রংপুরে মোটরসাইকেলসহ আটকের পর তা জিম্মি করে চাঁদার দাবিতে চারজনকে গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রংপুর নগরীর মূলাটোল বড়পুকুরপাড় বেলাল হোসেনের ছেলে রায়হান, মুন্সিপাড়ার ইসমাইলের ছেলে ইরফান হোসেন (৩২) ওরফে বান্টা, মাহীপাড়ার ইকবাল হোসেনের ছেলে সামাউন হোসেন (৩০), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ মাগুরা দোলপাড়ার ছেয়াদুলের ছেলে হযরত আলী (৩৫)।
এছাড়াও দেওডোবা গ্রামের সাকি মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান (২৬), রংপুর কোতোয়ালি থানার বাসিন্দা সাঈদ হোসেন (২৭), কাউনিয়া উপজেলার খোরশেদ আলমের ছেলে ওমর ফারুকের নামে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের চাঁদাবাজির অভিযোগে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত এবং মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা প্রতারক চক্রের সদস্য। বিভিন্ন লোকজনকে হানিট্র্যাপের খপ্পরে ফেলে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা টাকা হাতিয়ে নিত।
মামলার বাদী রবিউল ইসলামের ছেলে হাফিজুল ইসলাম সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই ফোনে পরিচয় ছিল। হাফিজুল ইসলামের বাড়ি নীলফামারী কিশোরগঞ্জ হওয়ায় তাকে রংপুরে বেড়াতে ডাকে। হাফিজুল গতে ২০ মার্চ ঈদের আগের দিন আসামিদের সঙ্গে রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ফ্লাইওভারের নিচে তাদের সঙ্গে দেখা করে। তখন আসামিরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তার মোটরসাইকেল, মোবাইলফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে ২২ মার্চ মোটরসাইকেল ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে হাফিজুলের কাছ থেকে বিকাশসহ নগদে ৫০ হাজার টাকা আদায় করে।
আসামিরা মোটরসাইকেল ফেরত না দিয়ে টালবাহনা করতে থাকে। একপর্যায়ে হাফিজুলের বাবা রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ৭জনকে আসামি করে ৩ এপ্রিল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। পরে পুলিশ নগরীর বিভিন্নস্থান থেকে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান বলেন, আসামিরা একটি প্রতারক চক্রের সদস্য। আমাদের কাছে বাদী অভিযোগ করার পরেই আমরা মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করি। এজাহারে বর্ণিত চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
অনলাইন ডেস্ক : 































