বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া দ্বিতীয় দল হিসেবে নাম লেখাল তুরস্ক। শুক্রবার সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘ডি’-এর উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ১০ জনের প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় তারা।
২০০২ বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে এসে দলটি মোটেও ছাপ ফেলতে পারেনি। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ২-০ গোলে। এরপর এবার প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলের হার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেয় তুরস্কের।
ম্যাচের ৬৫ মিনিটে মাতিয়াস গালার্জার গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। এরপর ৪৫ মিনিটে মিগেল আলমিরন বিবাদের সময় মুখ ঢেকে কথা বলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এরপর থেকে প্যারাগুয়ে রক্ষণাত্মক ফুটবলই খেলেছে। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের এই রক্ষণ আর ভাঙতে পারেনি তুরস্ক।
তবে সেরা চেষ্টাটাই করেছে দলটি। তারা গোলের লক্ষ্যে ৩২টি শট নেয়, বক্সের ভেতরে বল ছোঁয় ৫১ বার, কর্নার আদায় করে ১২টি, আর বলের দখল রাখে প্রায় ৮০ শতাংশ। তারপরও নিজেদের এই আধিপত্যকে কাজে লাগাতে পারেনি দলটি।
ফলে অঙ্কের হিসাবে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে যায় তুরস্ক। অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে দুই দলের কাছেই হারার কারণে হেড-টু-হেড নিয়মের কারণে শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যেকোনো ফলাফল হলেও এই দুই দলের কাউকে টপকাতে পারবে না তারা।
প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ গোলে হেরেছিল প্যারাগুয়ে। সেই হার পেছনে ফেলে এখন দ্বিতীয় রাউন্ডের স্বপ্ন দেখছে দলটি। তিন পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সমান পয়েন্টে চলে এলো দলটি, নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াইয়েও টিকে রইল তারা। প্যারাগুয়ের এই জয়ের সুবাদে গ্রুপ ‘ডি’-এর শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের।
এখন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে প্যারাগুয়ে। সেই ম্যাচ জিতলে রাউন্ড অব থার্টি টু-তে যাওয়ার সুযোগ এখনো আছে তাদের সামনে। বর্ধিত ফরম্যাটের কারণে এবার পুরো টুর্নামেন্ট থেকে সেরা আটটি তৃতীয় স্থান পাওয়া দলও নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
স্পোর্টস ডেস্ক 





























