কুড়িগ্রাম – লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আদিতমারী উপজেলার হাজিগঞ্জ উপকেন্দ্রের আওতায় উপজেলার কমলাবাড়ী, ভেলাবাড়ি,দুর্গাপুর,কালিগঞ্জ উপজেলার আংশিক গোড়ল- চলবলা এলাকার ২২ হাজার গ্রাহকের লক্ষাধিক মানুষের বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে মধ্যে আছেন। ৫ টি ইউনিয়নের গত টানা চারদিন থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় লক্ষাধিক মানুষের সিমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত রাতে হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বজ্রপাতে ৩৩/১১ পাওয়ার ট্রান্সফারমার নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে এই উপকেন্দ্রের আওতায় সব লাইন বন্ধ হয়ে সমস্ত এলাকা অন্ধকারে আছন্ন হয়ে যায়। কল-কারখানা,শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় ফলে ব্যবসায়ীদের চরম বিপর্যয় দেখা যায়। বিশেষ করে এই এলাকার লোকজন বেশিরভাগ গরীব তাই তাদের পরিবারের রোজগারের জন্য একমাত্র পেশা অটোবাই,রিক্সার একমাত্র যাতায়তের মাধ্যম যেখানে হাজার,হাজার ব্যকার লোকেররা তাদের কর্মসংস্থানের জন্য এসব পরিবহন করে থাকে। যেটা একমাত্র বিদ্যুৎতের সাহায্য চলে,সেখানে টানা ৪ দিন থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় তারা ব্যকার হয়ে মানবেতর অবস্থায় দিনযাপন করছে। বিশেষ করে এই মৌসুমে আবহাওয়া খুবই গরম। তাই গরমের জন্য মানুষ অতিষ্ট হয়ে গেছে,তারা গরমে ঘুমাতে পারতেছেন না,রাত জেগে থাকতে হচ্ছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা খুবই খারাপ। আবার অন্যদিকে এইচএসসি পরিক্ষা,বিভিন্ন স্কুল কলেজের পরিক্ষা বিদ্যুৎ না থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া চরম ব্যহৃত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় বাড়ী-ঘর,হাট-বাজার অন্ধকারছন্ন দেখাগেছে।
আবার পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ানরা মানুষের ভোগান্তি দুর করতে টানা চারদিন থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ আদিতমারী অফিসের ডিজিএম আবুল ফাত্তাহ সাংবাদিককে জানান, হাজীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নতুন পাওয়ার ট্রান্সফরমার প্রস্তুতের কাজ শেষ পর্যায়ে। জনগনের ভেগান্তি দুর করতে হাজিগঞ্জ উপকেন্দ্রের বিদ্যুৎতের ৫টি লাইন আজ বৃহস্পতিবার রাতে মধ্যে চালু হবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি আরও জানান,বৈরী আবহাওয়ার কারনে কাজ দু-ঘন্টা পিছিয়ে গিয়েছে না হলে দুপুরের মধ্যে লাইন চালু করা যেত।
রেজাউল করিম রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি ;- 



























