে অতিরিক্ত খাল খনন করে ৪০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

চুক্তির ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই লেবাননে ইসরাইলি ড্রোন হামলা

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র একদিনের মাথায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ লেবানন। শনিবার (২৭ জুন) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত এলাকা নাবাতিহ-তে একটি ইসরাইলি ড্রোন অত্যন্ত জোরালো হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ।
চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চালানো এই আকস্মিক হামলাকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াটি আবারও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, নাবাতিহ আল-ফাওকা এলাকার একটি জনাকীর্ণ মোড় ‘ফারাহ অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ইন্টারসেকশন’কে নিশানা করে ইসরাইলি ড্রোনটি আঘাত হানে।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ বিবরণ বা কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আকস্মিক এই বিস্ফোরণের ফলে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি শুরু করে।

গত কয়েক মাস ধরে লেবানন-ইসরাইল সীমান্ত জুড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই রকেট ও বিমান হামলা বিনিময় চলছিল। এই সীমান্ত সংঘাতের তীব্রতা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছিল যা যেকোনো মুহূর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ নিতে পারত। এমন এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং সীমান্তে একটি বাফার জোন বা নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় শুক্রবার (২৬ জুন) উভয় পক্ষ একটি নিরাপত্তা সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিনই ইসরাইলের এই ড্রোন হামলা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। এই হামলাটি কোনো ভুল বোঝাবুঝি নাকি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার যে আশা জাগানিয়া পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, এই ঘটনা তাকে চরম সংকটে ফেলে দিল। হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সূত্র: আল-জাজিরা।