আশায় আশায় ৫৩ বছর অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এঅঞ্চলে » NewsBijoy24 । Online Newspaper of Bangladesh.
ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আশায় আশায় ৫৩ বছর অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এঅঞ্চলে

অবৈধ বেগুর দাপটে নষ্ট হচ্ছে ফসলের জমি বেগুর মাটি অবৈধ কাকরায় ভাটায় নিতে খয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা অভিযোগেও কোন কাজ হচ্ছে না।

দেশের উত্তরাঞ্চলীয় কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা অঞ্চলটিতে ৫৩ বছরেও উন্নয়ন হয়নি ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে এঅঞ্চলের উন্নয়ন। উন্নয়ন না হওয়ার ফলে অন্ধকারে জীবনযাপন করছেন অবহেলিত অঞ্চলের প্রায় পনেরো হাজার মানুষ। যোগাযোগ বিছিন্নতার কারণে এঅঞ্চলের ছেলে, মেয়েকে বিয়ে সাদি দিতেও বিপাকে পড়তে হয় অভিভাবকদের।
কারণ এসব রাস্তায় একবার যাওয়া আশা করলে পায়ের ধুলোবালি মাথায় গিয়ে ভাষা বাদে এমন বিঘ্ন দশায় এসব এলাকায় বিয়ে করে কোন শালায়।

যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকেও বঞ্চিত সীমান্ত অঞ্চলের কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকরা।
যোগাযোগ বিছিন্ন এলাকার সরেজমিন ঘুরে এলাকার বৃদ্ধদের বরাত দিয়ে জানা গেছে এক মন ধান হাটবাজারে বিক্রয় করতে কেয়ারিং খরচা হয় একশোত টাকা। আর যদি যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকতো তাহলে কেয়ারিং খরচ হতো ২০ টাকা। আর সেখানে প্রতি মনে কেয়ারিং খরচ গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৮০ টাকা।
অপরদিকে হাটবাজারে কোন কাজে যেতে হলে পায়ে হেটে যেতে হয় প্রায় ৮ কিলোমিটার ধুলোবালি রাস্তার উপর দিয়ে।
এমন বিঘ্নদশায় জীবনযাপন করছেন প্রায় পনেরো হাজার মানুষ।

অটো ভ্যানে কোন ফসল হাটবাজারে নিতে হলে ৩-৪ জন মানুষের ধাক্কাধাক্কি করে পাকারাস্তায় পৌছাতে হয়।
এদিকে হাটবাজারে যেতে হলে মানুষ একটু হলেও স্বাভাবিক পোষাক পড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে দেখা গেছে পায়ের ধুলা মাথায় উঠে পরিবেশ কি জিনিস এঅঞ্চলের মানুষ ঠিকমতো রাখতে পারছেনা।

কাচা মাঠির রাস্তার এপাশ ওপাশে অবৈধ ইটভাটা, এসব ইটভাটায় ফসলি জমির মাটি বেগুতে কেটে কাকরা যোগে ভাটায় পৌছাতে রাস্তার অবস্থা খানাখন্দে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীরা সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন অবৈধ লড়ি কাকরার দাপটে গ্রামীণ অবকাঠামো যোগা খিচুড়িতে পরিনত হয়েছে এগুলো বন্দ করতে হবে। সায়দাবাদ মহাসড়ক হইতে ভায়া বেকরিবিল হয়ে খেওয়ারচর বাজার পেরিয়ে, সীমান্ত ঘেঁষা আলগারচর ডিঙ্গিয়ে, লাঠিয়াল ডাঙ্গার উপর দিয়ে বালিয়ামারী খেওয়া ঘাট পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার কাচা রাস্তায় একটি ইটের খোয়াও পড়েনি। যার ফলে শুস্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে অন্ধকার হয়ে থাকে। বৃষ্টি হলে হাটু পর্যন্ত কাদায় পরিনত হয়ে যায়। অপরদিকে বালিয়ামারী পাকারাস্তার
মোর হইতে চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা হয়ে সায়দাবাদ পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার কাচা মাটির রাস্তা চলাকালে অনুপযোগী হয়ে মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। এসব এলাকার উন্নয়ন চাইলে টেকসই উন্নয়ন করতে হবে তাহলে যদি এই এলাকার উন্নয়ন হয়।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন

নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাসের এই দিনে: ২৩ ফেব্রুয়ারি:-২০২৪

Advertisement

আশায় আশায় ৫৩ বছর অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এঅঞ্চলে

প্রকাশিত সময় :- ০৩:০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অবৈধ বেগুর দাপটে নষ্ট হচ্ছে ফসলের জমি বেগুর মাটি অবৈধ কাকরায় ভাটায় নিতে খয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা অভিযোগেও কোন কাজ হচ্ছে না।

দেশের উত্তরাঞ্চলীয় কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা অঞ্চলটিতে ৫৩ বছরেও উন্নয়ন হয়নি ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে এঅঞ্চলের উন্নয়ন। উন্নয়ন না হওয়ার ফলে অন্ধকারে জীবনযাপন করছেন অবহেলিত অঞ্চলের প্রায় পনেরো হাজার মানুষ। যোগাযোগ বিছিন্নতার কারণে এঅঞ্চলের ছেলে, মেয়েকে বিয়ে সাদি দিতেও বিপাকে পড়তে হয় অভিভাবকদের।
কারণ এসব রাস্তায় একবার যাওয়া আশা করলে পায়ের ধুলোবালি মাথায় গিয়ে ভাষা বাদে এমন বিঘ্ন দশায় এসব এলাকায় বিয়ে করে কোন শালায়।

যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকেও বঞ্চিত সীমান্ত অঞ্চলের কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকরা।
যোগাযোগ বিছিন্ন এলাকার সরেজমিন ঘুরে এলাকার বৃদ্ধদের বরাত দিয়ে জানা গেছে এক মন ধান হাটবাজারে বিক্রয় করতে কেয়ারিং খরচা হয় একশোত টাকা। আর যদি যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকতো তাহলে কেয়ারিং খরচ হতো ২০ টাকা। আর সেখানে প্রতি মনে কেয়ারিং খরচ গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৮০ টাকা।
অপরদিকে হাটবাজারে কোন কাজে যেতে হলে পায়ে হেটে যেতে হয় প্রায় ৮ কিলোমিটার ধুলোবালি রাস্তার উপর দিয়ে।
এমন বিঘ্নদশায় জীবনযাপন করছেন প্রায় পনেরো হাজার মানুষ।

অটো ভ্যানে কোন ফসল হাটবাজারে নিতে হলে ৩-৪ জন মানুষের ধাক্কাধাক্কি করে পাকারাস্তায় পৌছাতে হয়।
এদিকে হাটবাজারে যেতে হলে মানুষ একটু হলেও স্বাভাবিক পোষাক পড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে দেখা গেছে পায়ের ধুলা মাথায় উঠে পরিবেশ কি জিনিস এঅঞ্চলের মানুষ ঠিকমতো রাখতে পারছেনা।

কাচা মাঠির রাস্তার এপাশ ওপাশে অবৈধ ইটভাটা, এসব ইটভাটায় ফসলি জমির মাটি বেগুতে কেটে কাকরা যোগে ভাটায় পৌছাতে রাস্তার অবস্থা খানাখন্দে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীরা সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন অবৈধ লড়ি কাকরার দাপটে গ্রামীণ অবকাঠামো যোগা খিচুড়িতে পরিনত হয়েছে এগুলো বন্দ করতে হবে। সায়দাবাদ মহাসড়ক হইতে ভায়া বেকরিবিল হয়ে খেওয়ারচর বাজার পেরিয়ে, সীমান্ত ঘেঁষা আলগারচর ডিঙ্গিয়ে, লাঠিয়াল ডাঙ্গার উপর দিয়ে বালিয়ামারী খেওয়া ঘাট পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার কাচা রাস্তায় একটি ইটের খোয়াও পড়েনি। যার ফলে শুস্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে অন্ধকার হয়ে থাকে। বৃষ্টি হলে হাটু পর্যন্ত কাদায় পরিনত হয়ে যায়। অপরদিকে বালিয়ামারী পাকারাস্তার
মোর হইতে চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা হয়ে সায়দাবাদ পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার কাচা মাটির রাস্তা চলাকালে অনুপযোগী হয়ে মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। এসব এলাকার উন্নয়ন চাইলে টেকসই উন্নয়ন করতে হবে তাহলে যদি এই এলাকার উন্নয়ন হয়।

নিউজবিজয়২৪/এফএইচএন