ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি, নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করছে বন্যার পানি

উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। যদিও এখনো বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পানির চাপ মোকাবিলায় ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এরআগে সোমবার (২২ জুন) রাত ৯টার দিকে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২.১৫) ১০ সেন্টিমিটার এবং গত শনিবার (২০ ‍জুন) বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।

এদিকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরবেষ্টিত ফসলি জমিগুলো পুনরায় তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। সোমবার রাত থেকে হঠাৎ করে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিমলা উপজেলার তিস্তা পাড়ের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়র ঝাড়সিংহেশ্বর চর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে রাতেই বন্যার পানি নিম্নাঞ্চলে অনেক এলাকায় প্রবেশ করেছে। বড় ধরণের বন্যা আসলে দ্রুত নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, গত তিনদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি-হ্রাস পাচ্ছে। এতে চরবেষ্টিত ফসলি জমিগুলো পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সর্তকীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার (৫২.১৫) ৫ সেন্টিমিটার (৫২.১০) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। দিন বাড়ার সঙ্গে সকাল ৯টায় ৫ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় আরও ৫ সেন্টিমিটার কমে এসে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এর আগে সোমবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় পানি ৫১ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। এদিন দুপুর ১২টায় পানি আরও দুই সেন্টিমিটার কমে ৫১.৭৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত একই লেভেলে ছিল। তবে ৩ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ৫১.৯৮ সেন্টিমিটার (বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। যা আরও তিন ঘণ্টায় ৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে রাত ৯টায় ৫২.০৫ সেন্টিমিটার (বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। গতকাল ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে তিস্তা নদীর পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপদসীমার ৫ ও সকাল ৯টায় পানি ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বর্তমানে পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খোলা রয়েছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৩ জনের মৃত্যু

তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি, নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করছে বন্যার পানি

আপডেট সময় ০৩:১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। যদিও এখনো বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পানির চাপ মোকাবিলায় ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

এরআগে সোমবার (২২ জুন) রাত ৯টার দিকে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২.১৫) ১০ সেন্টিমিটার এবং গত শনিবার (২০ ‍জুন) বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।

এদিকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরবেষ্টিত ফসলি জমিগুলো পুনরায় তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। সোমবার রাত থেকে হঠাৎ করে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিমলা উপজেলার তিস্তা পাড়ের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়র ঝাড়সিংহেশ্বর চর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে রাতেই বন্যার পানি নিম্নাঞ্চলে অনেক এলাকায় প্রবেশ করেছে। বড় ধরণের বন্যা আসলে দ্রুত নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, গত তিনদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি-হ্রাস পাচ্ছে। এতে চরবেষ্টিত ফসলি জমিগুলো পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সর্তকীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার (৫২.১৫) ৫ সেন্টিমিটার (৫২.১০) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। দিন বাড়ার সঙ্গে সকাল ৯টায় ৫ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় আরও ৫ সেন্টিমিটার কমে এসে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এর আগে সোমবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় পানি ৫১ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। এদিন দুপুর ১২টায় পানি আরও দুই সেন্টিমিটার কমে ৫১.৭৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত একই লেভেলে ছিল। তবে ৩ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ৫১.৯৮ সেন্টিমিটার (বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। যা আরও তিন ঘণ্টায় ৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে রাত ৯টায় ৫২.০৫ সেন্টিমিটার (বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। গতকাল ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে তিস্তা নদীর পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপদসীমার ৫ ও সকাল ৯টায় পানি ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বর্তমানে পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খোলা রয়েছে।