ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ‘আগুনে পেট্রোল ঢেলে দিচ্ছে’: বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলা ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ক্রমাগত বোমাবর্ষণের পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বেড়ে গেছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, বসতি স্থাপনকারীদের হাতে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে এবং বেশ কয়েকটি ছোট বেদুইন সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেছে, তাদের অন্য এলাকায় সরে যেতে বাধ্য করেছে।

বুধবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে বাইডেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষার জন্য মার্কিন সমর্থন লোহার মতো দৃঢ় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কিছু ইসরায়েলির আচরণের কঠোর নিন্দা জানান।

বাইডেন বলেন, “পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের’ হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এটা থামাতে হবে। তাদের জবাবদিহি করতে হবে। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বসতী স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা বেড়ে চলেছে। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক মানুষ। এ ছাড়া ২২০ জনকে জিম্মি হিসেবে বন্দী করে হামাস।

হামাসের ওই হামলার পর থেকে, গাজা ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ করে রেখেছে ইসরায়েল এবং সেখানে নির্বিচার বোমাবর্ষণ করছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমানের অবিরাম হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬ হাজার ৫৪৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১৭ হাজার ৪৩৯ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরেও উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। কারণ সেখানে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের গণহারে গ্রেপ্তার করছে ইসরায়েল এবং সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, কিছু সম্প্রদায়কে তাদের ভূমি থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়েছে।

ওয়েস্ট ব্যাংক প্রোটেকশন কনসোর্টিয়াম (বেসরকারি সংস্থা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ দাতা দেশগুলোর জোট) জানিয়েছে, বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলাকে ‘আগুনে পেট্রোল ঢেলে দিচ্ছে’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা এমন জায়গায় ফিলিস্তিনিদের আক্রমণ করছে যেখানে তাদের (ফিলিস্তিনিদের) অধিকার রয়েছে এবং… এটি এখনই বন্ধ করতে হবে।’

তবে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা থামানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, সে সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে কিছু বলেননি বাইডেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনের ওপর বসতি স্থাপনকারীরা অনেক সময় ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতিতে হামলা চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, গাজায় হামাস কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে চলমান যুদ্ধে নিহতের সংখ্যার সত্যতা নিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে। বাইডেন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে নিরপরাধদের হত্যা করা হয়েছে এবং এটি একটি যুদ্ধ চালানোর মূল্য।’

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্স-এ এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিশেষজ্ঞ খালেদ এলগিন্ডি বলেছেন, বাইডেনের এমন মন্তব্যে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে অক্ষম।

পোস্টে এলগিন্ডি লিখেছেন, ‘আমি কয়েক বছর ধরে বলে আসছি যে, জো বাইডন ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সহানুভূতি দেখাতে একেবারেই অক্ষম বলে মনে হচ্ছে। আজ তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন।’

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে গাজায় ইসরায়েলের স্থল হামলার প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে সরাসরি আশ্বাস চাননি যে, জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আগে গাজায় প্রত্যাশিত স্থল হামলা ইসরায়েল চালাবে না।

বাইডেন বলেন, ‘আমি তাকে যা ইঙ্গিত করেছি তা হলো, যদি সম্ভব হয় প্রথমে জিম্মিদের নিরাপদে উদ্ধার করার জন্য। তার এটাই করা উচিত। এটি তাদের সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমি এটা দাবি করিনি। আমি তাকে বলেছিলাম, যদি এটি বাস্তব হয় তবে এটি করা উচিত।’

এর আগে বুধবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেছিলেন যে, ইসরায়েলি বাহিনী কখন গাজায় স্থল অভিযানে যাবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত যুদ্ধকালীন মন্ত্রীসভার ঐক্যমতের ভিত্তিতে নেয়া হবে।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে হাজার হাজার সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছি এবং এটি কেবল শুরু। একই সাথে আমরা একটি স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি বলতে চাই না যে সেটি কখন, কিভাবে বা কতজন থাকবে। স্থল অভিযান নিয়ে আমরা কী কী বিষয়ে হিসাব-নিকাশ করছি সে সম্পর্কেও বিস্তারিত বলতে চাই না আমি। সাধারণ মানুষ এ সম্পর্কে কিছু জানে না এবং বিষয়টি এমনই হওয়া উচিত।’

নিউজবিজয়/এফএইচএন

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

ইতিহাসের এই দিনে: ১৫ই জুন-২০২৪

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ‘আগুনে পেট্রোল ঢেলে দিচ্ছে’: বাইডেন

