বৃহস্পতিবার , ২৯ নভেম্বর ২০১৮ | ২২শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আজকের আবহাওয়া পূর্বাভাস
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আপনার স্বাস্থ্য
  5. ইতিহাসের এই দিনে
  6. উত্তরাঞ্চলের খবর
  7. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  8. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরির খবর
  11. দেশ প্রতিদিন
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রতিদিনের কথা
  15. প্রতিদিনের রাশিফল

যে দলেরই হোক, প্রার্থীকে সমানভাবে দেখতে হবে: সিইসি

প্রতিবেদক
admin2022
নভেম্বর ২৯, ২০১৮ ১২:৫১ অপরাহ্ণ

বিজয় ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আপনারা সবার প্রতি সমান আচরণ করবেন। তাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীকে প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রার্থী দলীয় পরিচয় গুরুত্ব পাবে না। তিনি যে দলেরই হোক না কেন, তাকে সমানভাবে দেখতে হবে। কোনো পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে সিইসি বলেন, একজন প্রার্থী যখন নির্বাচনের মাঠে নামবেন তখন তাকে কেবল একজন প্রার্থী হিসেবে দেখতে হবে। প্রার্থীরা যখন থেকে নির্বাচনের মাঠে যাবেন তখন থেকে তার পরিচয় প্রার্থী। তখন আর দল বা একক ব্যক্তির কোনো পরিচয় নেই। তিনি শুধু একটি মার্কা বা প্রতীকের প্রার্থী। ফলে তিনি যেই হন না কেন, যে দলেরই হন না কেন তাকে অন্য সবার সাথে সমানভাবে দেখতে হবে।

এবারের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে, এমন আশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের সকলের প্রত্যাশা ছিল এবার দেশে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। সেই আশা পূরণ হয়েছে। এবার প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে ও বজায়ও থাকবে।

প্রভাবশালী প্রার্থীরাও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে প্রার্থীতা জমা দিয়েছেন উল্লেখ করেন সিইসি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি অনেক প্রভাবশালী প্রার্থী তারা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে আবেদন জমা দিয়েছেন। প্রার্থীর সঙ্গে পাঁচজনের বেশি লোক ভেতরে গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, কেউ সেটি লঙ্ঘন করেনি।

তিনি বলেন, তারা প্রত্যেকেই চারজন, পাঁচজন, ছয়জন, সাতজনের বেশি লোক নিয়ে ভেতরে ঢোকেনি। বাইরে হয়তো তাদের কিছু সমর্থক এসেছিল। সেটা অফিসের বাইরে। একজন প্রার্থীর সমর্থক থাকতেই পারে। সেগুলো মোটর শোভাযাত্র, গাড়িসহ যাত্রা বা শোডাউনের পর্যায়ে পড়ে না।

তিনি আরো বলেন, এখন বিশ্বাস করার সুযোগ ও সময় এসেছে যে, এই দেশে যারা রাজনীতি করেন, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তারা নির্বাচনের আইন, আচরণবিধি মেনে এবং আপনারা মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করবেন তাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করার মাধ্যমে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।

নুরুল হুদা বলেন, বুধবার সারাদেশে ৩০০ আসনে ৩ হাজার ৫৬ জনের মনোনয়ন ফরম দাখিল হয়েছে। যা রেকর্ড সংখ্যক। এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে যে স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার যে প্রত্যয়, তারই প্রতিফলন ৩ হাজার ৫৬ জনের মনোনয়ন দাখিল।

এ সময় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

প্রশিক্ষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, এখন প্রশিক্ষণ পাওয়া ব্যক্তিরা মাঠে গিয়ে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বপালন করলে নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হবে, অবশ্যই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে, অবশ্যই নির্বাচনে ভোটারদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটবে বলে আমি বিশ্বাস করি, আশা করি।

অনুষ্ঠানে নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন। দিনব্যাপী কর্মশালায় ৪ শতাধিক সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেবে নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ - ফিচার