ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

সাংবাদিকতা নাকি রাজনীতি? – আত্মসমালোচনার সময় এখনই

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় গত রোববার বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে ২–৩ জন সাংবাদিক লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার ঘটনা কোনো গুজব নয়, এটি এক নির্মম ও উদ্বেগজনক বাস্তবতা। সহিংস রাজনৈতিক সংঘাতে সাংবাদিক আহত হওয়া নতুন কিছু নয়, কিন্তু এই ঘটনায় যে বিষয়টি সাংবাদিক সমাজকে সবচেয়ে বেশি লজ্জিত ও বিচলিত করেছে, তা হলো—ঘটনার পেছনে কিছু সাংবাদিকের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকার অভিযোগ।

আলোচনায় এসেছে, সংঘর্ষের সময় কেউ বিএনপিকে, কেউ জামায়াতকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন। ফলাফল—দুই পক্ষই আজ সাংবাদিকদের ওপর ক্ষুব্ধ। এর পরিণতিতে পেশাগত পরিচয় বহন করেও সাংবাদিকরা হয়ে উঠেছেন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু। এই বাস্তবতা আমাদের সামনে একটি অস্বস্তিকর কিন্তু জরুরি প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে দিয়েছে—আমরা কি সত্যিই সাংবাদিক, নাকি রাজনৈতিক কর্মী?

সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জনস্বার্থ রক্ষা করা। কিন্তু যখন কোনো সাংবাদিক দলীয় আনুগত্যকে পেশাগত নীতির ঊর্ধ্বে স্থান দেন, তখন কলমের মর্যাদা লুপ্ত হয়, ভেঙে পড়ে বিশ্বাসযোগ্যতা। সাংবাদিকতা তখন আর সত্যের বাহক থাকে না, হয়ে ওঠে সংঘাতের অংশীদার।

হাতীবান্ধার ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে—রাজনীতি আর সাংবাদিকতা একসঙ্গে চলতে পারে না। যে সাংবাদিক নিজেকে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করেন, তিনি শুধু নিজের নিরাপত্তাই নয়, পুরো পেশার সম্মান ও বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেন। এ কারণেই আজ মাঠে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে না; বরং সন্দেহ, অবিশ্বাস এবং হামলার শিকার হতে হয়।

এই সহিংসতার আবহে এলাকায় এক ধরনের সামাজিক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে—যা সংক্রমণের মতো দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। ক্ষোভ, উত্তেজনা ও সহিংসতার এই পরিবেশে ঝুঁকিতে পড়ছেন শুধু রাজনৈতিক কর্মীরা নন, সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকরাও। তাই এখন সময় এসেছে আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে ভাবার; দল নয়, পেশাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার।

আজ আমাদের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আমরা সংবাদকর্মী, না রাজনৈতিক কর্মী? কলম যদি লাঠিতে রূপ নেয়, তবে সত্যের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে যায়। আত্মসমালোচনার এই সময়টিকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সাংবাদিকতা মানে কারও পক্ষে দাঁড়ানো নয়, সাংবাদিকতা মানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো।

দলীয় ব্যানারে নয়, পেশাগত নীতির ব্যানারেই দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের আবার মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় হাতীবান্ধার এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা হয়ে থাকবে না—এটি সাংবাদিকতার ভবিষ্যতের জন্য এক ভয়ংকর সতর্কবার্তা হিসেবেই ইতিহাসে লেখা থাকবে।

