ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

জেতার পর কোলে হাঁস নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

  • অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • 139

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।
এদিকে নির্বাচনের জয়ের পর তিনি শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি প্রতীক হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ উল্লেখ করেন এবং তার বেড়ে ওঠার গল্পও করেন।

বিএনপি থেকে বের হয়ে বিজয়ীর হাসি হাসার যাত্রাটা তার জন্য বেশ কঠিন ছিল বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়ত আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। এই ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে। সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করব আমি?

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুরের পর বিভিন্ন জায়গায় দুপুরের পর ভোট ছাপানোর চেষ্টা হয়েছে। ফলাফল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে আমি নিজে গিয়েও খেজুর গাছের কর্মীদের সাথে আমি নিজে মারামারি করেছি। মারামারি করে আমি কেন্দ্রে ঢুকেছি। আবার ভোট গুনিয়েছি। কিছু ফলস ভোট পেয়েছি। এগুলো সবই চ্যালেঞ্জ।

নির্বাচনের আগে তিনি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো তিনি আদৌ রাখবেন কি না, তাকে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি দলীয় প্রার্থী না। আমায় যদি এলাকায় আরেকবার নির্বাচন করতে হয়, কাজ করা ছাড়া আমার হাতে আর কোনো অপশন নাই। আমার নিজেকে টিকে থাকতে হলে কাজ করতেই হবে।
ভোটের মার্কা হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস-টাঁস পালা হলো না কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেককিছু আছে। ওদের সাথেই আমার অবসর সময় কাটে।

হাঁসের সঙ্গে তার এই স্মৃতি-অভ্যাসের কারণেই তিনি হাঁসকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানান।
উল্লেখ্য, গত ৩০শে ডিসেম্বর রুমিন ফারহানা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন। যদিও একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন, ছিলেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদকও।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিএনপি তাকে ফেরাতে চাইলে তার নেতাকর্মীদেরও ফেরাতে হবে।

গত ১১ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে রুমিন ফারহানার নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সরাইল উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ১০ নেতাকে বহিষ্কার করেছিল বিএনপি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ ইউরোপ ইউরোপা লিগ, দ্বিতীয় বাছাইপর্বের পরিসংখ্যান ও লাইভ স্কোর

হামে মৃতের সংখ্যা ৮২৫, নতুন করে প্রাণ গেল আরও ৫ জনের

জেতার পর কোলে হাঁস নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।
এদিকে নির্বাচনের জয়ের পর তিনি শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি প্রতীক হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ উল্লেখ করেন এবং তার বেড়ে ওঠার গল্পও করেন।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বিএনপি থেকে বের হয়ে বিজয়ীর হাসি হাসার যাত্রাটা তার জন্য বেশ কঠিন ছিল বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়ত আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। এই ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে। সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করব আমি?

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুরের পর বিভিন্ন জায়গায় দুপুরের পর ভোট ছাপানোর চেষ্টা হয়েছে। ফলাফল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে আমি নিজে গিয়েও খেজুর গাছের কর্মীদের সাথে আমি নিজে মারামারি করেছি। মারামারি করে আমি কেন্দ্রে ঢুকেছি। আবার ভোট গুনিয়েছি। কিছু ফলস ভোট পেয়েছি। এগুলো সবই চ্যালেঞ্জ।

নির্বাচনের আগে তিনি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো তিনি আদৌ রাখবেন কি না, তাকে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি দলীয় প্রার্থী না। আমায় যদি এলাকায় আরেকবার নির্বাচন করতে হয়, কাজ করা ছাড়া আমার হাতে আর কোনো অপশন নাই। আমার নিজেকে টিকে থাকতে হলে কাজ করতেই হবে।
ভোটের মার্কা হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস-টাঁস পালা হলো না কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেককিছু আছে। ওদের সাথেই আমার অবসর সময় কাটে।

হাঁসের সঙ্গে তার এই স্মৃতি-অভ্যাসের কারণেই তিনি হাঁসকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানান।
উল্লেখ্য, গত ৩০শে ডিসেম্বর রুমিন ফারহানা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন। যদিও একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন, ছিলেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদকও।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিএনপি তাকে ফেরাতে চাইলে তার নেতাকর্মীদেরও ফেরাতে হবে।

গত ১১ই ফেব্রুয়ারি বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে রুমিন ফারহানার নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সরাইল উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ১০ নেতাকে বহিষ্কার করেছিল বিএনপি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন