ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপের ৩ হাজারতম গোলে আর্জেন্টিনার জয়

পাহাড়সম প্রত্যাশা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার গ্যালারিতে বসেছিলেন হাজার হাজার আর্জেন্টাইন সমর্থক। শুধু স্টেডিয়ামেই নয়, পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীও টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখে অপেক্ষা করছিলেন। যেন একসঙ্গে থমকে ছিল সময়, অপেক্ষা ছিল একটি অলৌকিক মুহূর্তের।

বাংলাদেশ সময় ঠিক রাত ১০টায় শুরু হয় মিশর ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের রুদ্ধশ্বাস লড়াই। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত স্কোরলাইন ছিল ২-০, পিছিয়ে ছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। সমর্থকদের মনে হয়তো ভর করেছিল হতাশা। মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পথচলা বুঝি এখানেই শেষ। ঠিক ব্রাজিলের মতো।

কিন্তু ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত শেষ হয় না, সেটিই আবারও প্রমাণ করলো আর্জেন্টিনা। শেষ ১৩ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন ঘটালো মেসির দল। পরপর তিনটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিলো আলবিসেলেস্তেরা। অসম্ভবকে সম্ভব করে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করলো তারা। এমন নাটকীয় প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিশ্বকাপে মহাকাব্য রচনার কথা উঠলে প্রথমেই মনে পড়ে দিয়েগো ম্যারাডোনার নাম। সেই উত্তরাধিকার যেন নতুন করে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার যে মানসিকতা; সব মিলিয়ে তিনি যেন আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলা হয়।

ফুটবল ৯০ মিনিটের খেলা-প্রতিটি সেকেন্ডের মূল্য অনেক খেলার মাঠে। সেটাই প্রমাণ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল না ছেড়ে লড়ে যাওয়ার পুরস্কার হিসেবে তারা ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এক জয় ছিনিয়ে নিলো।

মেসির অসংখ্য ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু জয়ের পর তাকে এভাবে কাঁদতে দেখিনি। শেষ বাঁশি বাজতেই আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি এই মহাতারকা। অঝোরে কেঁদেছেন মাঠেই। সেই কান্নায় ছিল স্বস্তি, ছিল লড়াইয়ের তৃপ্তি, ছিল স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার আনন্দ। মেসিকে ভালোবাসেন যারা, তারা ঠিক বুঝেছেন-এ কান্নার অর্থ কী!
আবেগাপ্লুত ছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও। ম্যাচ শেষে আবেগমাখা কণ্ঠে তিনি দলের মানসিক শক্তি ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারেও তিনি বলেছিলেন, শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত স্থির থেকে নিজেদের খেলাটা খেলাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

রাতের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ১৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে বিশ্বকাপের ৩ হাজারতম গোলে আর্জেন্টিনার জয়

আপডেট সময় ১২:২৬:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

পাহাড়সম প্রত্যাশা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার গ্যালারিতে বসেছিলেন হাজার হাজার আর্জেন্টাইন সমর্থক। শুধু স্টেডিয়ামেই নয়, পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীও টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখে অপেক্ষা করছিলেন। যেন একসঙ্গে থমকে ছিল সময়, অপেক্ষা ছিল একটি অলৌকিক মুহূর্তের।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বাংলাদেশ সময় ঠিক রাত ১০টায় শুরু হয় মিশর ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের রুদ্ধশ্বাস লড়াই। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত স্কোরলাইন ছিল ২-০, পিছিয়ে ছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। সমর্থকদের মনে হয়তো ভর করেছিল হতাশা। মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পথচলা বুঝি এখানেই শেষ। ঠিক ব্রাজিলের মতো।

কিন্তু ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত শেষ হয় না, সেটিই আবারও প্রমাণ করলো আর্জেন্টিনা। শেষ ১৩ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন ঘটালো মেসির দল। পরপর তিনটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিলো আলবিসেলেস্তেরা। অসম্ভবকে সম্ভব করে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করলো তারা। এমন নাটকীয় প্রত্যাবর্তন বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিশ্বকাপে মহাকাব্য রচনার কথা উঠলে প্রথমেই মনে পড়ে দিয়েগো ম্যারাডোনার নাম। সেই উত্তরাধিকার যেন নতুন করে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার যে মানসিকতা; সব মিলিয়ে তিনি যেন আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলা হয়।

ফুটবল ৯০ মিনিটের খেলা-প্রতিটি সেকেন্ডের মূল্য অনেক খেলার মাঠে। সেটাই প্রমাণ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল না ছেড়ে লড়ে যাওয়ার পুরস্কার হিসেবে তারা ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এক জয় ছিনিয়ে নিলো।

মেসির অসংখ্য ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু জয়ের পর তাকে এভাবে কাঁদতে দেখিনি। শেষ বাঁশি বাজতেই আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি এই মহাতারকা। অঝোরে কেঁদেছেন মাঠেই। সেই কান্নায় ছিল স্বস্তি, ছিল লড়াইয়ের তৃপ্তি, ছিল স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার আনন্দ। মেসিকে ভালোবাসেন যারা, তারা ঠিক বুঝেছেন-এ কান্নার অর্থ কী!
আবেগাপ্লুত ছিলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও। ম্যাচ শেষে আবেগমাখা কণ্ঠে তিনি দলের মানসিক শক্তি ও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারেও তিনি বলেছিলেন, শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত স্থির থেকে নিজেদের খেলাটা খেলাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।