ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদ মোবারক

আইডি কার্ড দেখিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন মুক্তিযোদ্ধারা

  • নিউজ বিজয় ডেস্ক :-
  • প্রকাশিত সময় :- ০১:৪৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২
  • ২৩০ পড়া হয়েছে। নিউজবিজয় ২৪.কম-১৫ ডিসেম্বরে ৯ বছরে পর্দাপন

আইডি কার্ড দেখিয়ে কাজের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা সপ্তাহে একদিন সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, আমরা সচিবালয়ে নোটিশ দিয়ে দিব। মুক্তিযোদ্ধারা সচিবালয়ে আসলে যেন সম্মানের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে সম্মান করেন তা বঙ্গবন্ধুর পরে আর কেউ দেননি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নানা সুবিধা দিয়েছেন, হাসপাতাল করা হয়েছে সেখানে ফ্রি চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মীরজাফরের বংশধর এখনো বেঁচে রয়েছে। যারা নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের সহ্য করতে পারে না। যারা নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব ও দেশ স্বাধীন করার অবদান রেখেছে স্বীকার করে না। সেজন্য তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানিত হলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নানা স্মৃতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জনগণকে সম্পৃক্ত করেই স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। যার কারণে সবাই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমরা ঢাকার কাছে চলে আসছিলাম। ঢাকাকে দখল করে ফেলার মতো অবস্থায় চলে আসছিলাম। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমি গিয়েছি। কিছুদিন আগেই বর্ডার এলাকায় গিয়েছিলাম। অনেক মুক্তিযোদ্ধার কবর বর্ডার এলাকায় রয়েছে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধারা যতদিন বেঁচে আছি সবাই একসঙ্গে থাকবো, একসঙ্গে চলবো। আমরা সব সময় বাংলাদেশের বিজয়ের কথা বলবো। আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছি তখন আমাদের কাছে হাতিয়ার ছিল না। একটি জিনিস ছিল, একটি স্লোগান ছিল ‘জয় বাংলা’। আমাদের একটি দাবি ছিল, জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগানে পরিণত করা হোক। আজকে সেটা জাতীয় স্লোগানের পরিণত হয়েছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবকিছুতেই ঋণী।

আগামী নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধারা সরকারের পাশে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ (বীরবিক্রম) বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

👉 নিউজবিজয় ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন ✅

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন।

NewsBijoy24.Com

নিউজবিজয়২৪.কম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। উৎসর্গ করলাম আমার বাবার নামে, যাঁর স্নেহ-সান্নিধ্যের পরশ পরিবারের সুখ-দু:খ,হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনার মাঝেও আপার শান্তিতে পরিবার তথা সমাজে মাথা উচুঁ করে নিজের অস্তিত্বকে মেলে ধরতে পেরেছি।

নাটোরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ!

আইডি কার্ড দেখিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন মুক্তিযোদ্ধারা

প্রকাশিত সময় :- ০১:৪৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২

আইডি কার্ড দেখিয়ে কাজের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা সপ্তাহে একদিন সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, আমরা সচিবালয়ে নোটিশ দিয়ে দিব। মুক্তিযোদ্ধারা সচিবালয়ে আসলে যেন সম্মানের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে সম্মান করেন তা বঙ্গবন্ধুর পরে আর কেউ দেননি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নানা সুবিধা দিয়েছেন, হাসপাতাল করা হয়েছে সেখানে ফ্রি চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মীরজাফরের বংশধর এখনো বেঁচে রয়েছে। যারা নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের সহ্য করতে পারে না। যারা নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব ও দেশ স্বাধীন করার অবদান রেখেছে স্বীকার করে না। সেজন্য তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানিত হলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের নানা স্মৃতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জনগণকে সম্পৃক্ত করেই স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। যার কারণে সবাই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমরা ঢাকার কাছে চলে আসছিলাম। ঢাকাকে দখল করে ফেলার মতো অবস্থায় চলে আসছিলাম। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আমি গিয়েছি। কিছুদিন আগেই বর্ডার এলাকায় গিয়েছিলাম। অনেক মুক্তিযোদ্ধার কবর বর্ডার এলাকায় রয়েছে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধারা যতদিন বেঁচে আছি সবাই একসঙ্গে থাকবো, একসঙ্গে চলবো। আমরা সব সময় বাংলাদেশের বিজয়ের কথা বলবো। আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছি তখন আমাদের কাছে হাতিয়ার ছিল না। একটি জিনিস ছিল, একটি স্লোগান ছিল ‘জয় বাংলা’। আমাদের একটি দাবি ছিল, জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগানে পরিণত করা হোক। আজকে সেটা জাতীয় স্লোগানের পরিণত হয়েছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবকিছুতেই ঋণী।

আগামী নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধারা সরকারের পাশে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ (বীরবিক্রম) বীর মুক্তিযোদ্ধারা।