ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

খাদ্যগুদামে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা, সিন্ডিকেটও ছাড় পাবে না: খাদ্যমন্ত্রী

আফরোজা খানম রিতা। ফাইল ছবি

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে মজুত খাদ্যশস্য নিয়ে কোনো ধরনের নয়ছয়, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

খাদ্যগুদামকেন্দ্রিক কোনো সিন্ডিকেট গড়ে উঠলে কিংবা অনিয়মের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে এসব অনিয়মের নেপথ্যে থাকা মদদ দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে যুগান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলার সরকারি খাদ্য গুদাম পর্যায়ক্রমে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হবে। কোথাও মজুতের হিসাবে গরমিল, খাদ্যশস্য আত্মসাৎ, সংরক্ষণে অনিয়ম কিংবা অন্য কোনো দুর্নীতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্য নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দায়িত্বে অবহেলা কিংবা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের খাদ্য নিয়ে কোনো ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। খাদ্যগুদামকে কেন্দ্র করে কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না। সরকারি গুদামে জনগণের খাদ্য নিরাপদ থাকবে, সঠিক হিসাব থাকবে এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মধ্যে থাকতে হবে।

তিনি জানান, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং টেকসই ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। বিমানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বর্তমানে দায়িত্বের চেয়ার বদলালেও কাজের গতি বদলাবে না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়কে শতভাগ জনবান্ধব ও সেবামুখী হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারে খাদ্য নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি থাকবে।

তিনি জানান, সাময়িক অভিযান নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষে দেশের খাদ্য পরীক্ষাগার ও ল্যাবরেটরিগুলোর আধুনিকায়ন করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

ঘিওরের ঘটনা

খাদ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে তার নিজ জেলা মানিকগঞ্জ থেকেই সরকারি খাদ্যগুদামে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামে মজুত যাচাই করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ চাল ও গমের ঘাটতির বিষয়টি সামনে আসার পর ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

তিনি বলেন, ঘিওরের ঘটনাকে আমরা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা হিসেবে দেখছি না। দেশের অন্যান্য খাদ্যগুদামেও একই ধরনের অনিয়ম আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, ঘিওরের ঘটনায় আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, সরকারি খাদ্যগুদামে নয়ছয় করার দিন শেষ। দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা যদি অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু যারা সরাসরি অনিয়ম করেছেন, তারা নন; এর পেছনে যারা মদদ দিয়েছেন বা সহযোগিতা করেছেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, খাদ্যগুদামে মজুত খাদ্যশস্যের হিসাব কাগজে-কলমে এক রকম আর বাস্তবে আরেক রকম—এমন চিত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি খাদ্যশস্য জনগণের সম্পদ। এই সম্পদের এক কেজিও অপচয়, আত্মসাৎ বা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রী বলেন, কোনো গুদামে অসঙ্গতি ধরা পড়লে সেটিকে ছোটখাটো ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামের মতো কোনো ঘটনা দেশের অন্য কোথাও পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম যারই হোক, পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা করা হবে না।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তা বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু খাদ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, সংগৃহীত খাদ্যশস্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণ নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব।

খাদ্যমন্ত্রীর ভাষায়, খাদ্য নিরাপত্তা শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য মজুতের বিষয় নয়। সেই খাদ্য সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে কিনা, হিসাব ঠিক আছে কিনা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। এ জায়গায় কোনো দুর্নীতি বা সিন্ডিকেট থাকলে তা ভেঙে দেওয়া হবে।

খাদ্যগুদামগুলোকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনার কথা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি খাদ্যগুদামের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্যশস্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে ভবিষ্যতে নজরদারি জোরদার করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের খাদ্যগুদাম জনগণের জন্য, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়। জনগণের খাদ্য নিয়ে দুর্নীতি করলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, আগামী ২ দিন ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

খাদ্যগুদামে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা, সিন্ডিকেটও ছাড় পাবে না: খাদ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:০০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে মজুত খাদ্যশস্য নিয়ে কোনো ধরনের নয়ছয়, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

খাদ্যগুদামকেন্দ্রিক কোনো সিন্ডিকেট গড়ে উঠলে কিংবা অনিয়মের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে এসব অনিয়মের নেপথ্যে থাকা মদদ দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে যুগান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলার সরকারি খাদ্য গুদাম পর্যায়ক্রমে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হবে। কোথাও মজুতের হিসাবে গরমিল, খাদ্যশস্য আত্মসাৎ, সংরক্ষণে অনিয়ম কিংবা অন্য কোনো দুর্নীতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্য নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দায়িত্বে অবহেলা কিংবা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের খাদ্য নিয়ে কোনো ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। খাদ্যগুদামকে কেন্দ্র করে কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না। সরকারি গুদামে জনগণের খাদ্য নিরাপদ থাকবে, সঠিক হিসাব থাকবে এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মধ্যে থাকতে হবে।

তিনি জানান, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং টেকসই ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। বিমানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বর্তমানে দায়িত্বের চেয়ার বদলালেও কাজের গতি বদলাবে না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়কে শতভাগ জনবান্ধব ও সেবামুখী হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারে খাদ্য নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি থাকবে।

তিনি জানান, সাময়িক অভিযান নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষে দেশের খাদ্য পরীক্ষাগার ও ল্যাবরেটরিগুলোর আধুনিকায়ন করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

ঘিওরের ঘটনা

খাদ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে তার নিজ জেলা মানিকগঞ্জ থেকেই সরকারি খাদ্যগুদামে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামে মজুত যাচাই করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ চাল ও গমের ঘাটতির বিষয়টি সামনে আসার পর ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

তিনি বলেন, ঘিওরের ঘটনাকে আমরা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা হিসেবে দেখছি না। দেশের অন্যান্য খাদ্যগুদামেও একই ধরনের অনিয়ম আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, ঘিওরের ঘটনায় আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, সরকারি খাদ্যগুদামে নয়ছয় করার দিন শেষ। দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা যদি অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু যারা সরাসরি অনিয়ম করেছেন, তারা নন; এর পেছনে যারা মদদ দিয়েছেন বা সহযোগিতা করেছেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, খাদ্যগুদামে মজুত খাদ্যশস্যের হিসাব কাগজে-কলমে এক রকম আর বাস্তবে আরেক রকম—এমন চিত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি খাদ্যশস্য জনগণের সম্পদ। এই সম্পদের এক কেজিও অপচয়, আত্মসাৎ বা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রী বলেন, কোনো গুদামে অসঙ্গতি ধরা পড়লে সেটিকে ছোটখাটো ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামের মতো কোনো ঘটনা দেশের অন্য কোথাও পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম যারই হোক, পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা করা হবে না।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তা বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু খাদ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, সংগৃহীত খাদ্যশস্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণ নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব।

খাদ্যমন্ত্রীর ভাষায়, খাদ্য নিরাপত্তা শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য মজুতের বিষয় নয়। সেই খাদ্য সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে কিনা, হিসাব ঠিক আছে কিনা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। এ জায়গায় কোনো দুর্নীতি বা সিন্ডিকেট থাকলে তা ভেঙে দেওয়া হবে।

খাদ্যগুদামগুলোকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনার কথা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি খাদ্যগুদামের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্যশস্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে ভবিষ্যতে নজরদারি জোরদার করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের খাদ্যগুদাম জনগণের জন্য, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়। জনগণের খাদ্য নিয়ে দুর্নীতি করলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।