ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বক্স অফিসে ‘টক্সিক’-এর তাণ্ডব, প্রথম দিনেই আয় ১১৭ কোটি

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • 14

ভারতের বক্স অফিসে দুর্দান্ত সূচনা করেছে দক্ষিণী তারকা যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক’। মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি প্রায় ১১৭ কোটি রুপি আয় করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বক্স অফিস বিশ্লেষণভিত্তিক প্রতিবেদন।

ভারতে মুক্তির প্রথম দিনে ১০০ কোটি রুপির বেশি আয় করা সিনেমার তালিকায় ‘টক্সিক’ এখন মাত্র ষষ্ঠ সিনেমা। তবে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর প্রিভিউ শোর আয়ও হিসাবের মধ্যে ধরলে এটি সপ্তম সিনেমা হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ভারত—দুই অঞ্চলেই শক্তিশালী সূচনা করেছে ‘টক্সিক’। সাধারণত বড় ওপেনিংয়ের ক্ষেত্রে তেলেগু রাজ্যগুলোর অবদান উল্লেখযোগ্য থাকে। বিভিন্ন বেনিফিট শো ও টিকিটের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সেখানে প্রথম দিনে বড় অঙ্কের আয় করা সম্ভব হয়। কিন্তু ‘টক্সিক’-এর ক্ষেত্রে তেলেগু রাজ্যগুলোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ছাড়াই দেশজুড়ে এমন সাফল্য এসেছে।

সিনেমাটির সবচেয়ে বড় চমক এসেছে যশের নিজ রাজ্য কর্ণাটকে। সেখানে প্রথম দিনে প্রায় ২৮ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেছে ‘টক্সিক’। এর মাধ্যমে কর্ণাটকে প্রথম দিনের আয়ের রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি। এর আগে যশ অভিনীত ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’ প্রথম দিনে ২৪ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করে রেকর্ডটি ধরে রেখেছিল।

দক্ষিণ ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও ভালো ব্যবসা করেছে সিনেমাটি। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় প্রথম দিনে প্রায় ১৮ কোটি রুপি আয় করেছে ‘টক্সিক’। তামিলনাড়ু ও কেরালাতেও সিনেমাটির আয় ছিল সন্তোষজনক। বিশেষ করে স্থানীয় সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতার মধ্যেও কেরালায় ভালো সাড়া পেয়েছে এটি।

তবে সিনেমাটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স এসেছে হিন্দি সংস্করণে। প্রথম দিনেই হিন্দি ভার্সন থেকে প্রায় ৫৩ কোটি রুপি আয় করেছে ‘টক্সিক’। দক্ষিণ ভারতে হিন্দি সংস্করণের সীমিত অবদান বিবেচনায় নিলে প্রকৃত আয় প্রায় ৬০ কোটি রুপির কাছাকাছি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে সিনেমাটির বক্স অফিস আয়ে কিছু অসামঞ্জস্যের কথাও উঠে এসেছে। এসব পরিসংখ্যান সিনেমাটির সংগ্রহে বাইরের কোনো ধরনের প্রভাব থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারপরও এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েও প্রথম দিনের আয়কে অসাধারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই দুর্দান্ত সূচনার মধ্য দিয়ে ভারতের শীর্ষ তারকাদের কাতারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন যশ। তবে সামনে সিনেমাটির জন্য বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

মুক্তির পর দর্শকদের কাছ থেকে সিনেমাটি নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির আগাম টিকিট বিক্রিতেও। আগের দিন অগ্রিম বুকিং বেশ দুর্বল ছিল, যদিও পরে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

ফলে দ্বিতীয় দিনে সিনেমাটির আয় কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর সপ্তাহান্তে কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। কারণ ‘টক্সিক’ অত্যন্ত ব্যয়বহুল নির্মাণ। সিনেমাটির পরিবেশকদের বড় অংশের সঙ্গে অগ্রিম অর্থের ভিত্তিতে চুক্তি হয়েছে এবং বক্স অফিস আয়ের সঙ্গে এর নন-থিয়েট্রিক্যাল স্বত্বের চুক্তিও যুক্ত। ফলে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটির ব্যবসায় বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে প্রযোজকদের ওপরই।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

নামাজের সময়সূচি: ২৮ আগস্ট ২০২৬

বক্স অফিসে ‘টক্সিক’-এর তাণ্ডব, প্রথম দিনেই আয় ১১৭ কোটি

আপডেট সময় ১০:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

ভারতের বক্স অফিসে দুর্দান্ত সূচনা করেছে দক্ষিণী তারকা যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক’। মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি প্রায় ১১৭ কোটি রুপি আয় করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বক্স অফিস বিশ্লেষণভিত্তিক প্রতিবেদন।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

ভারতে মুক্তির প্রথম দিনে ১০০ কোটি রুপির বেশি আয় করা সিনেমার তালিকায় ‘টক্সিক’ এখন মাত্র ষষ্ঠ সিনেমা। তবে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর প্রিভিউ শোর আয়ও হিসাবের মধ্যে ধরলে এটি সপ্তম সিনেমা হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ভারত—দুই অঞ্চলেই শক্তিশালী সূচনা করেছে ‘টক্সিক’। সাধারণত বড় ওপেনিংয়ের ক্ষেত্রে তেলেগু রাজ্যগুলোর অবদান উল্লেখযোগ্য থাকে। বিভিন্ন বেনিফিট শো ও টিকিটের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সেখানে প্রথম দিনে বড় অঙ্কের আয় করা সম্ভব হয়। কিন্তু ‘টক্সিক’-এর ক্ষেত্রে তেলেগু রাজ্যগুলোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ছাড়াই দেশজুড়ে এমন সাফল্য এসেছে।

সিনেমাটির সবচেয়ে বড় চমক এসেছে যশের নিজ রাজ্য কর্ণাটকে। সেখানে প্রথম দিনে প্রায় ২৮ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেছে ‘টক্সিক’। এর মাধ্যমে কর্ণাটকে প্রথম দিনের আয়ের রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি। এর আগে যশ অভিনীত ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’ প্রথম দিনে ২৪ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করে রেকর্ডটি ধরে রেখেছিল।

দক্ষিণ ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও ভালো ব্যবসা করেছে সিনেমাটি। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় প্রথম দিনে প্রায় ১৮ কোটি রুপি আয় করেছে ‘টক্সিক’। তামিলনাড়ু ও কেরালাতেও সিনেমাটির আয় ছিল সন্তোষজনক। বিশেষ করে স্থানীয় সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতার মধ্যেও কেরালায় ভালো সাড়া পেয়েছে এটি।

তবে সিনেমাটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স এসেছে হিন্দি সংস্করণে। প্রথম দিনেই হিন্দি ভার্সন থেকে প্রায় ৫৩ কোটি রুপি আয় করেছে ‘টক্সিক’। দক্ষিণ ভারতে হিন্দি সংস্করণের সীমিত অবদান বিবেচনায় নিলে প্রকৃত আয় প্রায় ৬০ কোটি রুপির কাছাকাছি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে সিনেমাটির বক্স অফিস আয়ে কিছু অসামঞ্জস্যের কথাও উঠে এসেছে। এসব পরিসংখ্যান সিনেমাটির সংগ্রহে বাইরের কোনো ধরনের প্রভাব থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারপরও এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েও প্রথম দিনের আয়কে অসাধারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই দুর্দান্ত সূচনার মধ্য দিয়ে ভারতের শীর্ষ তারকাদের কাতারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন যশ। তবে সামনে সিনেমাটির জন্য বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

মুক্তির পর দর্শকদের কাছ থেকে সিনেমাটি নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির আগাম টিকিট বিক্রিতেও। আগের দিন অগ্রিম বুকিং বেশ দুর্বল ছিল, যদিও পরে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

ফলে দ্বিতীয় দিনে সিনেমাটির আয় কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর সপ্তাহান্তে কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। কারণ ‘টক্সিক’ অত্যন্ত ব্যয়বহুল নির্মাণ। সিনেমাটির পরিবেশকদের বড় অংশের সঙ্গে অগ্রিম অর্থের ভিত্তিতে চুক্তি হয়েছে এবং বক্স অফিস আয়ের সঙ্গে এর নন-থিয়েট্রিক্যাল স্বত্বের চুক্তিও যুক্ত। ফলে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটির ব্যবসায় বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে প্রযোজকদের ওপরই।