ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

অবশেষে অনুমোদন পেল নবম পে-স্কেল, কোন গ্রেডে কত বেতন?

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘বেতন ও চাকরি কমিশন, ২০২৬’ এবং এ-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সুপারিশের আলোকে নতুন বেতন স্কেল ও ভাতাদি নির্ধারণের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই থেকেই নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে, কিন্তু তা ভেঙে ভেঙে দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। প্রজ্ঞাপন জারি করতে এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রেড-১-এর জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এছাড়াও ৯ম পে-স্কেল অনুযায়ী প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান’ ভাতা চালু হতে যাচ্ছে। যার আওতায় মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। সোমবার সকালে নতুন পে স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান, সরকারের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সর্বশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো চালু হয়েছিল ২০১৫ সালে। এরপর প্রতিবছর মূল বেতন ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করা হলেও নতুন করে কোনো জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। ফলে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে আগের বেতন কাঠামোর ভিত্তিতেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত হয়ে আসছে।

এ অবস্থায় প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। নতুন কাঠামোর আওতায় সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীও। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের অপেক্ষায় আছেন।

নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলে পরবর্তী ধাপে শুরু হবে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি যাচাই ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। এর মধ্য দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক পথ আরও স্পষ্ট হবে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রোকন উদ্দিন বাবুল এমপি

অবশেষে অনুমোদন পেল নবম পে-স্কেল, কোন গ্রেডে কত বেতন?

আপডেট সময় ০৬:৩৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘বেতন ও চাকরি কমিশন, ২০২৬’ এবং এ-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সুপারিশের আলোকে নতুন বেতন স্কেল ও ভাতাদি নির্ধারণের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই থেকেই নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে, কিন্তু তা ভেঙে ভেঙে দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। প্রজ্ঞাপন জারি করতে এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রেড-১-এর জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এছাড়াও ৯ম পে-স্কেল অনুযায়ী প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান’ ভাতা চালু হতে যাচ্ছে। যার আওতায় মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে। সোমবার সকালে নতুন পে স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান, সরকারের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সর্বশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো চালু হয়েছিল ২০১৫ সালে। এরপর প্রতিবছর মূল বেতন ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করা হলেও নতুন করে কোনো জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। ফলে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে আগের বেতন কাঠামোর ভিত্তিতেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত হয়ে আসছে।

এ অবস্থায় প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। নতুন কাঠামোর আওতায় সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীও। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের অপেক্ষায় আছেন।

নবম পে-স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলে পরবর্তী ধাপে শুরু হবে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি যাচাই ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। এর মধ্য দিয়েই দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক পথ আরও স্পষ্ট হবে।