ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

সাড়ে চার হাজারের বেশি সদস্য নিয়ে পুলিশের স্বতন্ত্র ইউনিট হচ্ছে

পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নেতৃত্বে স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুলিশ সদর দপ্তরে এর উদ্বোধন করেন।পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিটের দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি মো. ইকবাল  হোসেন। তাঁর অধীন ৪ হাজার ৫৯২ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বিভাগীয় পর্যায়ে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার নেতৃত্ব দেবেন। থানা পর্যায়েও এই ইউনিটের জন্য উপপরিদর্শক (এসআই), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও কনস্টেবল পর্যায়ের সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশের সব সাইবার ক্রাইম বিভাগ এই ইউনিটে আনা হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিদ্যমান জনবল থেকে যতটা সম্ভব এই জনবল পূরণ করা হবে। পরে নিয়োগের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জনবল এখানে স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও থাকবে। আধুনিক সাইবার-সম্পর্কিত যন্ত্রপাতি থাকবে। এটি হবে প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর একটি সংগঠন।বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগ চলছে এবং সাইবার-সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডও বেড়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাই পুরোনো চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দণ্ডবিধির বিভিন্ন বিধান অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হলে সিআরপিসি ও এভিডেন্সের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনার যে ব্যবস্থা ছিল, তাতেও এখন অনেক পরিবর্তন এসেছে। এখন সাক্ষ্য-প্রমাণের ক্ষেত্রে ফরেনসিক ল্যাবের প্রয়োজন হচ্ছে। এখন কেমিক্যাল ল্যাবের পাশাপাশি ফরেনসিক ল্যাবও প্রয়োজন। মাদক, অন্যান্য অপরাধ, সন্ত্রাস, মানি ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সাইবার-সম্পর্কিত বিভিন্ন অপরাধসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ফরেনসিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োজন হচ্ছে।সাইবার পুলিশ ইউনিটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে অসংগঠিতভাবে কাজ করতাম। সে কারণে সমন্বয়েরও কিছু সমস্যা ছিল। কোনো না কোনো সময় তো শুরু করতেই হবে। সেই যাত্রা আজ শুরু হলো। আশা করি, সবার সহযোগিতায় আমরা সফল হব এবং সাইবার স্পেস ব্যবহার করে সংঘটিত সব ধরনের অপরাধ মোকাবিলা করতে পারব।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সাইবার পুলিশ ইউনিটে সাইবার প্যাট্রলিং ও সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এ জন্য সিস্টেম অ্যানালিস্ট থেকে শুরু করে ফিন্যান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট, ইমার্জেন্সি রেসপন্স কনসালট্যান্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডিজাস্টার রিকভারি এক্সপার্ট, কনটেন্ট ডেভেলপার, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট, ডার্ক ওয়েব অ্যানালিস্ট, কমিউনিকেশন এক্সপার্ট, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও সিকিউরিটি স্পেশালিস্টসহ অনেক পদ রাখা হয়েছে।এসব বিশেষজ্ঞকে চুক্তিভিত্তিকভাবে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাঁদের বেতনকাঠামোও আলাদা হবে। নিয়মিত পুলিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে যে ধরনের নিয়োগ হয়, সেখান থেকে হয়তো প্রয়োজনীয় সব বিশেষজ্ঞ পাওয়া যাবে না। তবে ইদানীং পুলিশের মধ্যে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন। তাঁদেরও প্রাথমিকভাবে এই ইউনিটে যুক্ত করা হবে। পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে চান এবং যাঁদের উপযুক্ত মনে করা হবে, তাঁদের দেশে ও বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে একটি ইউনিটকে এ বিষয়ে বিদেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হবে। তাঁরা ইউনিটটি মনিটর, গাইড ও নেতৃত্ব দেবেন। এ কারণে তাঁদের বেশি দক্ষতা থাকতে হবে; আর প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞদের চুক্তিভিত্তিকভাবে নেওয়া হবে। চুক্তিভিত্তিকভাবে যাঁরা আসবেন, তাঁদের জন্য আলাদা কাঠামো থাকবে। এই ইউনিট ঘোষণার প্রাক্কালে ঘোষণা করা হয়েছে, ‘যারা এখানে অবদান রাখবেন এবং বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করবেন, তাঁদের ইনসেনটিভ (প্রণোদনা) দেওয়া হবে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার সিকিউরিটি-সংক্রান্ত আইনকে আরও আধুনিক করার প্রক্রিয়াও চলছে। এ বিষয়ে অংশীজন, সংবাদকর্মী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। সামনে তাঁরা আরও মতামত দেবেন। তাঁদের একটি অনুরোধ ছিল, মিডিয়া ও প্রেস যেন কোনোভাবেই এই আইনের শিকার না হয়। এ জন্য আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে। সাইবার-সম্পর্কিত অপরাধগুলোকে আরও সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার বিষয়ও এতে থাকবে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

জন–আস্থা ও পেশাদারত্ব বজায় রেখে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সাড়ে চার হাজারের বেশি সদস্য নিয়ে পুলিশের স্বতন্ত্র ইউনিট হচ্ছে

আপডেট সময় ১০:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নেতৃত্বে স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুলিশ সদর দপ্তরে এর উদ্বোধন করেন।পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিটের দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি মো. ইকবাল  হোসেন। তাঁর অধীন ৪ হাজার ৫৯২ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বিভাগীয় পর্যায়ে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার নেতৃত্ব দেবেন। থানা পর্যায়েও এই ইউনিটের জন্য উপপরিদর্শক (এসআই), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও কনস্টেবল পর্যায়ের সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশের সব সাইবার ক্রাইম বিভাগ এই ইউনিটে আনা হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিদ্যমান জনবল থেকে যতটা সম্ভব এই জনবল পূরণ করা হবে। পরে নিয়োগের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জনবল এখানে স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও থাকবে। আধুনিক সাইবার-সম্পর্কিত যন্ত্রপাতি থাকবে। এটি হবে প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর একটি সংগঠন।বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগ চলছে এবং সাইবার-সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডও বেড়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাই পুরোনো চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দণ্ডবিধির বিভিন্ন বিধান অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হলে সিআরপিসি ও এভিডেন্সের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনার যে ব্যবস্থা ছিল, তাতেও এখন অনেক পরিবর্তন এসেছে। এখন সাক্ষ্য-প্রমাণের ক্ষেত্রে ফরেনসিক ল্যাবের প্রয়োজন হচ্ছে। এখন কেমিক্যাল ল্যাবের পাশাপাশি ফরেনসিক ল্যাবও প্রয়োজন। মাদক, অন্যান্য অপরাধ, সন্ত্রাস, মানি ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সাইবার-সম্পর্কিত বিভিন্ন অপরাধসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ফরেনসিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োজন হচ্ছে।সাইবার পুলিশ ইউনিটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে অসংগঠিতভাবে কাজ করতাম। সে কারণে সমন্বয়েরও কিছু সমস্যা ছিল। কোনো না কোনো সময় তো শুরু করতেই হবে। সেই যাত্রা আজ শুরু হলো। আশা করি, সবার সহযোগিতায় আমরা সফল হব এবং সাইবার স্পেস ব্যবহার করে সংঘটিত সব ধরনের অপরাধ মোকাবিলা করতে পারব।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সাইবার পুলিশ ইউনিটে সাইবার প্যাট্রলিং ও সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এ জন্য সিস্টেম অ্যানালিস্ট থেকে শুরু করে ফিন্যান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট, ইমার্জেন্সি রেসপন্স কনসালট্যান্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডিজাস্টার রিকভারি এক্সপার্ট, কনটেন্ট ডেভেলপার, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট, ডার্ক ওয়েব অ্যানালিস্ট, কমিউনিকেশন এক্সপার্ট, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও সিকিউরিটি স্পেশালিস্টসহ অনেক পদ রাখা হয়েছে।এসব বিশেষজ্ঞকে চুক্তিভিত্তিকভাবে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাঁদের বেতনকাঠামোও আলাদা হবে। নিয়মিত পুলিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে যে ধরনের নিয়োগ হয়, সেখান থেকে হয়তো প্রয়োজনীয় সব বিশেষজ্ঞ পাওয়া যাবে না। তবে ইদানীং পুলিশের মধ্যে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন। তাঁদেরও প্রাথমিকভাবে এই ইউনিটে যুক্ত করা হবে। পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে চান এবং যাঁদের উপযুক্ত মনে করা হবে, তাঁদের দেশে ও বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে একটি ইউনিটকে এ বিষয়ে বিদেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হবে। তাঁরা ইউনিটটি মনিটর, গাইড ও নেতৃত্ব দেবেন। এ কারণে তাঁদের বেশি দক্ষতা থাকতে হবে; আর প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞদের চুক্তিভিত্তিকভাবে নেওয়া হবে। চুক্তিভিত্তিকভাবে যাঁরা আসবেন, তাঁদের জন্য আলাদা কাঠামো থাকবে। এই ইউনিট ঘোষণার প্রাক্কালে ঘোষণা করা হয়েছে, ‘যারা এখানে অবদান রাখবেন এবং বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করবেন, তাঁদের ইনসেনটিভ (প্রণোদনা) দেওয়া হবে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার সিকিউরিটি-সংক্রান্ত আইনকে আরও আধুনিক করার প্রক্রিয়াও চলছে। এ বিষয়ে অংশীজন, সংবাদকর্মী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। সামনে তাঁরা আরও মতামত দেবেন। তাঁদের একটি অনুরোধ ছিল, মিডিয়া ও প্রেস যেন কোনোভাবেই এই আইনের শিকার না হয়। এ জন্য আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে। সাইবার-সম্পর্কিত অপরাধগুলোকে আরও সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার বিষয়ও এতে থাকবে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন