কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীতে সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে সরকারি মুল্যের অর্ধেক টাকায় ১০ টি গরু ও ৮টি মহিষ নিলামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে কাস্টমস কর্মকর্তা নাহিদ গাজির বিরুদ্ধে। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
বিজিবি, কাস্টমস ও স্থানীয়রা জানান, ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে আসা ১০ টি গরু ও ৮ টি মহিষ আটক করে রৌমারী কাস্টমস অফিসে জমা দেন বিজিবি। যার সিজার মুল্য ছিল ২৮ লাখ টাকা। গত সোমবার জমাকৃত ১০ টি গরু ও ৮টি মহিষ প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রির নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। নিলামের জন্য মাইকিং ও নোটিশ বোর্ডের মাধ্যমে বলা হলে ৪ লাখ টাকা পেওর্ডার করে ৩৩ টি দরদাতা অংশ গ্রহন করেন। এতে কাস্টমস কর্মকর্তার যোগসাজসে সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে সরকারি দর ১৭ লাখ টাকা নির্ধারিত মূল্য বেধে দেওয়া হয়। কিন্তু দরদাতারা সিন্ডিকেট করে, ছাত্রদলের উপজেলা আহ্বায়ক রানার মনোনিত প্রতিনিধি ছাত্রদলের ই¯্রাফিল নামের এক ব্যক্তির নামে ৯ লাখ ১৫ হাজার টাকায় সর্বচ্চো দরদাতা হিসাবে নিলামে বিক্রয় করা হয়।
নিলাম শেষে গরু মহিষ গুলি জনৈক রতনপুর গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন নামের এক ব্যক্তির নিকট ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এসময় দ্বিতীয় দরদাতা মোস্তাফার সঙ্গে মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে ২ টি গরু মোস্তাফা কেড়ে নিয়ে যায়। পরে প্রত্যক দরদাতাকে ১০০০ টাকা করে দেয়া হয়।
রৌমারী শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা, কাস্টমস, এক্্রাইজ ও ভ্যাট সার্কেল আল-শাহরিয়ার বলেন, নিলাম বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে আমরা তা সমাধান করার চেষ্টা করি। তবে সিন্ডিকেট বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারি মুল্যের চেয়ে অর্ধেকে নিলামে গরু মহিষ বিক্রয় করা হয় তা জানতে চাইলে, তিনি পাশ কাটিয়ে যান।
এবিষয়ে শুল্ক কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল, নাহিদ গাজি বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিলাম ডাকে পরিচালনা করা হয়েছে। তবে বাহিরে কারা সিন্ডিক্যাট করছে তা আমার জানা নেই। সরকারি মুল্যের চেয়ে দ্বিগুন মূল্য কমে নিলাম দেয়ার কথা বললে তিনি জানান, গরু পচনশীল পন্যের সাথে তুলনা করা হয়। যে কারনে নিলামে সর্বোচ্চ মূল্যে দেয়া হচ্ছে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
মাজহারুল ইসলাম ,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : 




























