ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদ মোবারক

শিগগিরই ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করছে সরকার

  • নিউজ বিজয় ডেস্ক :-
  • প্রকাশিত সময় :- ০২:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২২৫ পড়া হয়েছে। নিউজবিজয় ২৪.কম-১৫ ডিসেম্বরে ৯ বছরে পর্দাপন

ইটভাটা নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের একটি কর্মসূচি আছে জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, সরকার অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিষয়ে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেবে। প্রাথমিক ভাবে ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করার প্রক্রিয়াা শুরু করেছি।’ শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনী সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ইটভাটাগুলো শুধু বন্ধ নয়, যাতে পরবর্তীতে আর চালু না হতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা না নিয়ে ভাটা বন্ধ করি, পরে আবার চালুও করা হয়।

সাবের হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, ফেনীর ইটভাটাগুলো নিয়ে আমি যতটুকু জানি। যখন ভাটাগুলো স্থাপন করা হয়, তখন কোনো বসতি আশপাশে ছিল না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। এখন হয়ে গেছে। এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা আশা করব, এখানে যারা ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে যাবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা কয়টা ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করলাম, এখন আমরা এই আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাইব, সবগুলো ভাটা বন্ধ হয়ে যাক। সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরী শুরু করুক। ব্লকের দুইটা সুবিধা আছে, একটা হচ্ছে এখানে কোনো কৃষি মাটির ব্যবহার হবে না, আরেকটা হচ্ছে ব্লক তৈরিতে কোনো বায়ু দূষণ হয় না।’

নদী দখল ও দূষণের বিষয়ে অপর প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সরকার জলদার রক্ষায় ডিজিটাল ম্যাপিং করছে। এর মাধ্যমে আমাদের সবগুলো, নদী, জমি, খাল ও জলদার সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে পারব। এরপর এর মনিটরিংটা আমরা ভালোভাবে করতে পারব। দূষণের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কোন স্থানে কি পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়, আমাদের পৌরসভার সক্ষমতা কি? এসব বিবেচনা করে বর্জ্য রিসাইকিলিংয়ের ব্যবস্থাপনা করে যাচ্ছি। এসব বিষয় নিয়ে শুধু সমস্যার কথা বলতে চাইনা। সমাধানে কাজ করতে চাই।

এ সময় বন বিভাগের পরিচালক (ভূমি পরিমাপ) আনিস মাহমুদ, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শওকত আরা কলিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

নাটোরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ!

শিগগিরই ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করছে সরকার

প্রকাশিত সময় :- ০২:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ইটভাটা নিয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের একটি কর্মসূচি আছে জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, সরকার অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিষয়ে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেবে। প্রাথমিক ভাবে ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করার প্রক্রিয়াা শুরু করেছি।’ শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনী সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ইটভাটাগুলো শুধু বন্ধ নয়, যাতে পরবর্তীতে আর চালু না হতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা না নিয়ে ভাটা বন্ধ করি, পরে আবার চালুও করা হয়।

সাবের হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, ফেনীর ইটভাটাগুলো নিয়ে আমি যতটুকু জানি। যখন ভাটাগুলো স্থাপন করা হয়, তখন কোনো বসতি আশপাশে ছিল না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। এখন হয়ে গেছে। এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা আশা করব, এখানে যারা ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে যাবেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা কয়টা ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করলাম, এখন আমরা এই আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাইব, সবগুলো ভাটা বন্ধ হয়ে যাক। সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরী শুরু করুক। ব্লকের দুইটা সুবিধা আছে, একটা হচ্ছে এখানে কোনো কৃষি মাটির ব্যবহার হবে না, আরেকটা হচ্ছে ব্লক তৈরিতে কোনো বায়ু দূষণ হয় না।’

নদী দখল ও দূষণের বিষয়ে অপর প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সরকার জলদার রক্ষায় ডিজিটাল ম্যাপিং করছে। এর মাধ্যমে আমাদের সবগুলো, নদী, জমি, খাল ও জলদার সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে পারব। এরপর এর মনিটরিংটা আমরা ভালোভাবে করতে পারব। দূষণের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কোন স্থানে কি পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়, আমাদের পৌরসভার সক্ষমতা কি? এসব বিবেচনা করে বর্জ্য রিসাইকিলিংয়ের ব্যবস্থাপনা করে যাচ্ছি। এসব বিষয় নিয়ে শুধু সমস্যার কথা বলতে চাইনা। সমাধানে কাজ করতে চাই।

এ সময় বন বিভাগের পরিচালক (ভূমি পরিমাপ) আনিস মাহমুদ, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শওকত আরা কলিসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন