ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

বেতন ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ২৮ জনকে একযোগে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশের বাবুর্চি থেকে এসআই পর্যন্ত রয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ২৮ জনের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তালিকায় খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানা, ট্রাফিক বিভাগ এবং গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত সদস্যদের নাম রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। তবে দায়িত্ব পালনের সময় কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করলে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে মামলা গ্রহণ, তদন্ত, অপরাধ দমন কিংবা অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থের বিনিময়ে পক্ষপাতের অভিযোগ জনসাধারণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর অন্যতম লক্ষ্য তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা। এরপরও কেউ অনৈতিক উপায়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে শুধু প্রত্যাহার বা বদলি নয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রাখতে অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলছেন তারা।

এ বিষয়ে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রথমে পুলিশ বাহিনীর ভেতরেই শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের প্রবণতা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের প্রতি জনআস্থা তৈরির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইজিপিরও নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

আপডেট সময় ০৭:০৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বেতন ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থানাসহ বিভিন্ন ইউনিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ২৮ জনকে একযোগে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। এরমধ্যে পুলিশের বাবুর্চি থেকে এসআই পর্যন্ত রয়েছেন।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম এবং বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ২৮ জনের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তালিকায় খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানা, ট্রাফিক বিভাগ এবং গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত সদস্যদের নাম রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। তবে দায়িত্ব পালনের সময় কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করলে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে মামলা গ্রহণ, তদন্ত, অপরাধ দমন কিংবা অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থের বিনিময়ে পক্ষপাতের অভিযোগ জনসাধারণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর অন্যতম লক্ষ্য তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা। এরপরও কেউ অনৈতিক উপায়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে শুধু প্রত্যাহার বা বদলি নয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রাখতে অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলছেন তারা।

এ বিষয়ে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রথমে পুলিশ বাহিনীর ভেতরেই শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের প্রবণতা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের প্রতি জনআস্থা তৈরির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইজিপিরও নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।