ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ঝরল আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথে

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল শুরু হলো দারুণ উত্তেজনার মধ্য দিয়ে। শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা যেন উত্তপ্ত হয়েছিল, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মাঠের খেলায়।

ফকল্যান্ড যুদ্ধের আবহ মাঠে আসবে না বলে জানিয়েছিল দুই দল। আবার ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই লড়াইয়ের আবহও যেন ভর করেছে আজ মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে। যার কারণে শুরুতেই আগুনে লড়াই দেখা যাচ্ছে মেসি-বেলিংহ্যামদের মধ্যে।

সেমিফাইনাল শুরুর বাঁশি বাজতেই বোঝা গেল, এটি শুধু দুই পরাশক্তির লড়াই নয়, বরং প্রতিটি বলের জন্য যুদ্ধ। আটলান্টার স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মহারণের প্রথম ১২ মিনিটেই দেখা গেছে একাধিক কঠিন ট্যাকল, উত্তেজনা এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডা।

মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথের প্রথম বাঁশির সঙ্গে খেলা শুরু করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই প্রথম ফাউলের শিকার হন জুদ বেলিংহ্যাম। মাঝমাঠে বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ট্যাকল করে বসেন ইংলিশ মিডফিল্ডারের ওপর। এতে প্রথম ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড।

এর কিছুক্ষণ পরই পাল্টা চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। তবে মেসির কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার পর ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের পেছনে ট্যাকল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচের শুরুতেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

প্রথম ১০ মিনিটে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সক্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মাঝমাঠে একের পর এক বল কাড়ার পাশাপাশি আক্রমণও সাজিয়েছেন তিনি।

১১তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ভুল পাস কেটে নিয়ে দ্রুত বাম দিকে অ্যান্থনি গর্ডনের উদ্দেশে দারুণ একটি থ্রু বল বাড়ান অ্যান্ডারসন। গর্ডন বল পেলেও তার ক্রস সহজেই তালুবন্দি করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

ম্যাচের শুরুতে কোনো দলই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। বল দখল এবং মাঝমাঠের লড়াইয়ে সমানতালে এগিয়েছে দুই দল। ইংল্যান্ড কর্নার পেলেও ডেকলান রাইসের নেওয়া সেট-পিস থেকে তেমন কোনো বিপদ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও সুযোগ খুঁজেছে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে।

১২তম মিনিটে আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ম্যাচ। অ্যান্ডারসনকে ট্যাকল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এরপর মর্গান রজার্স ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসও জড়িয়ে পড়েন একই ঘটনায়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত এগিয়ে আসেন রেফারি ইসমাইল এলফাথ। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করেন এবং আর্জেন্টিনাকে ফ্রি-কিক দেন। তবে সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে।

প্রথম ১২ মিনিটে গোলের দেখা না মিললেও আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে উত্তেজনার কোনো ঘাটতি নেই। শক্ত ট্যাকল, শারীরিক লড়াই এবং মাঝমাঠের দখল নিয়ে দুই দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় সেমিফাইনালের সাক্ষী হতে পারে ফুটবল বিশ্ব।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

আর্জেন্টিনা এবার চতুর্থ শিরোপা জিততে পারবে না: ক্যাসিয়াস

বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ঝরল আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথে

আপডেট সময় ০৪:৫১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল শুরু হলো দারুণ উত্তেজনার মধ্য দিয়ে। শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা যেন উত্তপ্ত হয়েছিল, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মাঠের খেলায়।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

ফকল্যান্ড যুদ্ধের আবহ মাঠে আসবে না বলে জানিয়েছিল দুই দল। আবার ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই লড়াইয়ের আবহও যেন ভর করেছে আজ মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে। যার কারণে শুরুতেই আগুনে লড়াই দেখা যাচ্ছে মেসি-বেলিংহ্যামদের মধ্যে।

সেমিফাইনাল শুরুর বাঁশি বাজতেই বোঝা গেল, এটি শুধু দুই পরাশক্তির লড়াই নয়, বরং প্রতিটি বলের জন্য যুদ্ধ। আটলান্টার স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মহারণের প্রথম ১২ মিনিটেই দেখা গেছে একাধিক কঠিন ট্যাকল, উত্তেজনা এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডা।

মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথের প্রথম বাঁশির সঙ্গে খেলা শুরু করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই প্রথম ফাউলের শিকার হন জুদ বেলিংহ্যাম। মাঝমাঠে বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ট্যাকল করে বসেন ইংলিশ মিডফিল্ডারের ওপর। এতে প্রথম ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড।

এর কিছুক্ষণ পরই পাল্টা চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। তবে মেসির কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার পর ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের পেছনে ট্যাকল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচের শুরুতেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

প্রথম ১০ মিনিটে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সক্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মাঝমাঠে একের পর এক বল কাড়ার পাশাপাশি আক্রমণও সাজিয়েছেন তিনি।

১১তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ভুল পাস কেটে নিয়ে দ্রুত বাম দিকে অ্যান্থনি গর্ডনের উদ্দেশে দারুণ একটি থ্রু বল বাড়ান অ্যান্ডারসন। গর্ডন বল পেলেও তার ক্রস সহজেই তালুবন্দি করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

ম্যাচের শুরুতে কোনো দলই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। বল দখল এবং মাঝমাঠের লড়াইয়ে সমানতালে এগিয়েছে দুই দল। ইংল্যান্ড কর্নার পেলেও ডেকলান রাইসের নেওয়া সেট-পিস থেকে তেমন কোনো বিপদ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও সুযোগ খুঁজেছে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে।

১২তম মিনিটে আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ম্যাচ। অ্যান্ডারসনকে ট্যাকল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এরপর মর্গান রজার্স ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসও জড়িয়ে পড়েন একই ঘটনায়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত এগিয়ে আসেন রেফারি ইসমাইল এলফাথ। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করেন এবং আর্জেন্টিনাকে ফ্রি-কিক দেন। তবে সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে।

প্রথম ১২ মিনিটে গোলের দেখা না মিললেও আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে উত্তেজনার কোনো ঘাটতি নেই। শক্ত ট্যাকল, শারীরিক লড়াই এবং মাঝমাঠের দখল নিয়ে দুই দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় সেমিফাইনালের সাক্ষী হতে পারে ফুটবল বিশ্ব।