ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে প্রবল বর্ষনে ইরি: বোরো ধান ক্ষেতে হাঁটু পানি বিপাকে কৃষক

চলতি ইরি বোরো মৌসুমে ধান ঘরে তোলার ভরা মৌসুমে বিরূপ আবহাওয়ায় বিপাকে পড়েছে ধানের জেলা দিনাজপুরের কৃষকরা। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষনে বিস্তীর্ণ জমির পাকা বোরো ধান পানিতে হাবুডুবু খাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা। এদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে আরও কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।দিনাজপুর আ লিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, পশ্চিমা লঘুচাপের সাথে দক্ষিনা জলীয় বাস্প মিশ্রিত বায়ুর সাথে সংস্পর্শের ফলে স য়ারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য দিনাজপুরসহ এই অ লে গত কয়েকদিন থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে।এদিকে গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষনের ফলে বেশীরভাগ জমিতে জমে গেছে হাটু পানি। কোন কোন নীচু এলাকার জমিতে কোমর পর্যন্ত পানি জমে গেছে। ঝড়ো হাওয়ায় বেশীরভাগ জমির পাকা বোরো ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেছে। ফলে পানিতে ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ জমির উঠতি পাকা বোরো ধান। উঠতি এসব পাকা বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করছেন তারা। অনেকেই বেশী দামে অধিক শ্রমিক নিয়ে তড়িঘড়ি করে এসব ধান ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে দেখা যায় ধান কাটা-মাড়াই শুরুর আগেই প্রবল বর্ষনে জমিতে হাটু পানি জমে গেছে। আর ঝড়ো হাওয়ার কারনে পাকা ধানগাছ মাটিতে শুয়ে গেছে। ফলে বেশীরভাগ ধানই পানির সাথে হাবুডুবু খাচ্ছে। এই অবস্থায় ক্ষতির আশংকায় তড়িঘড়ি করে ধান কাটতে শুরু করেছেন। কিন্তু শ্রমিক সংকটের কারনে তা বিলম্ব হচ্ছে। বাধ্য হয়েই বেশী দাম দিয়ে শ্রমিক নিয়ে বোরো ধান ঘরে তুলছেন কৃষকেরা। তবে দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, বাতাসে ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেলেও বেশীরভাগ ধানের শীষ পানির উপরে আছে। তাই তেমন ক্ষতি হবে না । দিনাজপুর জেলায় মোট ১ লাখ ৭২ হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় ৭৭ হাজার ৭৭৮ হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা-মাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। যা মোট জমির ৪৫ শতাংশ। বৃষ্টির ফলে জমির বোরো ধান ঘরে তুলতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে ।

 

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

নামাজের সময়সূচি: ২২ মে ২০২৪

দিনাজপুরে প্রবল বর্ষনে ইরি: বোরো ধান ক্ষেতে হাঁটু পানি বিপাকে কৃষক

প্রকাশিত সময় :- ০১:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০২২

চলতি ইরি বোরো মৌসুমে ধান ঘরে তোলার ভরা মৌসুমে বিরূপ আবহাওয়ায় বিপাকে পড়েছে ধানের জেলা দিনাজপুরের কৃষকরা। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষনে বিস্তীর্ণ জমির পাকা বোরো ধান পানিতে হাবুডুবু খাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা। এদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে আরও কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।দিনাজপুর আ লিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, পশ্চিমা লঘুচাপের সাথে দক্ষিনা জলীয় বাস্প মিশ্রিত বায়ুর সাথে সংস্পর্শের ফলে স য়ারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য দিনাজপুরসহ এই অ লে গত কয়েকদিন থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে।এদিকে গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষনের ফলে বেশীরভাগ জমিতে জমে গেছে হাটু পানি। কোন কোন নীচু এলাকার জমিতে কোমর পর্যন্ত পানি জমে গেছে। ঝড়ো হাওয়ায় বেশীরভাগ জমির পাকা বোরো ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেছে। ফলে পানিতে ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ জমির উঠতি পাকা বোরো ধান। উঠতি এসব পাকা বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করছেন তারা। অনেকেই বেশী দামে অধিক শ্রমিক নিয়ে তড়িঘড়ি করে এসব ধান ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে দেখা যায় ধান কাটা-মাড়াই শুরুর আগেই প্রবল বর্ষনে জমিতে হাটু পানি জমে গেছে। আর ঝড়ো হাওয়ার কারনে পাকা ধানগাছ মাটিতে শুয়ে গেছে। ফলে বেশীরভাগ ধানই পানির সাথে হাবুডুবু খাচ্ছে। এই অবস্থায় ক্ষতির আশংকায় তড়িঘড়ি করে ধান কাটতে শুরু করেছেন। কিন্তু শ্রমিক সংকটের কারনে তা বিলম্ব হচ্ছে। বাধ্য হয়েই বেশী দাম দিয়ে শ্রমিক নিয়ে বোরো ধান ঘরে তুলছেন কৃষকেরা। তবে দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, বাতাসে ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেলেও বেশীরভাগ ধানের শীষ পানির উপরে আছে। তাই তেমন ক্ষতি হবে না । দিনাজপুর জেলায় মোট ১ লাখ ৭২ হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় ৭৭ হাজার ৭৭৮ হেক্টর জমির বোরো ধান কাটা-মাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। যা মোট জমির ৪৫ শতাংশ। বৃষ্টির ফলে জমির বোরো ধান ঘরে তুলতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে ।