খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের লাখোহাটি বাজারে ওএমএস এর চাউল গোপনে বিক্রি হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার সুজন দাশগুপ্ত নির্দেশনায় অভিযান চালিয়ে ১০ বস্তা চাউল এরশাদের দোকান থেকে জব্দ করেছে পুলিশ। এসময় চাউল বিক্রির সাথে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত চাউল পুলিশ হেফাজতে থানায় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের লাখোহাটি বাজারে গোপনে ও এম এস এর চাউল বিক্রি হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার সুজন দাশগুপ্ত, খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে (১৭ মে ) রবিবার অভিযান পরিচালনা করে এরশাদের দোকান থেকে ১০ বস্তা চাউল জব্দ করেছে। প্রথমে ডিলার মহাসিনকে সন্দেহ করা হলেও উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তার খাতা পত্র দেখে চাউলের গড়মিল না পেয়ে তাকে সন্দেহ তালিকা থেকে প্রাথমিক ভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে বলে জানান। তবে দোকানদার এরশাদকে পাওয়া গেলে চাউলের প্রকৃত মালিক খুজে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি সরকারি চাউল পাচারের সাথে জড়িত ডিলার বা দোকানি কেউ যেন রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে পার পেয়ে না যায় প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ মেজিস্ট্রেট সুজন দাশগুপ্ত বলেন, সরকারি বরাদ্দের ওএমএস এর চাউল উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ না করে খোলা বাজারে বিক্রি করা দন্ডনিয় অপরাধ । উদ্ধার হওয়া ১০ বস্তা চাউল পুলিশ হেফাজতে থানায় রয়েছে।
তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দোকানদার এরশাদ পালাতক ছিল বলে জানা যায়।
মোঃ রানা মোল্লা খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- 

































