ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

সারজিসকে বহিষ্কার, হাসনাতকে শোকজ করেছিলেন নাহিদ: রাশেদ খান

আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তাঁর দাবি, তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তাঁদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন রাশেদ খান। পোস্টে তিনি ‘নেত্র নিউজ’-এর একটি প্রতিবেদনও শেয়ার করেন।

পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। ওই দিন আন্দোলনে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে উত্থাপিত ৯ দফা দাবিকে বাধাগ্রস্ত করতে ৮ দফা কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খান। তাঁর ভাষ্য, ওই সময় আন্দোলনের দাবির পক্ষে অবস্থান না নিয়ে সারজিস ও হাসনাতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

রাশেদ খানের আরও দাবি, সেদিন হাসনাত আব্দুল্লাহ ফোন করে হাসিব আল ইসলামকে মেস থেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যান। অন্যদেরও ওই বৈঠকে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তবে তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন সেই বৈঠকে অংশ নেননি।রাজনৈতিক ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের দাবির বিরোধিতা করার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই সময় যাঁরা আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তাঁদের ভূমিকা ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়িত হওয়া প্রয়োজন।
রাশেদ খান তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ করার তথ্য ‘নেত্র নিউজ’-এর প্রতিবেদনেও রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
তবে রাশেদ খানের এসব অভিযোগের বিষয়ে সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নাহিদ ইসলামের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাইও করা সম্ভব হয়নি।সংবাদ পড়ুন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

‘অসাম্প্রদায়িক রবীন্দ্রনাথকে মুছে ফেলা যাবে না’ শিরোনামে জাতীয় কবিতা পরিষদের কবিতাপাঠ ও আলোচনা

সারজিসকে বহিষ্কার, হাসনাতকে শোকজ করেছিলেন নাহিদ: রাশেদ খান

আপডেট সময় ০৪:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তাঁর দাবি, তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তাঁদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন রাশেদ খান। পোস্টে তিনি ‘নেত্র নিউজ’-এর একটি প্রতিবেদনও শেয়ার করেন।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। ওই দিন আন্দোলনে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে উত্থাপিত ৯ দফা দাবিকে বাধাগ্রস্ত করতে ৮ দফা কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খান। তাঁর ভাষ্য, ওই সময় আন্দোলনের দাবির পক্ষে অবস্থান না নিয়ে সারজিস ও হাসনাতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

রাশেদ খানের আরও দাবি, সেদিন হাসনাত আব্দুল্লাহ ফোন করে হাসিব আল ইসলামকে মেস থেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যান। অন্যদেরও ওই বৈঠকে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তবে তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন সেই বৈঠকে অংশ নেননি।রাজনৈতিক ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের দাবির বিরোধিতা করার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই সময় যাঁরা আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তাঁদের ভূমিকা ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়িত হওয়া প্রয়োজন।
রাশেদ খান তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ করার তথ্য ‘নেত্র নিউজ’-এর প্রতিবেদনেও রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
তবে রাশেদ খানের এসব অভিযোগের বিষয়ে সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নাহিদ ইসলামের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাইও করা সম্ভব হয়নি।সংবাদ পড়ুন