ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
আলোচিত:

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বিশ্ববাজারে সোনার দামে ফের উত্থান, দেশে ভরি কত টাকা?

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।

বুধবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ট্রয় আউন্স ৪ হাজার ৩৫৬.৫৫ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।

বাংলাদেশি টাকায় কত?

প্রতি ডলারের দাম প্রায় ১২২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতি গ্রাম প্রায় ১৭ হাজার ১০০ টাকা। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রায় এক লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের হিসাবে বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ২ লাখ টাকা।

তবে এটি শুধু আন্তর্জাতিক স্পট মূল্যের ভিত্তিতে করা হিসাব। বাংলাদেশে সোনা কিনতে গেলে ডলারের রেট, ভ্যাট, মজুরি বা মেকিং চার্জসহ অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় দোকানে বিক্রির দাম এর চেয়ে বেশি হতে পারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে আসা স্বর্ণের দামের জন্য ইতিবাচক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

ফেডের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির জুলাইয়ের বৈঠকের কার্যবিবরণী বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা সুদের হার নিয়ে কী ধরনের আলোচনা করেছেন, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।

সুদের হার কমলে সাধারণত স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-খরচ কমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে এবং দামও বাড়তে পারে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফএক্সটিএমের গবেষণা বিভাগের প্রধান লুকমান ওতুনুগার মতে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৯০ ডলারের ওপরে স্থায়ীভাবে উঠতে পারলে তা ৪ হাজার ৫০৫ ডলারের দিকে যেতে পারে।

অন্যদিকে দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলারের নিচে নেমে গেলে ৪ হাজার ২০০ এবং পরে ৪ হাজার ১৫০ ডলারের দিকে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বর্ণের বাজারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিরও প্রভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে।

তবে ইরান এর বিপরীত দাবি করেছে। দেশটির বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনো জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে তেলের দামও টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বর্ণ ও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে।

সূত্র: রয়টার্স

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

জন্মদিনে পাকিস্তান নিয়ে আবেগপ্রবণ শবনম, বললেন ‘উড়ে যেতে ইচ্ছে করে’

বিশ্ববাজারে সোনার দামে ফের উত্থান, দেশে ভরি কত টাকা?

আপডেট সময় ০২:১৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বুধবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ট্রয় আউন্স ৪ হাজার ৩৫৬.৫৫ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।

বাংলাদেশি টাকায় কত?

প্রতি ডলারের দাম প্রায় ১২২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতি গ্রাম প্রায় ১৭ হাজার ১০০ টাকা। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রায় এক লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের হিসাবে বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ২ লাখ টাকা।

তবে এটি শুধু আন্তর্জাতিক স্পট মূল্যের ভিত্তিতে করা হিসাব। বাংলাদেশে সোনা কিনতে গেলে ডলারের রেট, ভ্যাট, মজুরি বা মেকিং চার্জসহ অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় দোকানে বিক্রির দাম এর চেয়ে বেশি হতে পারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে আসা স্বর্ণের দামের জন্য ইতিবাচক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

ফেডের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির জুলাইয়ের বৈঠকের কার্যবিবরণী বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা সুদের হার নিয়ে কী ধরনের আলোচনা করেছেন, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।

সুদের হার কমলে সাধারণত স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-খরচ কমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে এবং দামও বাড়তে পারে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফএক্সটিএমের গবেষণা বিভাগের প্রধান লুকমান ওতুনুগার মতে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৯০ ডলারের ওপরে স্থায়ীভাবে উঠতে পারলে তা ৪ হাজার ৫০৫ ডলারের দিকে যেতে পারে।

অন্যদিকে দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলারের নিচে নেমে গেলে ৪ হাজার ২০০ এবং পরে ৪ হাজার ১৫০ ডলারের দিকে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বর্ণের বাজারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিরও প্রভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে।

তবে ইরান এর বিপরীত দাবি করেছে। দেশটির বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনো জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে তেলের দামও টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বর্ণ ও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে।

সূত্র: রয়টার্স