প্রকাশিত সময় :- ১১:১৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলা ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ক্রমাগত বোমাবর্ষণের পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বেড়ে গেছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, বসতি স্থাপনকারীদের হাতে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে এবং বেশ কয়েকটি ছোট বেদুইন সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেছে, তাদের অন্য এলাকায় সরে যেতে বাধ্য করেছে।

বুধবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে বাইডেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষার জন্য মার্কিন সমর্থন লোহার মতো দৃঢ় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কিছু ইসরায়েলির আচরণের কঠোর নিন্দা জানান।

বাইডেন বলেন, “পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের’ হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এটা থামাতে হবে। তাদের জবাবদিহি করতে হবে। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বসতী স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা বেড়ে চলেছে। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক মানুষ। এ ছাড়া ২২০ জনকে জিম্মি হিসেবে বন্দী করে হামাস।

হামাসের ওই হামলার পর থেকে, গাজা ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ করে রেখেছে ইসরায়েল এবং সেখানে নির্বিচার বোমাবর্ষণ করছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমানের অবিরাম হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬ হাজার ৫৪৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১৭ হাজার ৪৩৯ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরেও উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। কারণ সেখানে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের গণহারে গ্রেপ্তার করছে ইসরায়েল এবং সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, কিছু সম্প্রদায়কে তাদের ভূমি থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়েছে।

ওয়েস্ট ব্যাংক প্রোটেকশন কনসোর্টিয়াম (বেসরকারি সংস্থা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ দাতা দেশগুলোর জোট) জানিয়েছে, বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলাকে ‘আগুনে পেট্রোল ঢেলে দিচ্ছে’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা এমন জায়গায় ফিলিস্তিনিদের আক্রমণ করছে যেখানে তাদের (ফিলিস্তিনিদের) অধিকার রয়েছে এবং… এটি এখনই বন্ধ করতে হবে।’

তবে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা থামানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, সে সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে কিছু বলেননি বাইডেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনের ওপর বসতি স্থাপনকারীরা অনেক সময় ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতিতে হামলা চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, গাজায় হামাস কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে চলমান যুদ্ধে নিহতের সংখ্যার সত্যতা নিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে। বাইডেন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে নিরপরাধদের হত্যা করা হয়েছে এবং এটি একটি যুদ্ধ চালানোর মূল্য।’

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্স-এ এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিশেষজ্ঞ খালেদ এলগিন্ডি বলেছেন, বাইডেনের এমন মন্তব্যে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে অক্ষম।

পোস্টে এলগিন্ডি লিখেছেন, ‘আমি কয়েক বছর ধরে বলে আসছি যে, জো বাইডন ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সহানুভূতি দেখাতে একেবারেই অক্ষম বলে মনে হচ্ছে। আজ তিনি এটি নিশ্চিত করেছেন।’

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে গাজায় ইসরায়েলের স্থল হামলার প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে সরাসরি আশ্বাস চাননি যে, জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আগে গাজায় প্রত্যাশিত স্থল হামলা ইসরায়েল চালাবে না।

বাইডেন বলেন, ‘আমি তাকে যা ইঙ্গিত করেছি তা হলো, যদি সম্ভব হয় প্রথমে জিম্মিদের নিরাপদে উদ্ধার করার জন্য। তার এটাই করা উচিত। এটি তাদের সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমি এটা দাবি করিনি। আমি তাকে বলেছিলাম, যদি এটি বাস্তব হয় তবে এটি করা উচিত।’

এর আগে বুধবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেছিলেন যে, ইসরায়েলি বাহিনী কখন গাজায় স্থল অভিযানে যাবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত যুদ্ধকালীন মন্ত্রীসভার ঐক্যমতের ভিত্তিতে নেয়া হবে।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে হাজার হাজার সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছি এবং এটি কেবল শুরু। একই সাথে আমরা একটি স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি বলতে চাই না যে সেটি কখন, কিভাবে বা কতজন থাকবে। স্থল অভিযান নিয়ে আমরা কী কী বিষয়ে হিসাব-নিকাশ করছি সে সম্পর্কেও বিস্তারিত বলতে চাই না আমি। সাধারণ মানুষ এ সম্পর্কে কিছু জানে না এবং বিষয়টি এমনই হওয়া উচিত।’

নিউজবিজয়/এফএইচএন