সোমবার , ১২ মার্চ ২০১৮ | ২৩শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. আইন ও অপরাধ
  2. আজকের আবহাওয়া পূর্বাভাস
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আপনার স্বাস্থ্য
  5. ইতিহাসের এই দিনে
  6. উত্তরাঞ্চলের খবর
  7. উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
  8. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরির খবর
  11. দেশ প্রতিদিন
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রতিদিনের কথা
  15. প্রতিদিনের রাশিফল

কর দিতে চায় না, ব্যবসায়ীদের লোভটা অত্যন্ত বেশি: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদক
admin2022
মার্চ ১২, ২০১৮ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ

বিজয় ডেস্ক: বিনা মাশুলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করতে চাওয়ার প্রবণতার সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের লোভ অত্যন্ত বেশি’।

তিনি আরো বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কর দিতে চায় না। এটা বিশ্বে কোথাও নেই। ’

আজ রবিবার অর্থমন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বিসিএস (কাস্টমস এন্ড ভ্যাট) অ্যাসোসিয়েশন ও বিসিএস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন অর্থমন্ত্রী।

চলতি অর্থবছর থেকেই সব পণ্য ও সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে সংসদে আওয়ামী লীগের সদস্যদের সমালোচনা এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুপারিশের পর এই আইনের বাস্তবায়ন দুই বছর পিছিয়ে দেন অর্থমন্ত্রী।

সম্প্রতি ভ্যাট বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগে নিয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে এফবিসিসিআইয়ের কাছে। কিন্তু তা নিয়ে ব্যবসায়ীরা যে খুশি নন।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দে ডোন্ট ওয়ান্ট টু পে, নিজের পকেট থেকে পয়সা পৃথিবীর কেউ দিতে চায় না। আমাদের দেশে একটু বেশি, লোভটা অত্যন্ত বেশি। সবাই বিনা মাশুলে ব্যবসা করতে চায়… তারা কোনো ট্যাক্স দিতে চায় না।’

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, আগামীতে যে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হবে তাতে ভ্যাটের দুই রকম হার থাকবে।

মুহিত বলেন, ৫০ হাজার ইসিআর মেশিন আমদানি করা হচ্ছে। যেসব ব্যবসায়ীরা এসব মেশিন ব্যবহার করবে তাদের ভ্যাটের উপর ২ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে। তিনি এনবিআরকে অনলাইনে ভ্যাট আদায়ে জোরদার করার তাগিদ দেন।

সাংবাদিকদের অন্য প্রশ্নের জবাবে মুহিত জানান, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ থেকে ১২ শতাংশ কম। তবে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ‍রাজস্ব আদায় হয়ে যাবে বলে আশাবাদী তিনি।

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়নের হার ৩৫ শতাংশ জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, তিনি আশা করছেন অর্থ বছর শেষে এটি ৯৩ শতাংশ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী তিনি।

সর্বশেষ - ফিচার