ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

প্রধান শিক্ষক নিয়োগের রায় স্থগিত

বাংলাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর ফলে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এনটিআরসিএর করা আবেদনের পর এ আদেশ দেন। তবে রিটকারী ৪৬ জন শিক্ষকের স্বার্থ সংরক্ষণে ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সরকার গত ২৫ মার্চ এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগসংক্রান্ত একটি সংশোধনী জারি করে। ওই সংশোধনী অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য মোট ১৮ বছরের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত কার্যকর ছিল।

নতুন অভিজ্ঞতার শর্তকে বৈষম্যমূলক দাবি করে প্রথমে ১২ জন শিক্ষক এবং পরে আরও কয়েকজন যুক্ত হয়ে মোট ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকারের ২৫ মার্চের সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রুল অ্যাবসলিউট করেন।

পরবর্তীতে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে চেম্বার আদালত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। তবে রিটকারী ৪৬ জনের জন্য পদ সংরক্ষণের বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ শুনানিতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে জানান, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতায় প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যপদ ছিল ১০ হাজার ২৭৮টি। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে তিন হাজার ১৩১টি এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপার পদে ১৫০টি শূন্যপদ ছিল।

সব মিলিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের কথা উল্লেখ করা হলেও বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে সংরক্ষিত ৪৬টি পদ বাদে বাকি শূন্যপদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভা ও পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবে এনটিআরসিএ।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

প্রধান শিক্ষক নিয়োগের রায় স্থগিত

আপডেট সময় ০৯:০০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর ফলে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এনটিআরসিএর করা আবেদনের পর এ আদেশ দেন। তবে রিটকারী ৪৬ জন শিক্ষকের স্বার্থ সংরক্ষণে ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের বিপুলসংখ্যক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সরকার গত ২৫ মার্চ এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগসংক্রান্ত একটি সংশোধনী জারি করে। ওই সংশোধনী অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য মোট ১৮ বছরের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত কার্যকর ছিল।

নতুন অভিজ্ঞতার শর্তকে বৈষম্যমূলক দাবি করে প্রথমে ১২ জন শিক্ষক এবং পরে আরও কয়েকজন যুক্ত হয়ে মোট ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকারের ২৫ মার্চের সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রুল অ্যাবসলিউট করেন।

পরবর্তীতে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে চেম্বার আদালত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। তবে রিটকারী ৪৬ জনের জন্য পদ সংরক্ষণের বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ শুনানিতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে জানান, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতায় প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যপদ ছিল ১০ হাজার ২৭৮টি। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে তিন হাজার ১৩১টি এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপার পদে ১৫০টি শূন্যপদ ছিল।

সব মিলিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের কথা উল্লেখ করা হলেও বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে সংরক্ষিত ৪৬টি পদ বাদে বাকি শূন্যপদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভা ও পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবে এনটিআরসিএ।