বাজারে দাম বেড়েছে ৩ গুণ, দেশে ঢুকল ৭৪৩ টন পেঁয়াজ » NewsBijoy24 । Online Newspaper of Bangladesh.
ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাজারে দাম বেড়েছে ৩ গুণ, দেশে ঢুকল ৭৪৩ টন পেঁয়াজ

  • নিউজ বিজয় ডেস্ক :-
  • প্রকাশিত সময় :- ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৩৪৪ পড়া হয়েছে। নিউজবিজয় ২৪.কম-১৫ ডিসেম্বরে ৯ বছরে পর্দাপন

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার খবরে উত্তাপ ছড়িয়েছে দেশের বাজারে। তবে এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিআইবি) তথ্য অনুযায়ী, বছর ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩ গুণ। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে সরকারি সংস্থার নজরদারির অভাবে বাড়তি মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরা। পেঁয়াজের দরে হঠাৎ ডাবল সেঞ্চুরিতে হতবাক চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ।
এক ক্রেতা বলেন, আমি ও আমার স্বামী-দুজনই চাকরি করি। তবু আমাকে ভাবতে হচ্ছে। জানি না অন্যরা কী ভাবছে। হয়তো পেঁয়াজ ছাড়াই আমাদের চলতে হবে। আরেক ক্রেতা বলেন, আগে মাসে ২০ কেজি খাইতাম। এখন ৮ থেকে ১০ কেজি দিয়েই সেটা কাভার করতে হবে।

গেল বছর এই দিনে দেশি এবং আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। বছর ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৮৮ শতাংশ। আর আমদানিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪৪ শতাংশ।

এদিকে নিজেদের বাজারের ভারসাম্য ধরে রাখতে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে ভারত। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বাংলাদেশের বাজার। এর মধ্যে ক্রেতার বাড়তি পেঁয়াজ কেনার প্রবণতায় আরও উত্তাপ ছড়িয়েছে বাজারে।

এক বিক্রেতারা জানান, যে মূল্য চাই, সেই মূল্যেই পেঁয়াজ নিয়ে যান ক্রেতারা। ৬০, ৭০, ৮০, ৯০ টাকা কেজি চাইলে তাতেই নিয়ে যান। এমনকি ২০০ টাকা চাইলেও নিয়ে যান তারা।

বিক্রেতাদের একজন বলেন, এদিন হাটে কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৯ হাজার টাকা মণ। দর কষাকষি করি আমি সেটা কিনছি ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায়। আর বিক্রি করছি ২০০ টাকা কেজিতে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সবশেষ হিসাবে বছরে দেশে ২৬ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে উৎপাদন ৩৬ লাখ টনের ওপরে। সঙ্গে আমদানি হয় আরও অন্তত ১২ লাখ টন। যার প্রায় ৮০ ভাগই আসে ভারত থেকে।

এদিকে ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ ট্রাকে এই ৭৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাঈনুল ইসলাম বলেন, শনিবার থেকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে এর আগে যে পেঁয়াজগুলোর এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন পর্যায়ক্রমে স্থলবন্দরে প্রবেশ করছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তি ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মার্চের ৩১ তারিখ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

Advertisement

বাজারে দাম বেড়েছে ৩ গুণ, দেশে ঢুকল ৭৪৩ টন পেঁয়াজ

প্রকাশিত সময় :- ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার খবরে উত্তাপ ছড়িয়েছে দেশের বাজারে। তবে এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিআইবি) তথ্য অনুযায়ী, বছর ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩ গুণ। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে সরকারি সংস্থার নজরদারির অভাবে বাড়তি মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরা। পেঁয়াজের দরে হঠাৎ ডাবল সেঞ্চুরিতে হতবাক চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ।
এক ক্রেতা বলেন, আমি ও আমার স্বামী-দুজনই চাকরি করি। তবু আমাকে ভাবতে হচ্ছে। জানি না অন্যরা কী ভাবছে। হয়তো পেঁয়াজ ছাড়াই আমাদের চলতে হবে। আরেক ক্রেতা বলেন, আগে মাসে ২০ কেজি খাইতাম। এখন ৮ থেকে ১০ কেজি দিয়েই সেটা কাভার করতে হবে।

গেল বছর এই দিনে দেশি এবং আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। বছর ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৮৮ শতাংশ। আর আমদানিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪৪ শতাংশ।

এদিকে নিজেদের বাজারের ভারসাম্য ধরে রাখতে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে ভারত। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বাংলাদেশের বাজার। এর মধ্যে ক্রেতার বাড়তি পেঁয়াজ কেনার প্রবণতায় আরও উত্তাপ ছড়িয়েছে বাজারে।

এক বিক্রেতারা জানান, যে মূল্য চাই, সেই মূল্যেই পেঁয়াজ নিয়ে যান ক্রেতারা। ৬০, ৭০, ৮০, ৯০ টাকা কেজি চাইলে তাতেই নিয়ে যান। এমনকি ২০০ টাকা চাইলেও নিয়ে যান তারা।

বিক্রেতাদের একজন বলেন, এদিন হাটে কৃষক পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৯ হাজার টাকা মণ। দর কষাকষি করি আমি সেটা কিনছি ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায়। আর বিক্রি করছি ২০০ টাকা কেজিতে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সবশেষ হিসাবে বছরে দেশে ২৬ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে উৎপাদন ৩৬ লাখ টনের ওপরে। সঙ্গে আমদানি হয় আরও অন্তত ১২ লাখ টন। যার প্রায় ৮০ ভাগই আসে ভারত থেকে।

এদিকে ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ ট্রাকে এই ৭৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাঈনুল ইসলাম বলেন, শনিবার থেকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে এর আগে যে পেঁয়াজগুলোর এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন পর্যায়ক্রমে স্থলবন্দরে প্রবেশ করছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তি ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মার্চের ৩১ তারিখ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন