শুক্রবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আজকের আবহাওয়া পূর্বাভাস
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আপনার স্বাস্থ্য
  5. ইতিহাসের এই দিনে
  6. উত্তরাঞ্চলের খবর
  7. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  8. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরির খবর
  11. দেশ প্রতিদিন
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রতিদিনের কথা
  15. প্রতিদিনের রাশিফল

কিংবদন্তি নির্মাতা আমজাদ হোসেন মারা গেছেন

প্রতিবেদক
admin2022
ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮ ৫:০৫ অপরাহ্ণ

বিজয় ডেস্ক: দেশীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নির্মাতা আমজাদ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। ব্যংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। নির্মাতা এস এ হক অলীক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সময়টি ঠিক বলতে পারছি না।

তবে খবরটা আমিও একটু আগে পেয়েছি। উনার বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। দোদুল এখন ঢাকায়।

অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল আমাদের ইন্ডাস্ট্রির। উনার শূন্যতা কেউ পূরণ করতে পারবে না। উল্লেখ্য, দেশে গুরুতর অসুস্থ হওযার পর রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতাল থেকে অভিনয়শিল্পী ও বরেণ্য পরিচালক আমজাদ হোসেনকে গত ২৭শে নভেম্বর ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল।

আমজাদ হোসেনের জন্ম ১৯৪২ সালের ১৪ই আগস্ট, জামালপুরে। শৈশব থেকেই তার সাহিত্যচর্চা শুরু। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চার সঙ্গে জড়িত হন। প্রথমেই তিনি অভিনয়ে নিজেকে তুলে ধরেন মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ চলচ্চিত্রে। এর পরপরই তিনি অভিনয় করেন মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে। এরপরের ইতিহাস একেবারেই অন্যরকম। সালাহ উদ্দিন আমজাদ হোসেনের লেখা নাটক ‘ধারাপাত’ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এতে আমজাদ হোসেন নায়ক হিসেবে অভিনয়ও করেন। এরপর তিনি জহির রায়হানের ইউনিটে কাজ শুরু করেন। এভাবেই দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে ১৯৬৭ সালে তিনি নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। নাম ‘জুলেখা’। এরপর নূরুল হক বাচ্চুর সঙ্গে যৌথভাবে নির্মাণ করেন ‘দুই ভাই’। তার পরিচালিত ব্যাপক দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে ‘বাল্যবন্ধু’, ‘পিতাপুত্র’, ‘এই নিয়ে পৃথিবী’, ‘বাংলার মুখ’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘ভাত দে’, ‘হীরামতি’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘কাল সকালে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’, ‘গোলাপী এখন বিলেতে’ ইত্যাদি। গুণী এই পরিচালক ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারেও ভূষিত করে।

Related image

সর্বশেষ - ফিচার

আপনার জন্য নির্বাচিত