ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

আদিতমারীতে আলোচিত শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার আসামী বিধানের মা গ্রেফতার

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় আলোচিত শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৩ নং আসামীকে লালমনিহাট সদর থানা ও আদিতমারী থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে।

সোমবার (২৯ জুন) রাতে লালমনিহাট সদর থানার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কালির পাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামী হলেন, উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী এলাকার রণজিৎ চন্দ্র বর্মণের স্ত্রী এবং আলোচিত নন্দিনী হত্যা মামলার প্রধান আসামী বিধানের মা শ্রীমতি মমতা রানী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে গত ১৬ জুন ব্র্যাকের ১ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী নন্দিনী রাণী নিখোঁজ হওয়ার পরদিন ১৭ জুন একটি ভুট্টাখেত থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। সেই সন্দেহে বিধানের বাড়িতে যান স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। তারা ওই বাড়ি ভাংচুর করে ভিতরে প্রবেশ করে আত্নগোপনে থাকা বিধানকে আটক করে। তখন ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ বিধানকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।এ ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী বিধান চন্দ্র বর্মণের বাড়ীঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। আসামী বিধান চন্দ্র বর্মণ ও তার বাবা রণজিৎ চন্দ্র বর্মণকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় এলকার বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় তারা পুলিশের উপর ইট,পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং জেলা প্রসাশকসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর ৪ টি গাড়ী ভাংচুর করে। এতে ওসিসহ ৩৭ পুলিশ সদস্য জন আহত হয়। এলাকা একটা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে ৩ রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোরা হয়।

নন্দিনী হত্যার ঘটনায় তার বাবা নলিনী বর্মন বাদী হয়ে ৩ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গ্রেফতার পিতা-পুত্রকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। অন্যদিকে বিধান চন্দ্রের মা মমতা রাণীকে থাকে।
অপরদিকে ১৮ জুন সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে ঐ হাট-বাজার ও বাড়ীতে পুরুষ শুন্য থাকতে দেখাগেছে।

আদিতমারী থানার ওসি নাজমুস সাকিব সজীব জানান, আলোচিত নন্দিনী হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামী মমতা রানীকে লালমনিহাট সদর থানা ও আদিতমারী থানা পুলিশ যৌথ অভিযান করে গ্রেফতার করে। আসামিকে মঙ্গলবার দুপুরে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

ইতিহাসের এই দিনে : ০১ জুলাই ২০২৬ইং

আদিতমারীতে আলোচিত শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার আসামী বিধানের মা গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় আলোচিত শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৩ নং আসামীকে লালমনিহাট সদর থানা ও আদিতমারী থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

সোমবার (২৯ জুন) রাতে লালমনিহাট সদর থানার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কালির পাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামী হলেন, উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী এলাকার রণজিৎ চন্দ্র বর্মণের স্ত্রী এবং আলোচিত নন্দিনী হত্যা মামলার প্রধান আসামী বিধানের মা শ্রীমতি মমতা রানী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে গত ১৬ জুন ব্র্যাকের ১ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী নন্দিনী রাণী নিখোঁজ হওয়ার পরদিন ১৭ জুন একটি ভুট্টাখেত থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। সেই সন্দেহে বিধানের বাড়িতে যান স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। তারা ওই বাড়ি ভাংচুর করে ভিতরে প্রবেশ করে আত্নগোপনে থাকা বিধানকে আটক করে। তখন ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ বিধানকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।এ ঘটনার পর উত্তেজিত এলাকাবাসী বিধান চন্দ্র বর্মণের বাড়ীঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। আসামী বিধান চন্দ্র বর্মণ ও তার বাবা রণজিৎ চন্দ্র বর্মণকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় এলকার বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় তারা পুলিশের উপর ইট,পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং জেলা প্রসাশকসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর ৪ টি গাড়ী ভাংচুর করে। এতে ওসিসহ ৩৭ পুলিশ সদস্য জন আহত হয়। এলাকা একটা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে ৩ রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোরা হয়।

নন্দিনী হত্যার ঘটনায় তার বাবা নলিনী বর্মন বাদী হয়ে ৩ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গ্রেফতার পিতা-পুত্রকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। অন্যদিকে বিধান চন্দ্রের মা মমতা রাণীকে থাকে।
অপরদিকে ১৮ জুন সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে ঐ হাট-বাজার ও বাড়ীতে পুরুষ শুন্য থাকতে দেখাগেছে।

আদিতমারী থানার ওসি নাজমুস সাকিব সজীব জানান, আলোচিত নন্দিনী হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামী মমতা রানীকে লালমনিহাট সদর থানা ও আদিতমারী থানা পুলিশ যৌথ অভিযান করে গ্রেফতার করে। আসামিকে মঙ্গলবার দুপুরে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।