ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদ মুবারক

এশিয়া কাপ

পাকিস্তানকে বিশাল ব্যবধানে হারালো ভারত

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচটা অমিমাংশিত রাখতে চায়নি। উত্তাপ ছড়ানো যে লড়াইয়ে আকাশ বৃষ্টি ঝরালেও রিজার্ভ ডে’তে সুরহা হওয়া ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের দেওয়া ৩৫৭ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাবররা। আর তাতে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। দুই দলের মধ্যকার লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হারের রেকর্ডও এটি।

বিশেষ বৈঠকে বসে সুপার ফোরের শুধু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখার কারণ অনুমেয়। ক্রিকেট বাণিজ্য। এসিসি কিংবা পিসিবি অর্থ আয়ের সুযোগ হারাতে চায়নি। কিন্তু সেই লড়াই জমলো না। ব্যাটে-বলে ভারতের আধিপত্যে ২০০৮ সালের পর এতো বড় রানে হারল পাকিস্তান। সেবার মিরপুরে মেন ইন গ্রিনরা হেরেছিল ১৪০ রানে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারতের ছুড়ে দেওয়া ৩৫৭ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৩২ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ১২৮ রানেই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভারত হারিয়েছে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই কোণঠাসা ছিল পাকিস্তান। ইমাম উল হক ৯ আর বাবর আজম ১০ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। পাকিস্তান ২ উইকেটে ৪৪ রান করার পর নামে বৃষ্টি।

প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই আউট হন মোহাম্মদ রিজওয়ানও (২)। ১২তম ওভারে মাত্র ৪৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।

ফাখর জামান যে টেস্ট খেলছিলেন। তারপরও রক্ষা হয়নি। ৫০ বলে ২৭ রান করে কুলদীপ যাদবের শিকার হন পাকিস্তানি ওপেনার। এরপর ভয়ংকর হয়ে উঠেন কুলদীপ।

বাঁহাতি এই স্পিনার আঘা সালমান (২৩), শাদাব খান (৬), ইফতিখার আহমেদকে (২৩)। ১১৯ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তান ৩২ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১২৮ রানে। ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব ২৫ রান খরচায় একাই নেন ৫টি উইকেট।

এর আগে বিরাট কোহলি আর লোকেশ রাহুলের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভারত ২ উইকেটেই দাঁড় করিয়েছিল ৩৫৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ। আগের দিন টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমেছিল ভারত। কিন্তু ২৪.১ ওভারে তারা ১৪৭ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। আম্পায়াররা অনেকটা সময় অপেক্ষার পরও খেলা শুরু করা না গেলে ম্যাচ গড়ায় রিজার্ভ ডেতে।

রিজার্ভ ডেতেও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে সময়মতো খেলা শুরু করা যায়নি। প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর মাঠ প্রস্তুত হয়। আগের দিন রোহিত শর্মা ৫৬ আর শুভমান গিল ৫৮ রানে আউট হয়েছিলেন।

কিন্তু ২৪.১ ওভারে ১৪৭ রান নিয়ে মাঠে নামা ভারত আজ আর কোনো উইকেট হারায়নি। লোকেশ রাহুল ১০০ বলে আর বিরাট কোহলি ৮৪ বলে করেন সেঞ্চুরি। ১৯৪ বলের জুটিতে তারা ২৩৩ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন।

৯৪ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ১২২ রানে অপরাজিত থাকেন কোহলি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৭তম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১০৬ বলে ১২ চার আর ২ ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকা লোকেশ রাহুলের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি এটি।

নিউজবিজয়/এফএইচএন

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

এশিয়া কাপ

পাকিস্তানকে বিশাল ব্যবধানে হারালো ভারত

প্রকাশিত সময় :- ১১:৪০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচটা অমিমাংশিত রাখতে চায়নি। উত্তাপ ছড়ানো যে লড়াইয়ে আকাশ বৃষ্টি ঝরালেও রিজার্ভ ডে’তে সুরহা হওয়া ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের দেওয়া ৩৫৭ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাবররা। আর তাতে ২২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। দুই দলের মধ্যকার লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হারের রেকর্ডও এটি।

বিশেষ বৈঠকে বসে সুপার ফোরের শুধু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে রিজার্ভ ডে রাখার কারণ অনুমেয়। ক্রিকেট বাণিজ্য। এসিসি কিংবা পিসিবি অর্থ আয়ের সুযোগ হারাতে চায়নি। কিন্তু সেই লড়াই জমলো না। ব্যাটে-বলে ভারতের আধিপত্যে ২০০৮ সালের পর এতো বড় রানে হারল পাকিস্তান। সেবার মিরপুরে মেন ইন গ্রিনরা হেরেছিল ১৪০ রানে।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ভারতের ছুড়ে দেওয়া ৩৫৭ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ৩২ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ১২৮ রানেই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভারত হারিয়েছে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই কোণঠাসা ছিল পাকিস্তান। ইমাম উল হক ৯ আর বাবর আজম ১০ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। পাকিস্তান ২ উইকেটে ৪৪ রান করার পর নামে বৃষ্টি।

প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শুরু হয় খেলা। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতেই আউট হন মোহাম্মদ রিজওয়ানও (২)। ১২তম ওভারে মাত্র ৪৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান।

ফাখর জামান যে টেস্ট খেলছিলেন। তারপরও রক্ষা হয়নি। ৫০ বলে ২৭ রান করে কুলদীপ যাদবের শিকার হন পাকিস্তানি ওপেনার। এরপর ভয়ংকর হয়ে উঠেন কুলদীপ।

বাঁহাতি এই স্পিনার আঘা সালমান (২৩), শাদাব খান (৬), ইফতিখার আহমেদকে (২৩)। ১১৯ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তান ৩২ ওভারেই গুটিয়ে যায় ১২৮ রানে। ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব ২৫ রান খরচায় একাই নেন ৫টি উইকেট।

এর আগে বিরাট কোহলি আর লোকেশ রাহুলের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভারত ২ উইকেটেই দাঁড় করিয়েছিল ৩৫৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ। আগের দিন টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমেছিল ভারত। কিন্তু ২৪.১ ওভারে তারা ১৪৭ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। আম্পায়াররা অনেকটা সময় অপেক্ষার পরও খেলা শুরু করা না গেলে ম্যাচ গড়ায় রিজার্ভ ডেতে।

রিজার্ভ ডেতেও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে সময়মতো খেলা শুরু করা যায়নি। প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর মাঠ প্রস্তুত হয়। আগের দিন রোহিত শর্মা ৫৬ আর শুভমান গিল ৫৮ রানে আউট হয়েছিলেন।

কিন্তু ২৪.১ ওভারে ১৪৭ রান নিয়ে মাঠে নামা ভারত আজ আর কোনো উইকেট হারায়নি। লোকেশ রাহুল ১০০ বলে আর বিরাট কোহলি ৮৪ বলে করেন সেঞ্চুরি। ১৯৪ বলের জুটিতে তারা ২৩৩ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন।

৯৪ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ১২২ রানে অপরাজিত থাকেন কোহলি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪৭তম সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ১০৬ বলে ১২ চার আর ২ ছক্কায় ১১১ রানে অপরাজিত থাকা লোকেশ রাহুলের ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি এটি।

নিউজবিজয়/এফএইচএন