সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল বলেছেন অবিলম্বে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবিলম্বে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান সম্প্রতি চিন সফর শেষে সংসদে এসে ঘোষনা দিয়েছেন ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে এর কাজ শুরু হবে। সে মোতাবেক বলতে চাই এই সরকারের আমলে কাজ শেষ হবে বলে আমরা আশাবাদী এটি সবাইকে নিশ্চিত করেন।
তিনি বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাট আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সাম্প্রতিক বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অতিদরিদ্র,অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ হিসেবে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

বিগতদিনে আমি আপনাদের সাথে নিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তাবায়নের দাবীতে তিস্তার বুকে রাত জেগে আন্দোলন করেছিলাম। যেখানে লালমনিরহাট জেলাসহ পাঁচটি জেলার তিস্তা নদীর চর এলাকায় যেখানে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন “জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই, তিস্তার ন্যায্য হিস্যা চাই”—এই স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ছিল তিস্তা নদীর তীর। তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর আহ্বানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এমপি বাবুল আরও বলেন,মহিষখোচা ইউনিয়ন একটি নদী বেষ্টিত এলাকা। প্রায় সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ,বন্যা,ভাঙ্গনসহ নানা সমস্যায় ভুগে থাকে। তাই যেকোন সমস্যা হলে আমি আপনাদের পাঁশে থাকার চেষ্টা করি।বিগতদিনে এমপি নিবাচিত হওয়ার আগমূহুর্তে আপনাদের পাঁশে থেকে নানা সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করেছি। এখন এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরও পাঁশে আছি। যেকোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন আমি চেষ্টা করব। ২০০১ সালে এই এলাকার বানভাসিদদের জন্য করালগ্রাসী তিস্তার ভাঙ্গন,বন্যারোধের জন্য দুটি স্পার বাঁধ নির্মাণ করে দিয়েছিল।যদি না দিত তাহলে আজকে যে জায়গায় বসে আমার কথা শুনছেন সেটিও হয়তো বা তিস্তার ভাঙ্গন কবলে চলে যেত। বিগতদিনে অনেক সরকার ক্ষমতায় এসেছিল এই মহিষখোচা ইউনিয়নে তিস্তার বানভাসি মানুষের জন্য কোন চিন্তা করে নি। একমাত্র বিএনপি সরকার আপনাদের পাঁশে থেকে বিভিন্ন উন্নয়নসহ সাহায্য সহযোগিতা করেছিল এবং ভবিষৎতেই যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ,বন্যাসহ বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলায় কাজ করবে।
মহিষখোচা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার গুঞ্জন বিশ্বাস, আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুস সাকিব সজীব,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক,মহিষখোচা প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ পলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল ইসলাম প্রমূ্খ।
৯ শত পরিবারের মাঝে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল এবং সংসদ সদস্য ব্যক্তিগত তহবিল হতে শুকনা খাবার হিসেবে চিড়া,গুড়,খাবার স্যালাইন ও পানির বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়।
রেজাউল করিম রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি ;- 





















