ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আসিফ আকবর দীপাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেনঃ

  • নিউজ বিজয় ডেস্ক :-
  • প্রকাশিত সময় :- ০৪:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২
  • ৫৬০ পড়া হয়েছে। নিউজবিজয় ২৪.কম-১৫ ডিসেম্বরে ৯ বছরে পর্দাপন

বাংলা অডিও গানের যুবরাজ খ্যাত গায়ক আসিফ আকবরকে বিয়ের জন্য চাপ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। আসিফ রাজি না হওয়ায় তার বাসায় গিয়ে আসিফের স্ত্রী মিতুর কাছে বিয়ের অনুমতি চেয়েছিলেন দীপা। এমনকি আসিফ বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও আসিফের মনে হয়েছিল। সোহেল অটল-এর লেখা কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের জীবনী গ্রন্থ ‘আকবর ফিফটি নট আউট’-এ উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি সাহস পাবলিকেশন্স থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। বইয়ে আসিফ ও দীপার প্রেমের উপাখ্যান বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন লেখক সোহেল অটল। বইটি পড়ে জানা যায়, শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর আমেরিকা ট্যুরে গিয়ে আসিফ-দীপার ঘনিষ্ঠতা হয়। সেখানেই তাদের প্রেমের সূত্রপাত হয়। টানা কয়েক বছর প্রেম করার পর আসিফ আকবরকে বিয়ের জন্য চাপ দেন দীপা খন্দকার। আসিফকে স্ত্রী-সন্তানকেও ছাড়তে বলেন দীপা। ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ বইয়ের ২৫১ নং পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, একদিন রাত ২টার সময় আসিফের সঙ্গে তার বাসায় যান দীপা খন্দকার। সেখানে গিয়ে আসিফের স্ত্রী মিতুর কাছে বিয়ের অনুমতি চান তিনি। আসিফের ওই বইয়ে লেখা আছে, আমেরিকা থেকে শুরু হয় তাদের সম্পর্ক। আমেরিকা থেকে দেশে ফেরার পর আসিফ তাকে বিয়ে করছেন না। দীপাকে আসিফ বলেন দুই দিকে সামলাতে পারবেন না। এ বিষয়গুলো আসিফের স্ত্রী মিতুর কাছে বলে বিয়ের অনুমতি চান। কিন্তু আসিফের স্ত্রী মিতু অনুমতি দেননি। তার কিছুদিন পর নির্মাতা শাহেদ আলী সুজনকে বিয়ে করেন দীপা খন্দকার। ওই বইয়ে লেখা থেকে আরও জানা যায়, দীপা খন্দকারকে আমেরিকা পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিলেন আসিফ। সেখানেই বিয়ে করে রাখতে চেয়েছিলেন। তবে দীপা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আসিফ তার বইয়ের ৩৬২ নং পৃষ্ঠায় দীপার প্রেমকে শ্রদ্ধা আর সম্মান জানিয়ে লেখেন, দীপা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মেয়ে ছিল তাই তাকে ভালোবেসে ছিলেন। তবে এখন দীপার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নেই, কিন্তু তার শ্রদ্ধাটা রয়ে গেছে।
নিউজ বিজয়/নজরুল

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

রাজধানীতে কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি বিচ্ছিন্ন

আসিফ আকবর দীপাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেনঃ

প্রকাশিত সময় :- ০৪:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২

বাংলা অডিও গানের যুবরাজ খ্যাত গায়ক আসিফ আকবরকে বিয়ের জন্য চাপ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। আসিফ রাজি না হওয়ায় তার বাসায় গিয়ে আসিফের স্ত্রী মিতুর কাছে বিয়ের অনুমতি চেয়েছিলেন দীপা। এমনকি আসিফ বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও আসিফের মনে হয়েছিল। সোহেল অটল-এর লেখা কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের জীবনী গ্রন্থ ‘আকবর ফিফটি নট আউট’-এ উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি সাহস পাবলিকেশন্স থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। বইয়ে আসিফ ও দীপার প্রেমের উপাখ্যান বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন লেখক সোহেল অটল। বইটি পড়ে জানা যায়, শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর আমেরিকা ট্যুরে গিয়ে আসিফ-দীপার ঘনিষ্ঠতা হয়। সেখানেই তাদের প্রেমের সূত্রপাত হয়। টানা কয়েক বছর প্রেম করার পর আসিফ আকবরকে বিয়ের জন্য চাপ দেন দীপা খন্দকার। আসিফকে স্ত্রী-সন্তানকেও ছাড়তে বলেন দীপা। ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ বইয়ের ২৫১ নং পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, একদিন রাত ২টার সময় আসিফের সঙ্গে তার বাসায় যান দীপা খন্দকার। সেখানে গিয়ে আসিফের স্ত্রী মিতুর কাছে বিয়ের অনুমতি চান তিনি। আসিফের ওই বইয়ে লেখা আছে, আমেরিকা থেকে শুরু হয় তাদের সম্পর্ক। আমেরিকা থেকে দেশে ফেরার পর আসিফ তাকে বিয়ে করছেন না। দীপাকে আসিফ বলেন দুই দিকে সামলাতে পারবেন না। এ বিষয়গুলো আসিফের স্ত্রী মিতুর কাছে বলে বিয়ের অনুমতি চান। কিন্তু আসিফের স্ত্রী মিতু অনুমতি দেননি। তার কিছুদিন পর নির্মাতা শাহেদ আলী সুজনকে বিয়ে করেন দীপা খন্দকার। ওই বইয়ে লেখা থেকে আরও জানা যায়, দীপা খন্দকারকে আমেরিকা পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিলেন আসিফ। সেখানেই বিয়ে করে রাখতে চেয়েছিলেন। তবে দীপা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আসিফ তার বইয়ের ৩৬২ নং পৃষ্ঠায় দীপার প্রেমকে শ্রদ্ধা আর সম্মান জানিয়ে লেখেন, দীপা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মেয়ে ছিল তাই তাকে ভালোবেসে ছিলেন। তবে এখন দীপার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নেই, কিন্তু তার শ্রদ্ধাটা রয়ে গেছে।
নিউজ বিজয়/নজরুল