ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাহারোলে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ৬ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবৈধ বদলী

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইবনে মাসুদ মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলীর মাধ্যমে অবৈধভাবে পদায়নের আদেশ সংশোধনের নামে ৬ জন প্রধান শিক্ষককে (চ:দা:) কে বদলী করেছেন।
জানা গেছে ইবনে মাসুদ গত ২০১৯ সালে কাহারোল উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হিসেব যোগদান করেন। এবং গত ২২/০৩/২০২৩ ইং তারিখে ভারপ্রাপ্ত উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি সহ একই উপজেলার চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (১) হোসনে আরা খাতুনকে ডাবোর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ইটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (২) মর্ম চন্দ্র রায়কে সাদুল্যাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে হাতিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (৩) সুর্য মোহন রায়কে গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তরলা আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (৪) প্রফুল্ল কুমার রায়কে রনগাঁও ভুলিয়া বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাহাড়পুর সরকারব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (৫) মোঃ আব্দুল মান্নানকে বেড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং (৬) বিলকিস আরা বেগমকে গোপালপুর -১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়নের আদেশ সংশোধনের নামে ছয় জন প্রধান শিক্ষক (চ:দা:) কে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বদলীকৃত শিক্ষকদের পূর্বের বিদ্যালয় গুলিতে ভুঁয়া মামলা দেখিয়ে বদলী করেছেন। অথচ ডাবোর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোপালপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বে – সরকারি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা যথাক্রমে ২০১১ ও ২০১৮ সালে অবসরে গেছেন। সাদুল্যাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন বৈধ মামলা নাই মর্মে সাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসার আফজাল হোসেন প্রত্যয়ন দিয়েছেন। গুলিয়ারা, রনগাঁও ভুলিয়া বাজার এবং বেড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় ধাপে জাতীয় করণকৃত। এসব বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষকদের রীট মামলা করার কোন সুযোগ ছিলনা বা নাই। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইবনে মাসুদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এখানে তার কোন হাত নেই। সাবেক দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী করেছেন । এব্যাপারে সাবেক দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলীর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সুপারিশ ছাড়া দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার এ কাজ করতে পারেন না। সুতরাং এ সংশোধন আদেশ ভুঁয়া বলে তিনি জানান। এব্যাপারে শিক্ষকগন মহা – পরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক মহলে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এব্যাপারে সচেতন মহল দুর্নীতিবাজ শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তাদের অবৈধ কাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানিয়েছেন ।
নিউজবিজয়/এফএইচএন

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

ধারণা ছিল একটা আঘাত আসবে: প্রধানমন্ত্রী

কাহারোলে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ৬ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবৈধ বদলী

প্রকাশিত সময় :- ১০:৪২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইবনে মাসুদ মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলীর মাধ্যমে অবৈধভাবে পদায়নের আদেশ সংশোধনের নামে ৬ জন প্রধান শিক্ষককে (চ:দা:) কে বদলী করেছেন।
জানা গেছে ইবনে মাসুদ গত ২০১৯ সালে কাহারোল উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হিসেব যোগদান করেন। এবং গত ২২/০৩/২০২৩ ইং তারিখে ভারপ্রাপ্ত উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি সহ একই উপজেলার চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (১) হোসনে আরা খাতুনকে ডাবোর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ইটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (২) মর্ম চন্দ্র রায়কে সাদুল্যাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে হাতিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (৩) সুর্য মোহন রায়কে গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তরলা আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (৪) প্রফুল্ল কুমার রায়কে রনগাঁও ভুলিয়া বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাহাড়পুর সরকারব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, (৫) মোঃ আব্দুল মান্নানকে বেড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং (৬) বিলকিস আরা বেগমকে গোপালপুর -১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মুকুন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়নের আদেশ সংশোধনের নামে ছয় জন প্রধান শিক্ষক (চ:দা:) কে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বদলীকৃত শিক্ষকদের পূর্বের বিদ্যালয় গুলিতে ভুঁয়া মামলা দেখিয়ে বদলী করেছেন। অথচ ডাবোর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোপালপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বে – সরকারি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা যথাক্রমে ২০১১ ও ২০১৮ সালে অবসরে গেছেন। সাদুল্যাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন বৈধ মামলা নাই মর্মে সাবেক উপজেলা শিক্ষা অফিসার আফজাল হোসেন প্রত্যয়ন দিয়েছেন। গুলিয়ারা, রনগাঁও ভুলিয়া বাজার এবং বেড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বিতীয় ধাপে জাতীয় করণকৃত। এসব বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষকদের রীট মামলা করার কোন সুযোগ ছিলনা বা নাই। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইবনে মাসুদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এখানে তার কোন হাত নেই। সাবেক দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী করেছেন । এব্যাপারে সাবেক দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলীর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সুপারিশ ছাড়া দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার এ কাজ করতে পারেন না। সুতরাং এ সংশোধন আদেশ ভুঁয়া বলে তিনি জানান। এব্যাপারে শিক্ষকগন মহা – পরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক মহলে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এব্যাপারে সচেতন মহল দুর্নীতিবাজ শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তাদের অবৈধ কাজের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানিয়েছেন ।
নিউজবিজয়/এফএইচএন