গতকাল রোববার লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে ২/৩ সাংবাদিক লাঠির আঘাতে ২/৩ সাংবাদিক হালকা আহত হয়েছেন—এটি কোনো গুজব নয়, নির্মম বাস্তবতা। বিশেষ করে আমাদেরই ২–৩ জন সহকর্মী এই সহিংসতার শিকার হয়েছেন, যা গোটা সাংবাদিক সমাজের জন্য লজ্জা ও উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু আরও বেদনাদায়ক সত্য হলো—এই ঘটনার পেছনে কিছু সাংবাদিকের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকার কথাও আলোচনায় এসেছে। কেউ বিএনপিকে লাঠিসোঁটা এগিয়ে দিয়েছেন, কেউ আবার জামায়াতকে সহায়তা করেছেন—ফলে দুই পক্ষই আজ সাংবাদিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
এখানেই বড় প্রশ্ন উঠে আসে—আমরা সাংবাদিক, নাকি রাজনৈতিক কর্মী? সাংবাদিকতার মূলনীতি হলো সত্য প্রকাশ, নিরপেক্ষতা রক্ষা এবং জনগণের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু যখন আমরা দলীয় লাঠি ধরার প্রতিযোগিতায় নামি, তখন কলমের মর্যাদা হারিয়ে যায়, বিশ্বাসযোগ্যতা ভেঙে পড়ে। তখন সাংবাদিকতা আর সাংবাদিক থাকে না, হয়ে ওঠে সংঘাতের অংশীদার।
আজ হাতীবান্ধার পরিস্থিতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে—রাজনীতি আর সাংবাদিকতা একসাথে চলতে পারে না। যে সাংবাদিক নিজেকে কোনো দলের কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন, তিনি শুধু নিজের নয়, পুরো পেশার সম্মানকে ঝুঁকির মুখে ফেলেন। এর ফলেই আজ মাঠে নামলেই সাংবাদিক পরিচয় দিলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে না, বরং সন্দেহ ও আক্রমণের শিকার হতে হয়।
এর পাশাপাশি আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো—এই সহিংস পরিবেশে এলাকায় ‘জলাতঙ্ক রোগের’ মতোই এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ক্ষোভ, উত্তেজনা আর সহিংসতার এই সংক্রমণ শুধু রাজনৈতিক কর্মীদের নয়, আমাদের মতো সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে। তাই এখন সময় এসেছে নিজেদের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করার, পাশাপাশি পেশাগত নীতিতে ফিরে যাওয়ার।
আমাদেরকে স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আমরা সংবাদকর্মী, না রাজনৈতিক কর্মী? কলম যদি লাঠিতে রূপ নেয়, তবে সত্যের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে যায়। তাই এখনই আত্মসমালোচনা দরকার। সাংবাদিকতা মানে কারও পক্ষে দাঁড়ানো নয়, বরং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো। দলীয় ব্যানারে নয়, পেশাগত নীতির ব্যানারে দাঁড়িয়েই আমাদের আবার মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
নইলে হাতীবান্ধার এই ঘটনা শুধু একটি দিনের দুর্ঘটনা হয়ে থাকবে না—এটি সাংবাদিকতার ভবিষ্যতের জন্য ভয়ংকর সতর্কবার্তা হয়ে উঠবে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহত: ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেফতার

সাংবাদিকতা নাকি রাজনীতি? – আত্মসমালোচনার সময় এখনই

আপডেট সময় ০৬:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় গত রোববার বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে ২–৩ জন সাংবাদিক লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার ঘটনা কোনো গুজব নয়, এটি এক নির্মম ও উদ্বেগজনক বাস্তবতা। সহিংস রাজনৈতিক সংঘাতে সাংবাদিক আহত হওয়া নতুন কিছু নয়, কিন্তু এই ঘটনায় যে বিষয়টি সাংবাদিক সমাজকে সবচেয়ে বেশি লজ্জিত ও বিচলিত করেছে, তা হলো—ঘটনার পেছনে কিছু সাংবাদিকের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকার অভিযোগ।

আলোচনায় এসেছে, সংঘর্ষের সময় কেউ বিএনপিকে, কেউ জামায়াতকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন। ফলাফল—দুই পক্ষই আজ সাংবাদিকদের ওপর ক্ষুব্ধ। এর পরিণতিতে পেশাগত পরিচয় বহন করেও সাংবাদিকরা হয়ে উঠেছেন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু। এই বাস্তবতা আমাদের সামনে একটি অস্বস্তিকর কিন্তু জরুরি প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে দিয়েছে—আমরা কি সত্যিই সাংবাদিক, নাকি রাজনৈতিক কর্মী?

সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জনস্বার্থ রক্ষা করা। কিন্তু যখন কোনো সাংবাদিক দলীয় আনুগত্যকে পেশাগত নীতির ঊর্ধ্বে স্থান দেন, তখন কলমের মর্যাদা লুপ্ত হয়, ভেঙে পড়ে বিশ্বাসযোগ্যতা। সাংবাদিকতা তখন আর সত্যের বাহক থাকে না, হয়ে ওঠে সংঘাতের অংশীদার।

হাতীবান্ধার ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে—রাজনীতি আর সাংবাদিকতা একসঙ্গে চলতে পারে না। যে সাংবাদিক নিজেকে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করেন, তিনি শুধু নিজের নিরাপত্তাই নয়, পুরো পেশার সম্মান ও বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেন। এ কারণেই আজ মাঠে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে না; বরং সন্দেহ, অবিশ্বাস এবং হামলার শিকার হতে হয়।

