ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

থাইল্যান্ডের বারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৩০

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় এখনও ৭০ জনের বেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, রোববার (১২ জুলাই) গভীর রাতে ব্যাংককের উত্তরাঞ্চলের ‘রং বিয়ার না লাডপ্রাও’ বারে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগের মরদেহ জানালাবিহীন বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুন ও ধোঁয়া থেকে বাঁচতে তারা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আর বের হতে পারেননি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বারটিতে একসঙ্গে প্রায় ৬০০ জনের অবস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আগুন লাগার সময় ঠিক কতজন ভেতরে ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি নির্গমনপথ এবং অন্যান্য নিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে মেনে চলেছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এটি প্রায় ১৭ বছরের মধ্যে ব্যাংককের কোনো বিনোদনকেন্দ্রে সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। ২০০৯ সালে রাজধানীর সান্টিকা ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে ৬৬ জন নিহত হওয়ার পর অগ্নিনিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছিল। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনার পর আবারও থাইল্যান্ডের বিনোদনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং কোনো ধরনের অবহেলা বা নিরাপত্তা ত্রুটি ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে থাই কর্তৃপক্ষ। সূত্র: ন্যাশনাল হেরাল্ড

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

থাইল্যান্ডের বারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৩০

আপডেট সময় ০৩:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় এখনও ৭০ জনের বেশি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, রোববার (১২ জুলাই) গভীর রাতে ব্যাংককের উত্তরাঞ্চলের ‘রং বিয়ার না লাডপ্রাও’ বারে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগের মরদেহ জানালাবিহীন বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুন ও ধোঁয়া থেকে বাঁচতে তারা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আর বের হতে পারেননি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বারটিতে একসঙ্গে প্রায় ৬০০ জনের অবস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আগুন লাগার সময় ঠিক কতজন ভেতরে ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি নির্গমনপথ এবং অন্যান্য নিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে মেনে চলেছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এটি প্রায় ১৭ বছরের মধ্যে ব্যাংককের কোনো বিনোদনকেন্দ্রে সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড। ২০০৯ সালে রাজধানীর সান্টিকা ক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে ৬৬ জন নিহত হওয়ার পর অগ্নিনিরাপত্তা জোরদারের দাবি উঠেছিল। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনার পর আবারও থাইল্যান্ডের বিনোদনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং কোনো ধরনের অবহেলা বা নিরাপত্তা ত্রুটি ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে থাই কর্তৃপক্ষ। সূত্র: ন্যাশনাল হেরাল্ড