লালমনিরহাট আদিতমারীতে এক অত্নসত্তা গৃহবধুর সাথে পরকীয়া প্রেম করতে এসে আলিম উদ্দিন (২৬) নামের এক মাদরাসার শিক্ষক জনতা আটক করে থানা পুলিশের নিকট প্রেরণ করে।
সোমবার (২২ জুন) রাতে উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের নাড়িয়ার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক শিক্ষক উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী এলাকার নাদের হোসেনের ছেলে এবং নামুড়ী চন্দ্রপুর সালমান ফারসি নুরানী মাদরাসার শিক্ষক।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে প্রেমিকা গৃহবধু প্রেমিক আলিমিদ্দিনের আদিতমারী থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-১৭/১২৮,তারিখঃ ২৩/০৬/২০২৬+
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে,ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের শালমারা গ্রামের (২২) বছর বয়সী মেয়ের সাথে সারপুকুর নামুড়ী চন্দ্রপুর এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে আকিফুল ইসলাম (২৬) এর সহিত ৫ বছর পূর্বে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার দিয়ে বিয়ে হয়। তাদের সংসার বেশ ভালভাবে চলছিল। এদিকে গত ২ বছর পূর্বে রাকিবুলের বাড়ী সংলগ্ন মাদরাসা শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন আলিমুদ্দিন। চাকুরীর সুবাদে ঐ গৃহবধুর বান্ধবীর মাধ্যমে তার পরিচয় ঘটে এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে কথাবার্তা হয় এক পর্যায়ে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক্য ঘটে যায়। এমন কি বাড়ীতে আসা যাওয়া চলে। গত ৫ মাস পূূর্বে গৃবধুর স্বামী কাজ করতে বাহিরে এবং শ্বশুর শাশুড়ী বেড়াতে আত্নীয়র বাড়ীতে বেড়াতে যায়। বাড়ীতে কেহ না থাকার সুবাদে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে বলিয়া দিব বললে, আসামী ঐ গৃহবধুসহ পরিবারের ক্ষতি করবেন বলে বিভিন্ন হুমকী প্রদান করেন। এ কারনে এতদিন আসামীর ভয়ে স্বামী সংসার ও পরিবারের কথা ভেবে কাউকে বলা হয়নি। এদিকে গত ৩ মাস পূর্বে আকিফুল আবারও গৃহবধুকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্বা। এমতাবস্থায় সোমবার (২২ জুন) দুপুরে স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুবাদে দু-জনের কথা বলার এক পর্যায়ে আকিফুল চলে আসে এবং আসামীকে আটক করে। পরে এলাকার লোকজন থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ধর্ষক মাদরাসার শিক্ষক ও গৃহবধুকে থানায় নিয়ে আসে।
এদিকে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ফয়সালা করতে সারাদিন- গভীর রাত পর্যন্ত চলে ব্যাপক শালিসী বৈঠক। গৃহবধু অন্তঃসত্বা হওয়ার কারনে তারা এক পর্যায়ে কোন ফয়সালা দিতে না পেরে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিব সজীব বলেন, গৃহবধুকে মেডিকেল পরিক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরন ও আসামীকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
রেজাউল করিম রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি ;- 



























