ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশন গুলোতে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিনটি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালক ও সাধারণ গ্রাহকরা। তবে জাতীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
‎সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় হাতীবান্ধা উপজেলার মেসার্স ডি.এস. ফিলিং স্টেশন, মেসার্স হাতীবান্ধা ফিলিং স্টেশন ও মেসার্স বড়খাতা ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, তিনটি স্টেশনেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
‎মেসার্স হাতীবান্ধা ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মো. জালাল উদ্দিন জানান, “ইরানের যুদ্ধের কারণে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। আমাদের তেল পরিবহনের গাড়িও ডিপোতেই আটকে আছে।”
‎অন্যদিকে, ডি.এস. ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষ উদয় বলেন, “আমাদের মজুত তেল শেষ হয়ে গেছে। ডিপো থেকে নতুন করে কোনো সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। কবে তেল পাব, সে বিষয়েও কোনো নিশ্চয়তা নেই।”
‎এ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে ভিন্ন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এক বার্তায় জানিয়েছেন, দেশের কোথাও জ্বালানি তেলের সংকট নেই এবং পাম্পগুলোতে স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
‎এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ৩১ দিনের ডিজেল, ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রোল, ২০ দিনের জেট জ্বালানি এবং ২৫ দিনের ফার্নেস অয়েল মজুত আছে।
‎জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী এক জরুরি ব্রিফিংয়ে বলেন, একটি মহল কৃত্রিম সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে। বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন এবং আগামী আগস্টে আরও ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে পৌঁছাবে। ফলে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তবে জাতীয় পর্যায়ে সংকট না থাকার দাবি থাকলেও হাতীবান্ধার তিনটি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে-এটি সরবরাহ ব্যবস্থার সাময়িক সমস্যা, নাকি স্থানীয় পর্যায়ের অন্য কোনো জটিলতা। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।‎

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ ইউরোপ ইউরোপা লিগ, দ্বিতীয় বাছাইপর্বের পরিসংখ্যান ও লাইভ স্কোর

হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশন গুলোতে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশন গুলোতে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

আপডেট সময় ১০:৫২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিনটি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালক ও সাধারণ গ্রাহকরা। তবে জাতীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
‎সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় হাতীবান্ধা উপজেলার মেসার্স ডি.এস. ফিলিং স্টেশন, মেসার্স হাতীবান্ধা ফিলিং স্টেশন ও মেসার্স বড়খাতা ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, তিনটি স্টেশনেই পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে।
‎মেসার্স হাতীবান্ধা ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মো. জালাল উদ্দিন জানান, “ইরানের যুদ্ধের কারণে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। আমাদের তেল পরিবহনের গাড়িও ডিপোতেই আটকে আছে।”
‎অন্যদিকে, ডি.এস. ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষ উদয় বলেন, “আমাদের মজুত তেল শেষ হয়ে গেছে। ডিপো থেকে নতুন করে কোনো সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। কবে তেল পাব, সে বিষয়েও কোনো নিশ্চয়তা নেই।”
‎এ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে ভিন্ন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এক বার্তায় জানিয়েছেন, দেশের কোথাও জ্বালানি তেলের সংকট নেই এবং পাম্পগুলোতে স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
‎এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ৩১ দিনের ডিজেল, ৩৬ দিনের অকটেন, ২০ দিনের পেট্রোল, ২০ দিনের জেট জ্বালানি এবং ২৫ দিনের ফার্নেস অয়েল মজুত আছে।
‎জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী এক জরুরি ব্রিফিংয়ে বলেন, একটি মহল কৃত্রিম সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে। বাস্তবে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন এবং আগামী আগস্টে আরও ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে পৌঁছাবে। ফলে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তবে জাতীয় পর্যায়ে সংকট না থাকার দাবি থাকলেও হাতীবান্ধার তিনটি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে-এটি সরবরাহ ব্যবস্থার সাময়িক সমস্যা, নাকি স্থানীয় পর্যায়ের অন্য কোনো জটিলতা। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।‎

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন