ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রৌমারী মুক্তা লের মানুষ গুলোর ভাগ্যের পরিবর্তন কবে হবে একমাত্র ভরসা বাশেঁর সাকোঁ

পূর্বে ভারত পশ্চিমে ব্রক্ষপুত্রর নদ দ্বারা বিছিন্নজনপদে বসবাস করছেন রৌমারী ও রাজিবপুরের প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ।
এরমধ্যে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের যুদ্ধের সময় মুক্তা ল ছিলো কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলাটিতে হানাদার বাহিনির হায়নাররা প্রবেশ করতে পারেননি। ততকালিন যুদ্ধর সময় রৌমারী সিজি জামান উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামক স্থানে ৬৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণে অংগ্রহণ করেছিলেন। রৌমারী সিজি জামান মাঠ প্রাঙ্গনে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। ৬৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এমন খবরের পাকিস্থানী হায়নাররা রৌমারী উপজেলায় প্রবেশ করার সাহস পাচ্ছিলনা। ফলে রৌমারী উপজেলাটি ৭১ সালের যুদ্ধের সময় মুক্তা ল হিসেবে ৬৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রশিক্ষনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও জানতেন। এই মুক্তা লের মানুষ গুলো এখন পর্যন্ত অসহায় শুধু যাতয়াতের উন্নয়ন না হওয়ার কারনে। উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা আলগারচর , লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বংশির ভিটা,বাগান বাড়ী, চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বিকরিবিল, খেওয়ার চর, বকবান্দা,নামা পাড়াসহ প্রায় ১০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা নিজের তৈয়ারী করা বাঁেশর সাকোঁ। মুক্তা লের মানুষ গুলোর ভাগ্যের পরির্বতন কেন হচ্ছেনা জানতে চায় বিছিন্ন এলাকার মানুষ। রাস্তাবিহিন বিছিন্নজনপদের মানুষ গুলোর অভিযোগ আর আর্থনাত কেউ যেন আমলে নিচ্ছেনা এমন অভিযোগ অনেকের। ততসময় রৌমারীর সকলস্থরের জনসাধারনরা মুক্তিযোদ্ধাদের সকলপ্রকারের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে আজ স্বাধীন বাংলাদেশ নামে সারাবিশ্বে পরিচিত লাভ করেন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। জনপ্রতিনিধিরা শুধু আশ্বাসের বানি দিয়ে ভোটের সময় ভোট নেয়,ভোট নেয়া শেষ হলে আর খবর রাখেনা এটি হচ্ছে বাস্তব চিত্র। ১০টি গ্রামে রয়েছে কয়েকহাজার হেক্টর জমি ওই জমির ফসল গুলোও ন্যায্য মূল্য থেকেও বি ত যোগাযোগ ব্যবস্তা না থাকায়। হাজার হাজার একর জমির ফসল বাশেঁর সাকোঁর উপর ভর করে বহন করতে হচ্ছে ক্ষেতের ফসল। যোগাযোগ ব্যবস্তা ভালো থাকলে একবিঘা জমির ফসল আনতে খরচা হতো ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। আর যোগাযোগের ব্যবস্তা না থাকায় বিছিন্নজনপদে একবিঘা জমির ফসল মাথায় করে বাড়ী পর্যন্ত বহন করতে খরচা হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। একারনে এঅ লের মানুষ গুলো দেশ স্বাধীনের ৫২ বছরেও আলোর মুখ দেখতে পারেননি বলেও অভিযোগ এলাকাবাসিদের। বিষয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিম উদ্দিন বলেন এই জিঞ্জিরাম নদিতে একটি ব্রীজের দাবীতে দীর্ঘ ৫০টি অতিবাহিত হলেও ব্রীজটি না পাওয়ার বেদনা থেকেই গেলো আমি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা র, সুদৃষ্টি কামনা করছি। স্কুল শিক্ষার্থী রুবি আক্তার বলেন আমরা স্কুলে যাই যাইতে আসতে অনেক সময় বইসহ ব্রীজ ভাঙ্গে পানিতে পইরা যাই সেদিন আর স্কুলে যাওয়া হয়না, আমি সরকারের কাছে একটি ব্রীজ চাই। নবম ¤্রনেীর স্কুল ছাত্র রফিকুল ইসলাম ব=জানায় প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে এই বাশেঁর সাকোঁর উপর দিয়ে যাতয়াত করতে হয় প্রায়ই সমস্যায় পরতে হয় সরকার যদি এখানে একটি টেকসই ব্রীজ করে দিতেন তাহলে এই এলাকার উন্নয়ন হতো। এমন আবেগের অভিযোগ অনেকের রয়েছে শুধু একটি ব্রীজের দাবীতে ৫২টি বছর এমনিভাবেই পেরিয়ে গেলেও আজও পর্যন্ত ভাগ্যে জোটেনি এই এলাকার জন্য একটি টেকসই ব্রীজ। উপজেলার চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা জিঞ্জিরাম নদের উপর একটি ব্রীজের দাবীতে ৫২টি বছর চরম দূর্ভোগে ১০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ এবিষয়,কুড়িগ্রাম জেলা প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা ব্রীজের খুবই প্রয়োজন এটি আমার মাথায় আছে। তবে বর্তমান কোন প্রকল্প নেই নতুন বাজেট আসছে প্রকল্প আসলেই ওখানে ব্রীজ করা হবে এমন আশ্বাস দিয়েছে জেলাএলইজিডির প্রকৌশলী
নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

 

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রশ্নই নেই : বাইডেন

রৌমারী মুক্তা লের মানুষ গুলোর ভাগ্যের পরিবর্তন কবে হবে একমাত্র ভরসা বাশেঁর সাকোঁ

প্রকাশিত সময় :- ০৭:১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩

পূর্বে ভারত পশ্চিমে ব্রক্ষপুত্রর নদ দ্বারা বিছিন্নজনপদে বসবাস করছেন রৌমারী ও রাজিবপুরের প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ।
এরমধ্যে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের যুদ্ধের সময় মুক্তা ল ছিলো কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলাটিতে হানাদার বাহিনির হায়নাররা প্রবেশ করতে পারেননি। ততকালিন যুদ্ধর সময় রৌমারী সিজি জামান উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামক স্থানে ৬৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণে অংগ্রহণ করেছিলেন। রৌমারী সিজি জামান মাঠ প্রাঙ্গনে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। ৬৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এমন খবরের পাকিস্থানী হায়নাররা রৌমারী উপজেলায় প্রবেশ করার সাহস পাচ্ছিলনা। ফলে রৌমারী উপজেলাটি ৭১ সালের যুদ্ধের সময় মুক্তা ল হিসেবে ৬৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রশিক্ষনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও জানতেন। এই মুক্তা লের মানুষ গুলো এখন পর্যন্ত অসহায় শুধু যাতয়াতের উন্নয়ন না হওয়ার কারনে। উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা আলগারচর , লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বংশির ভিটা,বাগান বাড়ী, চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা, বিকরিবিল, খেওয়ার চর, বকবান্দা,নামা পাড়াসহ প্রায় ১০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা নিজের তৈয়ারী করা বাঁেশর সাকোঁ। মুক্তা লের মানুষ গুলোর ভাগ্যের পরির্বতন কেন হচ্ছেনা জানতে চায় বিছিন্ন এলাকার মানুষ। রাস্তাবিহিন বিছিন্নজনপদের মানুষ গুলোর অভিযোগ আর আর্থনাত কেউ যেন আমলে নিচ্ছেনা এমন অভিযোগ অনেকের। ততসময় রৌমারীর সকলস্থরের জনসাধারনরা মুক্তিযোদ্ধাদের সকলপ্রকারের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে আজ স্বাধীন বাংলাদেশ নামে সারাবিশ্বে পরিচিত লাভ করেন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। জনপ্রতিনিধিরা শুধু আশ্বাসের বানি দিয়ে ভোটের সময় ভোট নেয়,ভোট নেয়া শেষ হলে আর খবর রাখেনা এটি হচ্ছে বাস্তব চিত্র। ১০টি গ্রামে রয়েছে কয়েকহাজার হেক্টর জমি ওই জমির ফসল গুলোও ন্যায্য মূল্য থেকেও বি ত যোগাযোগ ব্যবস্তা না থাকায়। হাজার হাজার একর জমির ফসল বাশেঁর সাকোঁর উপর ভর করে বহন করতে হচ্ছে ক্ষেতের ফসল। যোগাযোগ ব্যবস্তা ভালো থাকলে একবিঘা জমির ফসল আনতে খরচা হতো ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। আর যোগাযোগের ব্যবস্তা না থাকায় বিছিন্নজনপদে একবিঘা জমির ফসল মাথায় করে বাড়ী পর্যন্ত বহন করতে খরচা হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। একারনে এঅ লের মানুষ গুলো দেশ স্বাধীনের ৫২ বছরেও আলোর মুখ দেখতে পারেননি বলেও অভিযোগ এলাকাবাসিদের। বিষয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিম উদ্দিন বলেন এই জিঞ্জিরাম নদিতে একটি ব্রীজের দাবীতে দীর্ঘ ৫০টি অতিবাহিত হলেও ব্রীজটি না পাওয়ার বেদনা থেকেই গেলো আমি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা র, সুদৃষ্টি কামনা করছি। স্কুল শিক্ষার্থী রুবি আক্তার বলেন আমরা স্কুলে যাই যাইতে আসতে অনেক সময় বইসহ ব্রীজ ভাঙ্গে পানিতে পইরা যাই সেদিন আর স্কুলে যাওয়া হয়না, আমি সরকারের কাছে একটি ব্রীজ চাই। নবম ¤্রনেীর স্কুল ছাত্র রফিকুল ইসলাম ব=জানায় প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে এই বাশেঁর সাকোঁর উপর দিয়ে যাতয়াত করতে হয় প্রায়ই সমস্যায় পরতে হয় সরকার যদি এখানে একটি টেকসই ব্রীজ করে দিতেন তাহলে এই এলাকার উন্নয়ন হতো। এমন আবেগের অভিযোগ অনেকের রয়েছে শুধু একটি ব্রীজের দাবীতে ৫২টি বছর এমনিভাবেই পেরিয়ে গেলেও আজও পর্যন্ত ভাগ্যে জোটেনি এই এলাকার জন্য একটি টেকসই ব্রীজ। উপজেলার চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা জিঞ্জিরাম নদের উপর একটি ব্রীজের দাবীতে ৫২টি বছর চরম দূর্ভোগে ১০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ এবিষয়,কুড়িগ্রাম জেলা প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা ব্রীজের খুবই প্রয়োজন এটি আমার মাথায় আছে। তবে বর্তমান কোন প্রকল্প নেই নতুন বাজেট আসছে প্রকল্প আসলেই ওখানে ব্রীজ করা হবে এমন আশ্বাস দিয়েছে জেলাএলইজিডির প্রকৌশলী
নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন