ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনা ডুমুরিয়ায় ৪৫ বছরে সাত ইউপি চেয়ারম্যান সন্রাসীদের গুলিতে হত্যা

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বিগত ৪৫ বছরে ৭ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। সর্বশেষ ডুমুরিয়া উপজেলার সরাপপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি সন্ত্রাসীদের গলিতে নিহত হন। বিজ্ঞমহলের অভমত সন্ত্রাসী ও আতংকিত এ জনপদে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

রবিউলের আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কবিরুল ইসলাম নিহত হন।

২০০৪ সালে গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান আলমগীর হোসেন ভারতে সফরে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।

জানা গেছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে ডুমুরিয়ায় তৎকালীন খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মোকছেদ আলীকে প্রথম গুলি করে হত্যা করা হয়।

এরপর ১৯৮৬ সালে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামাল উদ্দিনকে হত্যা করা হয়।

১৯৮৯ সালে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল মজিদ ও ১৯৯৯ সালে রুদাঘরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম সরদারকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

২০০১ সালে নিহত কবিরুলের বাবা ছিলেন কামাল উদ্দিন।

ডুমুরিয়া উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বর্তমানে আতংক বিরাজ করছে। কবে ও কখন কার মায়ের বুক খালি হয়। কোন স্ত্রী তার স্বামীকে হারিয়ে বিধবার ভুষন পরে সারাটা জীবন একাকীত্বের বেদনা নিয়ে কাটাতে হয়। কখন যেন কোন সন্তান রাতের ঘোরে বাবাকে হরিয়ে বাবা বাবা বলে চিৎকার করতে হয়। এ কারণে এ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত আগ্নেয়অস্ত্রসহ সন্ত্রাদের গ্রেফতার করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা ও অবৈধ অস্ত্র ও মাদকমুক্ত ডুমুরিয়া গড়ে তোলার দাবী সর্বমহলের। কয়েক বছর আগে ডুমুরিয়ার এক উপনির্বাচনে নাজমুল ইসলাম নামক জনৈক পুলিশ অফিসার কর্তব্য পালন করতে গিয়ে তার কাছে থাকা অস্ত্র চুরি করে এই ডুমুরিয়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। কিন্তু এই চৌকস, সততা ও নিষ্ঠার সাথে চাকরী করা অবস্থায় র ্যবসহ বিভিন্ন স্তরে সফলতার পরিচয় দিলেও তাকে শাস্তি পেতে হয়েছে দাপ্তরিকভাবে কিন্তু ডুমুরিয়ার সেই অস্ত্র ও গুলি ফেরত দেওয়া সন্ত্রাসীদের আজও অবধি আইনের আওতায় আনা হয়নি। উক্ত চৌকস পুলিশ অফিসারের পরিবার সুণাম ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও তাদের গডফাদারদের আজ অবধি জন সন্মুখে এনে দাঁড় করানো বা আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এ ঘটনায় উপজেলায় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আবার কোন জনপ্রতিনিধির প্রাণ যায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ছুঁড়া গুলিতে।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

ধারণা ছিল একটা আঘাত আসবে: প্রধানমন্ত্রী

খুলনা ডুমুরিয়ায় ৪৫ বছরে সাত ইউপি চেয়ারম্যান সন্রাসীদের গুলিতে হত্যা

প্রকাশিত সময় :- ১২:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় বিগত ৪৫ বছরে ৭ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। সর্বশেষ ডুমুরিয়া উপজেলার সরাপপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি সন্ত্রাসীদের গলিতে নিহত হন। বিজ্ঞমহলের অভমত সন্ত্রাসী ও আতংকিত এ জনপদে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

রবিউলের আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কবিরুল ইসলাম নিহত হন।

২০০৪ সালে গুটুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান আলমগীর হোসেন ভারতে সফরে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।

জানা গেছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে ডুমুরিয়ায় তৎকালীন খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মোকছেদ আলীকে প্রথম গুলি করে হত্যা করা হয়।

এরপর ১৯৮৬ সালে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামাল উদ্দিনকে হত্যা করা হয়।

১৯৮৯ সালে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল মজিদ ও ১৯৯৯ সালে রুদাঘরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম সরদারকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

২০০১ সালে নিহত কবিরুলের বাবা ছিলেন কামাল উদ্দিন।

ডুমুরিয়া উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বর্তমানে আতংক বিরাজ করছে। কবে ও কখন কার মায়ের বুক খালি হয়। কোন স্ত্রী তার স্বামীকে হারিয়ে বিধবার ভুষন পরে সারাটা জীবন একাকীত্বের বেদনা নিয়ে কাটাতে হয়। কখন যেন কোন সন্তান রাতের ঘোরে বাবাকে হরিয়ে বাবা বাবা বলে চিৎকার করতে হয়। এ কারণে এ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত আগ্নেয়অস্ত্রসহ সন্ত্রাদের গ্রেফতার করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা ও অবৈধ অস্ত্র ও মাদকমুক্ত ডুমুরিয়া গড়ে তোলার দাবী সর্বমহলের। কয়েক বছর আগে ডুমুরিয়ার এক উপনির্বাচনে নাজমুল ইসলাম নামক জনৈক পুলিশ অফিসার কর্তব্য পালন করতে গিয়ে তার কাছে থাকা অস্ত্র চুরি করে এই ডুমুরিয়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। কিন্তু এই চৌকস, সততা ও নিষ্ঠার সাথে চাকরী করা অবস্থায় র ্যবসহ বিভিন্ন স্তরে সফলতার পরিচয় দিলেও তাকে শাস্তি পেতে হয়েছে দাপ্তরিকভাবে কিন্তু ডুমুরিয়ার সেই অস্ত্র ও গুলি ফেরত দেওয়া সন্ত্রাসীদের আজও অবধি আইনের আওতায় আনা হয়নি। উক্ত চৌকস পুলিশ অফিসারের পরিবার সুণাম ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও তাদের গডফাদারদের আজ অবধি জন সন্মুখে এনে দাঁড় করানো বা আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এ ঘটনায় উপজেলায় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আবার কোন জনপ্রতিনিধির প্রাণ যায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ছুঁড়া গুলিতে।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন