রাজধানীর শাহবাগ থানায় ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরের ওপর হামলা করেছে ছাত্রদল। এতে দুজনই আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরে তাদের শাহবাগ থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এদিন ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী পদে নির্বাচন করা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নামে সাইবার বুলিং করার অভিযোগ করে ছাত্রদল।
রিউমার স্ক্যানার ফ্যাক্টচেক করে জানিয়েছে, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে স্ক্রিনশট ছড়িয়েছে, তা এডিটেড।
মূলত মাহমুদ এমন কোনো পোস্ট করেননি।
ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, সন্ধ্যায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করতে আসেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।
এসময় ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নেতা থানায় জড়ো হন। তাদের কেউ কেউ মাহমুদকে অনলাইনে সাইবার বুলিংয়ের অপরাধে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ সময় মাহমুদ থানার যে কক্ষে ছিলেন, সেখানে ছাত্রদলের একাধিক নেতা প্রবেশের চেষ্টা করেন। এই ঘটনার ভিডিও করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হয়। তাদের ঘটনাটি ‘অভ্যন্তরীণ’ উল্লেখ করে ভিডিও করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ায় ছাত্রদল। ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ, সাংবাদিক সমিতির কয়েকজন সদস্য তাদের সিনিয়র নেতাদের ধাক্কা দেন এবং গলায় হাত দেন। প্রতিক্রিয়ায় জুনিয়র নেতারা শুরুতে ধাক্কাধাক্কি করেন এবং পরে কয়েকজনের গায়ে হাত তোলেন।
এ ঘটনার পর থানায় প্রবেশ করেন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এবি জুবায়েরসহ কয়েকজন। এ সময় ছাত্রদলের জুনিয়র নেতারা তাদের সাথে ধস্তাধস্তি করেন।
ছাত্রদলের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সদস্য শাকিল বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, মোসাদ্দিক ও জুবায়ের প্রবেশ করার সময় শুরুতে নেতাকর্মীরা তাদের পেছনে চাপতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হয়।
তবে শেখ মুজিবুর রহমান হলের শীর্ষ এক নেতা বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, প্রবেশের সময় মোসাদ্দিক অথবা জুবায়ের স্লোগানরত ছাত্রদল নেতাদের এমন একটি শব্দ বলেন, যাতে সবাই ক্ষেপে যায়ন এবং তাকে মারধর করেন।
এ ঘটনায় তাকে বাচাঁতে গিয়ে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মাছুম বিল্লাহসহ একাধিক সিনিয়র নেতা মার খেয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক : 



























