শনিবার , ৫ জানুয়ারি ২০১৯ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আজকের আবহাওয়া পূর্বাভাস
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আপনার স্বাস্থ্য
  5. ইতিহাসের এই দিনে
  6. উত্তরাঞ্চলের খবর
  7. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  8. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরির খবর
  11. দেশ প্রতিদিন
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রতিদিনের কথা
  15. প্রতিদিনের রাশিফল

রংপুরে প্রচন্ড ঠান্ডায় আগুন পোহাতে গিয়ে ৩ দিনে দুজনের মৃত্যু, দগ্ধ ১২

প্রতিবেদক
admin2022
জানুয়ারি ৫, ২০১৯ ১২:০৮ অপরাহ্ণ

বিজয় ডেস্ক : প্রচণ্ড শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে রংপুরে গত বছরের মত এবছরও আগুন পোহাতে গিয়ে ৩ দিনে দুজনের মৃত্যু, দগ্ধ ১২

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে গত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ৩ দিনে ২ নারীর মৃত্যু হয়েছে। যারা দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন তারা হলেন- লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রাজিয়া বেগম (২৭) এবং একই জেলার আদিতমারী উপজেলার মোমেনা বেগম (৩২)।

বর্তমানে হাসপাতালে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন কমপক্ষে আরো ১২ জন। এদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া এদের মধ্যে গুরুতর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রংপুর অঞ্চলে গত এক সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ৫ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন তারা। বিশেষ করে আগুন পোহানোর সময় অসাবধানতাবশত শাড়ির আঁচলে কিংবা কাপড়ে আগুন ধরে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হচ্ছেন নারী ও শিশুরা। অগ্নিদগ্ধ নারী ও শিশুদের আহাজারি আর তাদের স্বজনদের কান্নায় বার্ন ইউনিটে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বার্ন ইউনিটে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী এলাকার অগ্নিদগ্ধ লাবন্য বেগম জানান, তীব্র শীতের হাত থেকে বাঁচতে ধানের খড় দিয়ে আগুন পোহাতে গিয়ে তার পড়নের কাপড়ের পেছনে আগুন লেগে যায়। এতে করে তার কোমরের নিচ থেকে পা পর্যন্ত ঝলসে যায়। প্রায় একই ধরণের কথা জানালেন রংপুরের মমিনপুর গ্রামের এলাকার জরিনা বেগম।

রমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, বার্ন ইউনিটে বেড রয়েছে ২ টি। কিন্তু বর্তমানে এখানে ৫০ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন রোগী আসছে। এদের অনেককে অন্য ওয়ার্ডে রেফার্ড করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, গতবছর শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে কমপক্ষে ১৬ জন মারা গিয়েছে। এছাড়া দগ্ধ হয়েছিল কমপক্ষে ৫০ জন। এবারো ওই ধরনের অগ্নিদগ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অসাবধানতা থেকেই এ অঘটন ঘটছে।

সর্বশেষ - ফিচার