যে আমলে বরকতের দরজা খুলে যায় » NewsBijoy24 । Online Newspaper of Bangladesh.
ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যে আমলে বরকতের দরজা খুলে যায়

  • ইসলাম ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় :- ১১:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • ২১৪ পড়া হয়েছে। নিউজবিজয় ২৪.কম-১৫ ডিসেম্বরে ৯ বছরে পর্দাপন

ইমান ও তাকওয়ার জন্য যেমন আখেরাতের পুরস্কার রয়েছে, দুনিয়ার অনেক বরকত ও পুরস্কারও রয়েছে। ইমান, তাকওয়া ও নেক আমলের কারণে আল্লাহ দুনিয়ার ধন-সম্পদ ও স্বচ্ছলতাও দান করেন। সুরা আরাফে আল্লাহ বলেছেন,
وَ لَوۡ اَنَّ اَهۡلَ الۡقُرٰۤی اٰمَنُوۡا وَ اتَّقَوۡا لَفَتَحۡنَا عَلَیۡهِمۡ بَرَکٰتٍ مِّنَ السَّمَآءِ وَ الۡاَرۡضِ
আর যদি নগরবাসীরা (কোনো দেশ বা সমাজের লোকেরা) ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত, তাহলে আমি অবশ্যই আকাশ ও জমিন থেকে বরকতসমূহের দরজা তাদের জন্য খুলে দিতাম। (সুরা আরাফ: ৯৬)

এ আয়াতে বরকতসমূহের দরজা খুলে দেওয়া মানে দুনিয়ার জীবনে সব রকম কল্যাণের দরজা খুলে দেওয়া। জীবন, সম্পদ, সন্তান-সন্ততিসহ সব ক্ষেত্রেই ইমান ও নেক আমলের কারণে আল্লাহর বরকত দান করেন।

কোরআনের আরেকটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা কুফর ও গুনাহ থেকে ইস্তেগফার বা তওবা করলে রিজিক বৃদ্ধি, উত্তম প্রাকৃতিক পরিবেশ, সম্পদ ও সন্তান দিয়ে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দুনিয়ার সুখ সমৃদ্ধি দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহর নবি নুহের (আ.) ভাষায় আল্লাহ বলেছেন,

فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ اِنَّهٗ كَانَ غَفَّارًا،يُّرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُمْ مِّدْرَارًا وَيُمْدِدْكُمْ بِاَمْوَالٍ وَّ بَنِيْنَ وَ يَجْعَلْ لَّكُمْ جَنّٰتٍ وَّ يَجْعَلْ لَّكُمْ اَنْهٰرًا.
আর বলেছি, তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা। (সুরা নুহ: ১০-১২)

এ আয়াতে শুধু ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনার কথা বলা হলেও এর মর্মে ইমান, তাকওয়া ও নেক আমলও যুক্ত রয়েছে। ক্ষমা প্রার্থনা মানে কুফর, জুলুম ও পাপাচারের পথ ছেড়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, ইমান গ্রহণ করা ও তাকওয়া অবলম্বন করা।
এ দুটি আয়াত থেকে বোঝা যায় ইমান ও তাকওয়া অবলম্বন করলে আখেরাতের পুরস্কার তো রয়েছেই, দুনিয়ার জীবনেও আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দেবেন। দুনিয়ার সুখ-সমৃদ্ধি, ধন-সম্পদ ও উত্তম সন্তান-সন্ততি দান করবেন।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাসের এই দিনে: ২৩ ফেব্রুয়ারি:-২০২৪

Advertisement

যে আমলে বরকতের দরজা খুলে যায়

প্রকাশিত সময় :- ১১:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

ইমান ও তাকওয়ার জন্য যেমন আখেরাতের পুরস্কার রয়েছে, দুনিয়ার অনেক বরকত ও পুরস্কারও রয়েছে। ইমান, তাকওয়া ও নেক আমলের কারণে আল্লাহ দুনিয়ার ধন-সম্পদ ও স্বচ্ছলতাও দান করেন। সুরা আরাফে আল্লাহ বলেছেন,
وَ لَوۡ اَنَّ اَهۡلَ الۡقُرٰۤی اٰمَنُوۡا وَ اتَّقَوۡا لَفَتَحۡنَا عَلَیۡهِمۡ بَرَکٰتٍ مِّنَ السَّمَآءِ وَ الۡاَرۡضِ
আর যদি নগরবাসীরা (কোনো দেশ বা সমাজের লোকেরা) ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত, তাহলে আমি অবশ্যই আকাশ ও জমিন থেকে বরকতসমূহের দরজা তাদের জন্য খুলে দিতাম। (সুরা আরাফ: ৯৬)

এ আয়াতে বরকতসমূহের দরজা খুলে দেওয়া মানে দুনিয়ার জীবনে সব রকম কল্যাণের দরজা খুলে দেওয়া। জীবন, সম্পদ, সন্তান-সন্ততিসহ সব ক্ষেত্রেই ইমান ও নেক আমলের কারণে আল্লাহর বরকত দান করেন।

কোরআনের আরেকটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা কুফর ও গুনাহ থেকে ইস্তেগফার বা তওবা করলে রিজিক বৃদ্ধি, উত্তম প্রাকৃতিক পরিবেশ, সম্পদ ও সন্তান দিয়ে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দুনিয়ার সুখ সমৃদ্ধি দান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহর নবি নুহের (আ.) ভাষায় আল্লাহ বলেছেন,

فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ اِنَّهٗ كَانَ غَفَّارًا،يُّرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُمْ مِّدْرَارًا وَيُمْدِدْكُمْ بِاَمْوَالٍ وَّ بَنِيْنَ وَ يَجْعَلْ لَّكُمْ جَنّٰتٍ وَّ يَجْعَلْ لَّكُمْ اَنْهٰرًا.
আর বলেছি, তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা। (সুরা নুহ: ১০-১২)

এ আয়াতে শুধু ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনার কথা বলা হলেও এর মর্মে ইমান, তাকওয়া ও নেক আমলও যুক্ত রয়েছে। ক্ষমা প্রার্থনা মানে কুফর, জুলুম ও পাপাচারের পথ ছেড়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, ইমান গ্রহণ করা ও তাকওয়া অবলম্বন করা।
এ দুটি আয়াত থেকে বোঝা যায় ইমান ও তাকওয়া অবলম্বন করলে আখেরাতের পুরস্কার তো রয়েছেই, দুনিয়ার জীবনেও আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দেবেন। দুনিয়ার সুখ-সমৃদ্ধি, ধন-সম্পদ ও উত্তম সন্তান-সন্ততি দান করবেন।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন