ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

সিন্দুরমতির দিঘিকে ধর্মীয় পর্যটনের আকর্ষণীয় কেন্দ্র করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান সিন্দুরমতির দিঘিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি আকর্ষণীয় ধর্মীয় ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, “সিন্দুরমতির দিঘি শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি তীর্থস্থান। তাই এর ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন করা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তরা নির্বিঘ্নে পূজা- পার্বণ ও পবিত্র স্নান করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতির দিঘি ও পুকুরপাড়ের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দুলু বলেন, দীর্ঘদিনের অযত্ন ও অবহেলায় ঐতিহ্যবাহী এ স্থানটি অনেকটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। অথচ এর সঙ্গে স্থানীয় ইতিহাস, লোককথা ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও ভক্তরা এখানে আসেন।

স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একসময় এ অঞ্চলে পানির সংকট দেখা দিলে জমিদার নারায়ণ চক্রবর্তী এখানে একটি পুকুর খনন করেন। কিন্তু পুকুর খননের পরও পানি না ওঠায় তাঁর দুই কন্যা সিন্দুর ও মতি নিজের জিবন বিসর্জন করেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তাদের নাম অনুসারেই স্থানটির নাম ‘সিন্দুরমতি’ হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটির উন্নয়নকাজ শুরু করেছি। তবে এ বছর আগাম বৃষ্টির কারণে কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে অথবা নভেম্বর মাসে পুনরায় উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, সিন্দুরমতির দিঘির উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভক্তদের ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার পাশাপাশি স্থানটির নান্দনিকতা ও পরিবেশ উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আমরা এমনভাবে কাজটি শেষ করতে চাই, যাতে সিন্দুরমতির দিঘি এ অঞ্চলের অন্যতম প্রসিদ্ধ ধর্মীয় ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

পরিদর্শনকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনিতা দাস, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান, জেলা বিএনপির সহযুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ বি এম ফারুক সিদ্দিকসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

ইতিহাসের এই দিনে : ২৮ আগস্ট ২০২৬ইং

সিন্দুরমতির দিঘিকে ধর্মীয় পর্যটনের আকর্ষণীয় কেন্দ্র করা হবে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু

আপডেট সময় ১১:০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, লালমনিরহাটের ঐতিহ্যবাহী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান সিন্দুরমতির দিঘিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি আকর্ষণীয় ধর্মীয় ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

তিনি বলেন, “সিন্দুরমতির দিঘি শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি তীর্থস্থান। তাই এর ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন করা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তরা নির্বিঘ্নে পূজা- পার্বণ ও পবিত্র স্নান করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতির দিঘি ও পুকুরপাড়ের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দুলু বলেন, দীর্ঘদিনের অযত্ন ও অবহেলায় ঐতিহ্যবাহী এ স্থানটি অনেকটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। অথচ এর সঙ্গে স্থানীয় ইতিহাস, লোককথা ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও ভক্তরা এখানে আসেন।

স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একসময় এ অঞ্চলে পানির সংকট দেখা দিলে জমিদার নারায়ণ চক্রবর্তী এখানে একটি পুকুর খনন করেন। কিন্তু পুকুর খননের পরও পানি না ওঠায় তাঁর দুই কন্যা সিন্দুর ও মতি নিজের জিবন বিসর্জন করেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তাদের নাম অনুসারেই স্থানটির নাম ‘সিন্দুরমতি’ হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটির উন্নয়নকাজ শুরু করেছি। তবে এ বছর আগাম বৃষ্টির কারণে কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে অথবা নভেম্বর মাসে পুনরায় উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, সিন্দুরমতির দিঘির উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভক্তদের ধর্মীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার পাশাপাশি স্থানটির নান্দনিকতা ও পরিবেশ উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আমরা এমনভাবে কাজটি শেষ করতে চাই, যাতে সিন্দুরমতির দিঘি এ অঞ্চলের অন্যতম প্রসিদ্ধ ধর্মীয় ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

পরিদর্শনকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনিতা দাস, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান, জেলা বিএনপির সহযুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ বি এম ফারুক সিদ্দিকসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।