ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

মুখ খুলতে শুরু করেছেন তাহসিফের ‘বন্ধু’ দীপ, প্রকাশ্যে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘জুনিয়র বন্ধু’ শাহরিয়ার রেজা দীপ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরই মধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছেন তিনি।

জানা গেছে, ছোট ভাই পরিচয় দেওয়া এই দীপের ডাকেই নিখোঁজ হওয়ার আগে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হেফাজতে নেওয়ার পর রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর।

তদন্তসংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ সুপার জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তুরাগের পাড়ে কথা বলছিলেন তারা। এ সময় কিছু লোক আমাদের ধাওয়া করে। তখন তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং দীপ পালিয়ে যান।

বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল জানান, দীপ হেফাজতে নেওয়ার পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা হচ্ছে না।

এদিকে তুরাগ নদের তাহসিফের ভাসমান লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে টঙ্গী পশ্চিম থানার অধীন মাজার বস্তি এলাকায় নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। দুটি স্থানই তুরাগ নদের সঙ্গে সংযুক্ত।
পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ এক বার্তায় নিশ্চিত করেন, তুরাগ নদ থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেছে এবং এটি তাহসিফের কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।

পিবিআইয়ের অন্য এক পুলিশ সুপার জানান, দীপের দেখানো তথ্যের ভিত্তিতেই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। নম্বরপ্লেট না থাকায় মালিকানা যাচাই চলছে। তবে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাহসিফও ঘর থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন।

এদিকে চাঞ্চল্যকর আরেক তথ্য পাওয়া গেছে তাহসিফের ভবনের দারোয়ানের কাছ থেকে। দারোয়ানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাতে দীপের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। তবে রাত আড়াইটার দিকে দীপ একাই বাসায় ফেরেন। এ সময় তাহসিফ তার সঙ্গে ছিলেন না।

দারোয়ানের দাবি, বাসায় ফেরার পর দীপের আচরণেও কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। তিনি চোখাচোখি করে কথা বলছিলেন না এবং মিটিমিটি হাসছিলেন। দারোয়ানের এই বক্তব্য তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিমের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দীপের ফোন পেয়েই বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের মোবাইলে একটি বার্তা পাঠিয়ে তাহসিফ জানান, তিনি বাড়ি ফিরছেন। এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ মিলছিল না।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে।

মূলত, তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর আগে বাসার নিচে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা বলা ও হাত মেলানোর একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার ওই সিসিটিভি ফুটেজে সবুজ পাঞ্জাবি পরা তাহসিফকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে ও হাত মেলাতে দেখা যায়।

তাহসিফের পরিবারের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে তার ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপ হিসেবে শনাক্ত করেন। ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে তাহসিফের সঙ্গে ওই ব্যক্তির দেখা হয়। হাত মেলানোর পর তারা আলাদা দুটি মোটরসাইকেলে সেখান থেকে চলে যান।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপের ডাকে সাড়া দিয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে দীপ জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা থাকায় তারা ওয়ার্কশপে যান। মোটরসাইকেল ঠিক করার পর তারা বাসায় ফিরে খাবার খান। এরপর সেখান থেকে চলে যান বলে দাবি করেন দীপ। তবে তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দীপের ভূমিকা কী, তা তদন্তসাপেক্ষ।

এর আগে, ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন। হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে মরদেহটি তাহসিফ সাউরির বলে শনাক্ত করা হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা ৩৫ মিনিটে উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তাহসিফের মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ। তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিমের আশঙ্কা, তার ছেলেকে হত্যার করা হয়েছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

রাজনৈতিক সৌজন্যের অনন্য দৃষ্টান্ত, জামায়াত প্রার্থীর বাসায় মির্জা ফয়সল

মুখ খুলতে শুরু করেছেন তাহসিফের ‘বন্ধু’ দীপ, প্রকাশ্যে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘জুনিয়র বন্ধু’ শাহরিয়ার রেজা দীপ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরই মধ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছেন তিনি।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

জানা গেছে, ছোট ভাই পরিচয় দেওয়া এই দীপের ডাকেই নিখোঁজ হওয়ার আগে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হেফাজতে নেওয়ার পর রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর।

তদন্তসংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ সুপার জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তুরাগের পাড়ে কথা বলছিলেন তারা। এ সময় কিছু লোক আমাদের ধাওয়া করে। তখন তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং দীপ পালিয়ে যান।

বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল জানান, দীপ হেফাজতে নেওয়ার পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা হচ্ছে না।

এদিকে তুরাগ নদের তাহসিফের ভাসমান লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে টঙ্গী পশ্চিম থানার অধীন মাজার বস্তি এলাকায় নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। দুটি স্থানই তুরাগ নদের সঙ্গে সংযুক্ত।
পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ এক বার্তায় নিশ্চিত করেন, তুরাগ নদ থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেছে এবং এটি তাহসিফের কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।

পিবিআইয়ের অন্য এক পুলিশ সুপার জানান, দীপের দেখানো তথ্যের ভিত্তিতেই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। নম্বরপ্লেট না থাকায় মালিকানা যাচাই চলছে। তবে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাহসিফও ঘর থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন।

এদিকে চাঞ্চল্যকর আরেক তথ্য পাওয়া গেছে তাহসিফের ভবনের দারোয়ানের কাছ থেকে। দারোয়ানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাতে দীপের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। তবে রাত আড়াইটার দিকে দীপ একাই বাসায় ফেরেন। এ সময় তাহসিফ তার সঙ্গে ছিলেন না।

দারোয়ানের দাবি, বাসায় ফেরার পর দীপের আচরণেও কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। তিনি চোখাচোখি করে কথা বলছিলেন না এবং মিটিমিটি হাসছিলেন। দারোয়ানের এই বক্তব্য তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিমের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দীপের ফোন পেয়েই বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের মোবাইলে একটি বার্তা পাঠিয়ে তাহসিফ জানান, তিনি বাড়ি ফিরছেন। এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ মিলছিল না।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলা থেকে দীপকে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে।

মূলত, তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর আগে বাসার নিচে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা বলা ও হাত মেলানোর একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার ওই সিসিটিভি ফুটেজে সবুজ পাঞ্জাবি পরা তাহসিফকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে ও হাত মেলাতে দেখা যায়।

তাহসিফের পরিবারের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে তার ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপ হিসেবে শনাক্ত করেন। ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের একটি গ্যারেজের সামনে তাহসিফের সঙ্গে ওই ব্যক্তির দেখা হয়। হাত মেলানোর পর তারা আলাদা দুটি মোটরসাইকেলে সেখান থেকে চলে যান।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীপের ডাকে সাড়া দিয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। পরে দীপ জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা থাকায় তারা ওয়ার্কশপে যান। মোটরসাইকেল ঠিক করার পর তারা বাসায় ফিরে খাবার খান। এরপর সেখান থেকে চলে যান বলে দাবি করেন দীপ। তবে তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দীপের ভূমিকা কী, তা তদন্তসাপেক্ষ।

এর আগে, ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন। হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে মরদেহটি তাহসিফ সাউরির বলে শনাক্ত করা হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা ৩৫ মিনিটে উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তাহসিফের মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ। তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিমের আশঙ্কা, তার ছেলেকে হত্যার করা হয়েছে।