ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদ মোবারক

ভোলার মনপুরায় চোরচক্র আটক

ভোলার মনপুরায় প্রতি রাতেই একসাথে তিন-চার বাড়ি চুরি করতো সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্থানীয়রাসহ পুলিশ প্রশাসন। অবশেষে ওসি সাইদ আহেমেদর নের্তৃত্বে বিশেষ অভিযানে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে আটক করে পুলিশ। এই সময় ওই চক্রের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৮ আনা স্বর্নের চেইন, দেশীয় অস্ত্রসহ চেতনানাশক ঔষধ উদ্ধার করা হয়মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আটককৃত চোর চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ। পরে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরু মিয়া ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সোমবার সকালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে চোর চক্রের প্রধান আল-আমিনকে ও সহযোগি সোহেলকে পুলিশ আটক করে মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রাম থেকে। আটককৃতরা হলেন, চোর চক্রের প্রধান আল-আমিন (২৫)। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে। অপর সহযোগি মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সোহেল (৩০)।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চক্রের চার সদস্য প্রথমে কোন এলাকার তিন থেকে চার বাড়ি টার্গেট করে। পরে সন্ধ্যায় সুযোগ বুঝে ওই সমস্ত বাড়ির রান্না ঘরে প্রবেশ করে তেল মিশ্রিত চেতনানাশক ঔষধ গুড়ো করে ভাত ও রান্নার সাথে মিশিয়ে দিত। পরে বাগানে অপেক্ষা করতো কখন বাড়ির সদস্যরা রাতের খাবার খায়। পরে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খেয়ে বাড়ির সদস্যরা ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে একসাথে পরপর তিন-চার বাড়ি চুরি করে বাড়ির স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যেত চক্রটি।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। চক্রের অপর দুই সদস্যকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।।মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আটককৃত চোর চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ। পরে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরু মিয়া ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সোমবার সকালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে চোর চক্রের প্রধান আল-আমিনকে ও সহযোগি সোহেলকে পুলিশ আটক করে মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রাম থেকে। আটককৃতরা হলেন, চোর চক্রের প্রধান আল-আমিন (২৫)। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে। অপর সহযোগি মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সোহেল (৩০)। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চক্রের চার সদস্য প্রথমে কোন এলাকার তিন থেকে চার বাড়ি টার্গেট করে। পরে সন্ধ্যায় সুযোগ বুঝে ওই সমস্ত বাড়ির রান্না ঘরে প্রবেশ করে তেল মিশ্রিত চেতনানাশক ঔষধ গুড়ো করে ভাত ও রান্নার সাথে মিশিয়ে দিত। পরে বাগানে অপেক্ষা করতো কখন বাড়ির সদস্যরা রাতের খাবার খায়। পরে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খেয়ে বাড়ির সদস্যরা ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে একসাথে পরপর তিন-চার বাড়ি চুরি করে বাড়ির স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যেত চক্রটি। এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। চক্রের অপর দুই সদস্যকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজবিজয়/এফএইচএন

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

গুলিবিদ্ধ ইউপি সদস্য নান্নুকে মামলায় পলাতক দেখালো বিজিবি

ভোলার মনপুরায় চোরচক্র আটক

প্রকাশিত সময় :- ১২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২

ভোলার মনপুরায় প্রতি রাতেই একসাথে তিন-চার বাড়ি চুরি করতো সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্থানীয়রাসহ পুলিশ প্রশাসন। অবশেষে ওসি সাইদ আহেমেদর নের্তৃত্বে বিশেষ অভিযানে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে আটক করে পুলিশ। এই সময় ওই চক্রের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৮ আনা স্বর্নের চেইন, দেশীয় অস্ত্রসহ চেতনানাশক ঔষধ উদ্ধার করা হয়মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আটককৃত চোর চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ। পরে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরু মিয়া ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সোমবার সকালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে চোর চক্রের প্রধান আল-আমিনকে ও সহযোগি সোহেলকে পুলিশ আটক করে মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রাম থেকে। আটককৃতরা হলেন, চোর চক্রের প্রধান আল-আমিন (২৫)। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে। অপর সহযোগি মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সোহেল (৩০)।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চক্রের চার সদস্য প্রথমে কোন এলাকার তিন থেকে চার বাড়ি টার্গেট করে। পরে সন্ধ্যায় সুযোগ বুঝে ওই সমস্ত বাড়ির রান্না ঘরে প্রবেশ করে তেল মিশ্রিত চেতনানাশক ঔষধ গুড়ো করে ভাত ও রান্নার সাথে মিশিয়ে দিত। পরে বাগানে অপেক্ষা করতো কখন বাড়ির সদস্যরা রাতের খাবার খায়। পরে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খেয়ে বাড়ির সদস্যরা ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে একসাথে পরপর তিন-চার বাড়ি চুরি করে বাড়ির স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যেত চক্রটি।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। চক্রের অপর দুই সদস্যকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।।মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আটককৃত চোর চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ। পরে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরু মিয়া ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সোমবার সকালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে চোর চক্রের প্রধান আল-আমিনকে ও সহযোগি সোহেলকে পুলিশ আটক করে মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রাম থেকে। আটককৃতরা হলেন, চোর চক্রের প্রধান আল-আমিন (২৫)। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে। অপর সহযোগি মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সোহেল (৩০)। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চক্রের চার সদস্য প্রথমে কোন এলাকার তিন থেকে চার বাড়ি টার্গেট করে। পরে সন্ধ্যায় সুযোগ বুঝে ওই সমস্ত বাড়ির রান্না ঘরে প্রবেশ করে তেল মিশ্রিত চেতনানাশক ঔষধ গুড়ো করে ভাত ও রান্নার সাথে মিশিয়ে দিত। পরে বাগানে অপেক্ষা করতো কখন বাড়ির সদস্যরা রাতের খাবার খায়। পরে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খেয়ে বাড়ির সদস্যরা ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে একসাথে পরপর তিন-চার বাড়ি চুরি করে বাড়ির স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যেত চক্রটি। এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। চক্রের অপর দুই সদস্যকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজবিজয়/এফএইচএন