কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বকবান্দা ও ঝাউবাড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে স্থানীয় জনগণকে সাথে নিয়ে সীমান্তে শক্ত অবস্থান নেয় বিজিবি। বিজিবি ও গ্রামবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অবশেষে পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ।
বিজিবি ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শনিবার (৬জুন) রাতে বিএসএফ বকবান্দা ও ঝাউবাড়ি সীমান্তে কয়েকজনকে পুশইনের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবি স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের প্রতিহত করে। বিজিবি ও গ্রামবাসীর শক্ত অবস্থানের কারনে বিএসএফ পিছু হটে। এরপর বিজিবি পুশইন ঠেকাতে এবং গ্রামবাসীদের সচেতন করতে সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে।
সারাদিন সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি থমথমে ছিলো।রবিবার (৭ জুন) সন্ধার পর আবারো বিএসএফ ওই দুই সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে পড়ে ব্যর্থ হয়। তবে যেকোনো সময় সুযোগ পেলেই বিএসএফ পুশইন করতে পারে বলে ধারণা করছে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা।
বকবান্দা গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘গতোকাল বিএসএফ কয়েক জনকে পুশইন করার জন্য সীমান্তে নিয়ে এসেছিলো। বিজিবি ও স্থানীয় জনগণ সতর্ক ছিলো জন্য পুশইন করতে পারেনি। আজ আবারো তারা চেষ্টা করেছে। আসলে সীমান্তে তারা একটা ঝামেলা সৃষ্টির পায়তারা করছে।‘
মশিউর রহমান নামের আরেকজন বলেন, ‘২০০১ সালে রৌমারীর বড়াইবাড়ী সীমান্তে বিডিআরের কাছে বিএসএফের শোচনীয় পরাজয়ের পর এই এলাকায় তারা বারবার উত্তেজনা তৈরি করে আসছে। গতো বছরও ১৪ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিফল হয়েছে। এখন আবারো শুরু করেছে। আমারা সীমান্তবাসী জীবন দেবো তবুও একটা মানুষকে পুশইন করতে দেবোনা।‘
বিজিবির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, বিএসএফ গতোকাল বকবান্দা ও ঝাউবাড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে পুশইনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। আজ আবারাও তারা চেষ্টা করছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও গ্রামবাসী পাহারা দিচ্ছে যাতে কাউকে অনুপ্রবেশ করাতে না পারে। তবে সীমান্ত এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারনে আমরা দ্রুত সময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারছিনা।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি,রিপন আহমেদ রনি : 

























