বুধবার , ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আজকের আবহাওয়া পূর্বাভাস
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আপনার স্বাস্থ্য
  5. ইতিহাসের এই দিনে
  6. উত্তরাঞ্চলের খবর
  7. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  8. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরির খবর
  11. দেশ প্রতিদিন
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রতিদিনের কথা
  15. প্রতিদিনের রাশিফল

হাতীবান্ধায় একই পরিবারে মা, মেয়ে দুজনেই স্বামী হারা কারোও ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক কিংবা বিধাব ভাতা

প্রতিবেদক
admin2022
জানুয়ারি ১৬, ২০১৯ ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি-লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার এক পল্লীতে একই পরিবারে মা,মেয়ে দুজনেই স্বামী হারা সন্তানদি নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করলেও কারোও ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক কিংবা বিধাব ভাতা।

জানাগেছে, কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার চরবজড়া গ্রামের বাসিন্দা। নুর মোহাম্মদ ব্রম্মনপুত্র নদীর কবলে পত্রিক ভিটে মাটি সর্বস্থ হারিয়ে স্ত্রী ও একমাত্র মেয়ে নুরিমা খাতুনকে সাথে নিয়ে আশ্রয়ের সন্ধানে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিন গড্ডিমারী গ্রামে আসেন। এবং জৈনিক ইউনুছ আলীর বাড়ীতে প্রাথমিক আশ্রয় নিয়ে মজুরী শ্রম বিক্রি করে জীবন যুদ্ধ শুরু করেন। ভার্গ্যের নির্মম পরিহাস সেখানে তার আশ্রয় টিকেনি। ফলে রেল লাইনের ধারে রেলের জমিতে আশ্রয় নিয়ে একটি মাথা গোজার ঠাই করে জীবন যুদ্ধ চলার এক পর্যায়ে একমাত্র মেয়ে নুরিমা বেগমকে একই গ্রামের আঃ গফুর ভিডিপি কমান্ডারের সাথে বিবাহ দিয়ে ঘর জামাই হিসাবে ওই পরিবারের সদস্য হয়। কিন্তু বিধি বাম হওয়ায় বছর যেতে না যেতে নুর মোহাম্মদ শেষ বিদায় নিয়ে চলে যায় পৃথীবি থেকে। পরবর্তিতে বিধবা শাশুরী রমিচা বেওয়া সহ মেয়ে জামাই একই অন্নে বসবাসের মধ্যে মেয়ে নুরীমা এক ছেলে ও এক মেয়ের মা হয়। এমনিবস্থায় গত-১৮/১১/১৮ তারিখে আঃ গফুর কমান্ডার এর আর্কর্ষীক মৃত্যু হয়। ফলে একই পরিবারে মা মেয়ে দুজনই বিধাব হয়। পরিতাপের বিষয় তাদের কোনরুপ সহয় সম্বল ভিটেমাটি কিছুই নেই। এমতাবস্থায় দুই বিধবা অন্যের বাড়ীতে ঝি এর কাজ করে ছেলে মেয়েসহ মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকে। এ দৃশ্য যেন কারোও চোখে পড়ে না। অবিশ্বাস হলেও সত্য যে,একই পরিবারে মা মেয়ে দুজনই স্বামীহারা হয়ে সন্তানদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলেও কারোও ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা। গত-রবিবার সরজমিনে রমিচা এ প্রতিনিধি কে জানায়, স্বামী হারা অবস্থায় ১০ বছর গত হওয়ার পর মেয়ে নুরিমাও স্বামী হারা হয়েছে কিন্তু আমাদের কষ্টের কথা কেউ ভাবেনি। ফলে কোনরুপ সরকারী ত্রান সাহায্য আজও ভাগ্যে জোটেনি।

সর্বশেষ - ফিচার