এই সহিংসতার আবহে এলাকায় এক ধরনের সামাজিক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে—যা সংক্রমণের মতো দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। ক্ষোভ, উত্তেজনা ও সহিংসতার এই পরিবেশে ঝুঁকিতে পড়ছেন শুধু রাজনৈতিক কর্মীরা নন, সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকরাও। তাই এখন সময় এসেছে আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে ভাবার; দল নয়, পেশাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার।

আজ আমাদের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আমরা সংবাদকর্মী, না রাজনৈতিক কর্মী? কলম যদি লাঠিতে রূপ নেয়, তবে সত্যের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে যায়। আত্মসমালোচনার এই সময়টিকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সাংবাদিকতা মানে কারও পক্ষে দাঁড়ানো নয়, সাংবাদিকতা মানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো।

দলীয় ব্যানারে নয়, পেশাগত নীতির ব্যানারেই দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের আবার মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় হাতীবান্ধার এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা হয়ে থাকবে না—এটি সাংবাদিকতার ভবিষ্যতের জন্য এক ভয়ংকর সতর্কবার্তা হিসেবেই ইতিহাসে লেখা থাকবে।

গতকাল রোববার লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে ২/৩ সাংবাদিক লাঠির আঘাতে ২/৩ সাংবাদিক হালকা আহত হয়েছেন—এটি কোনো গুজব নয়, নির্মম বাস্তবতা। বিশেষ করে আমাদেরই ২–৩ জন সহকর্মী এই সহিংসতার শিকার হয়েছেন, যা গোটা সাংবাদিক সমাজের জন্য লজ্জা ও উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু আরও বেদনাদায়ক সত্য হলো—এই ঘটনার পেছনে কিছু সাংবাদিকের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকার কথাও আলোচনায় এসেছে। কেউ বিএনপিকে লাঠিসোঁটা এগিয়ে দিয়েছেন, কেউ আবার জামায়াতকে সহায়তা করেছেন—ফলে দুই পক্ষই আজ সাংবাদিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
এখানেই বড় প্রশ্ন উঠে আসে—আমরা সাংবাদিক, নাকি রাজনৈতিক কর্মী? সাংবাদিকতার মূলনীতি হলো সত্য প্রকাশ, নিরপেক্ষতা রক্ষা এবং জনগণের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু যখন আমরা দলীয় লাঠি ধরার প্রতিযোগিতায় নামি, তখন কলমের মর্যাদা হারিয়ে যায়, বিশ্বাসযোগ্যতা ভেঙে পড়ে। তখন সাংবাদিকতা আর সাংবাদিক থাকে না, হয়ে ওঠে সংঘাতের অংশীদার।
আজ হাতীবান্ধার পরিস্থিতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে—রাজনীতি আর সাংবাদিকতা একসাথে চলতে পারে না। যে সাংবাদিক নিজেকে কোনো দলের কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন, তিনি শুধু নিজের নয়, পুরো পেশার সম্মানকে ঝুঁকির মুখে ফেলেন। এর ফলেই আজ মাঠে নামলেই সাংবাদিক পরিচয় দিলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে না, বরং সন্দেহ ও আক্রমণের শিকার হতে হয়।
এর পাশাপাশি আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো—এই সহিংস পরিবেশে এলাকায় ‘জলাতঙ্ক রোগের’ মতোই এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ক্ষোভ, উত্তেজনা আর সহিংসতার এই সংক্রমণ শুধু রাজনৈতিক কর্মীদের নয়, আমাদের মতো সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে। তাই এখন সময় এসেছে নিজেদের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করার, পাশাপাশি পেশাগত নীতিতে ফিরে যাওয়ার।
আমাদেরকে স্পষ্টভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আমরা সংবাদকর্মী, না রাজনৈতিক কর্মী? কলম যদি লাঠিতে রূপ নেয়, তবে সত্যের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে যায়। তাই এখনই আত্মসমালোচনা দরকার। সাংবাদিকতা মানে কারও পক্ষে দাঁড়ানো নয়, বরং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো। দলীয় ব্যানারে নয়, পেশাগত নীতির ব্যানারে দাঁড়িয়েই আমাদের আবার মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
নইলে হাতীবান্ধার এই ঘটনা শুধু একটি দিনের দুর্ঘটনা হয়ে থাকবে না—এটি সাংবাদিকতার ভবিষ্যতের জন্য ভয়ংকর সতর্কবার্তা হয়ে উঠবে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন