দেশে শিশুদের মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হাম। এক সময় টিকাদান কর্মসূচির কারণে রোগটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এলেও ঢাকাসহ সারাদেশেই এখন নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা না নেওয়া, জনসমাগমে সংক্রমণ ছড়ানো এবং সচেতনতার ঘাটতির কারণেই হাম আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।
লক্ষণসমূহ
জ্বর, শুকনো কাশি
নাক দিয়ে পানি পড়া
চোখ লাল হওয়া বা পানি পড়া
শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা দানা
মুখের ভেতরে সাদা ছোট দাগ (কপলিক স্পট)
সাধারণত জ্বর শুরু হওয়ার ৩-৫ দিনের মধ্যে মুখ থেকে শুরু করে পুরো শরীরে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।
কখন ঝুঁকি বাড়ে?
শিশুদের মধ্যে হাম হলে অনেক সময় জটিলতাও দেখা দিতে পারে। যেমন- নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং কানের সংক্রমণ। বিশেষ করে অপুষ্ট শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক অবস্থা হতে পারে।
করণীয়:
শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ দেওয়া
পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার দেওয়া
পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো
বিশ্রাম নিশ্চিত করা
আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা
তবে কোনো জটিল লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
প্রতিরোধ:
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকাদান। বাংলাদেশে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হাম প্রতিরোধে দুই ডোজ টিকা অত্যন্ত কার্যকর।
সচেতনতা
হামকে সাধারণ জ্বর বা চর্মরোগ ভেবে অবহেলা করা ঠিক নয়। সময়মতো টিকা এবং দ্রুত চিকিৎসা নিলে এই রোগ সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবার ও সমাজ উভয়ের সচেতনতাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
অনলাইন ডেস্ক : 































