বুধবার , ১৮ এপ্রিল ২০১৮ | ২২শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আজকের আবহাওয়া পূর্বাভাস
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আপনার স্বাস্থ্য
  5. ইতিহাসের এই দিনে
  6. উত্তরাঞ্চলের খবর
  7. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  8. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরির খবর
  11. দেশ প্রতিদিন
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রতিদিনের কথা
  15. প্রতিদিনের রাশিফল

অনলাইনে পতিতাবৃত্তির ‘ভয়ঙ্কর ফাঁদ’

প্রতিবেদক
admin2022
এপ্রিল ১৮, ২০১৮ ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

বিজয় ডেস্ক: ভাবুনতো এমন একটি অবস্থার কথা! সভ্যতার এই যুগে অনলাইনে পতিতাবৃত্তির ভয়ঙ্কর ফাঁদ ফেলে অর্থ উপার্জন করছে কিছু দালাল। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পেজ খুলে পতিতাবৃত্তির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনই একজনকে আটক করেছেন পুলিশ।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান বিবিসিকে বলেছেন, মাহতাব রফিক নামে এক ব্যক্তি অনলাইন ওয়েবসাইট এবং সামাজিক মাধ্যমে পেজ খুলে পতিতাবৃত্তির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। আর এ ধরনের ৮টি গ্রুপ এবং ৬টি পেজ খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। যেগুলোর অ্যাডমিন ছিলেন রফিক।

পেজগুলোতে বিজ্ঞাপনের মতো বিভিন্ন বয়সী মেয়েদের প্রোফাইল এবং যৌন উদ্দীপক ছবি দেয়া হতো। খরিদ্দাররা অনলাইনে প্রোফাইল দেখে তাদের আগ্রহ জানাতেন। এতে অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করা হতো। আর এসব গ্রুপে সহজে সবাই ঢুকতে পারতেন না।

ডেপুটি কমিশনার জানান, মাস দুয়েক আগে বিবিসির একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে তারা অনলাইনে ঢাকায় ‘স্কোয়াট সার্ভিস’ অর্থাৎ সঙ্গী সরবরাহের ব্যবসা চালানোর বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। আর এতে করে পুলিশ বেশকিছু সাইট এবং সামাজিক মাধ্যমে পেজের সন্ধান পায় যেগুলোর মাধ্যমে যৌনকর্মী সরবরাহের বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছিল। এসব পেজ খুলে পতিতা সরবরাহের সার্ভিস যেমন দেয়া হচ্ছিল, একইসাথে আগ্রহী খরিদ্দারদের ব্ল্যাকমেইলও করা হচ্ছিল।

এসবের সাথে জড়িত থাকার জন্য পুলিশ সেসময় সাত জনকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা এবং পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে। তিনি বলেন, এরপরও অনুসন্ধান অব্যাহত থাকে, যার ফলে সোমবার মাহতাব রফিককে আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আর এসব সাইট কারা ব্যবহার করছে, এই ব্যবসার সাথে কারা জড়িত- পুরো চক্রকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রফিক জানিয়েছে, তিনি ব্রিটেন থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে দেশে গিয়ে গার্মেন্টস ব্যবসা করতেন। তিনি চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের একজন সদস্য বলেও দাবি করেছেন। পুলিশ তার এইসব বক্তব্য পরীক্ষা করে দেখছে।

সর্বশেষ - ফিচার